ভোলায় নারী রাজনৈতিক কর্মীকে গ্রেফতারের ঘটনাকে কেন্দ্র করে নতুন করে রাজনৈতিক উত্তাপ ছড়িয়েছে। বিরোধী দলীয় নেতারা এ ঘটনাকে কেন্দ্র করে সরকারের কড়া সমালোচনা করছেন এবং এটিকে ভিন্নমত দমনের উদাহরণ হিসেবে তুলে ধরছেন।
মঙ্গলবার (৭ এপ্রিল) বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমান সকালে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে দেওয়া পোস্টে ক্ষোভ প্রকাশ করেন তিনি।
পোস্টে তিনি বলেন, দলের কর্মী সাওদা সুমির সঙ্গে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর আচরণ ‘নব্য ফ্যাসিবাদের ইঙ্গিত’ বহন করে। তিনি দাবি করেন, ইতিহাসে বারবার দেখা গেছে- শাসকগোষ্ঠী নিজেদের ব্যর্থতা ঢাকতে বিরোধী কণ্ঠকে দমন করার পথ বেছে নেয়, তবে শেষ পর্যন্ত এর ফল উল্টোই হয়।
একই ঘটনার প্রতিক্রিয়ায় ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রিক ছাত্রনেতা সাদেক কায়েমও তীব্র সমালোচনা করেন। তিনি সামাজিক মাধ্যমে দেওয়া এক পোস্টে বলেন, গভীর রাতে একটি পরিবারের সদস্যকে তুলে নেওয়ার ঘটনা মানবিক ও রাজনৈতিক- দুই দিক থেকেই প্রশ্নবিদ্ধ। তার মতে, এ ধরনের পদক্ষেপ অতীতের দমন-পীড়নের ধারাবাহিকতাকেই মনে করিয়ে দেয়।
আরও পড়ুন
তিনি আরও বলেন, যারা একসময় নিপীড়নের বিরুদ্ধে কথা বলেছে, তাদের শাসনামলে এ ধরনের ঘটনা হতাশাজনক। অবিলম্বে ওই নারী কর্মীর মুক্তি এবং রাজনৈতিক হয়রানি বন্ধের দাবি জানান তিনি।
উল্লেখ্য, গত রোববার রাতে ভোলার নিজ বাসা থেকে গ্রেফতার করা হয় জামায়াতে ইসলামীর স্থানীয় নারী কর্মী বিবি সাওদাকে। এরপর থেকেই বিষয়টি রাজনৈতিক অঙ্গনে আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে উঠে এসেছে।
এএডি/