রাজধানীর শ্যামলীতে কিডনি চিকিৎসক কামরুল ইসলামের প্রতিষ্ঠিত সিকেডি ইউরোলজি হাসপাতালে চাঁদাবাজির অভিযোগে করা মামলায় চার আসামিকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য চারদিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেছেন আদালত।
সোমবার (১৩ এপ্রিল) ঢাকার চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে আসামিদের হাজির করে পুলিশ। এরপর মামলার তদন্ত কর্মকর্তা পুলিশের এসআই ছাবির আহমেদ আসামিদের জিজ্ঞাসাবাদের জন্য সাতদিনের রিমান্ড আবেদন করেন।
আবেদনে বলা হয়, গ্রেফতার আসামিরা জিজ্ঞাসাবাদে অসংলগ্ন তথ্য দিচ্ছেন এবং ঘটনার প্রকৃত তথ্য গোপন করছেন। মামলার মূল রহস্য উদঘাটন, পলাতক আসামিদের শনাক্ত ও গ্রেফতার এবং ঘটনার সঙ্গে জড়িত অন্যদের তথ্য সংগ্রহের জন্য তাদের রিমান্ডে নেওয়া জরুরি। শুনানি শেষে মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আরিফুল ইসলাম রিমান্ডের এ আদেশ দেন।
রিমান্ডপ্রাপ্তরা হলেন- ফারুক হোসেন সুমন, লিটন মিয়া, ফালান মিয়া ও মো. রুবে।
মামলার এজাহার থেকে জানা যায়, বাদী আবু হানিফ, যিনি শ্যামলীর সিকেডি হাসপাতালের অপারেশন থিয়েটার ইনচার্জ হিসেবে কর্মরত, দীর্ঘদিন ধরে ১ নম্বর আসামি মঈন উদ্দিনের কাছ থেকে পাঁচ লাখ টাকা চাঁদা দাবির মুখে ছিলেন। চাঁদা দিতে অস্বীকৃতি জানালে তাকে বিভিন্নভাবে ভয়ভীতি ও হুমকি দেওয়া হয়। অভিযোগে আরও বলা হয়, গত ১০ এপ্রিল সকাল আনুমানিক ৮টার দিকে মঈন উদ্দিনসহ অজ্ঞাতনামা ৭-৮ জন বাদীর বাসায় গিয়ে তার স্ত্রীর কাছে তাৎক্ষণিকভাবে পাঁচ লাখ টাকা দাবি করেন। টাকা না দিলে তারা হুমকি ও উশৃঙ্খল আচরণ শুরু করেন।
পরিস্থিতি খারাপের আশঙ্কায় বাদী তার ভাইকে ডেকে নেন। পরে অভিযুক্তরা আরও লোকজন জড়ো করে প্রায় ৫০-৬০ জনের একটি দল নিয়ে সিকেডি হাসপাতালের সামনে গিয়ে বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি করে। তারা স্লোগান দেয়, গালাগালি করে এবং হাসপাতালের স্বাভাবিক পরিবেশ বিঘ্নিত করার চেষ্টা চালায়। এমনকি হাসপাতালের মালিককে উদ্দেশ্য করে হুমকিসূচক স্লোগানও দেয়। খবর পেয়ে শেরেবাংলা নগর থানা পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে।
/কহু