জ্বালানি তেলের মজুদ শঙ্কা ‘মনস্তাত্ত্বিক’

নিজস্ব প্রতিবেদক

জাতীয়

দেশে জ্বালানি তেলের মজুদ নিয়ে যে শঙ্কা তৈরি হয়েছে, সেটিকে ‘মনস্তাত্ত্বিক চাপ’ হিসেবে আখ্যা দিয়েছে বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ

2026-04-16T02:00:22+00:00
2026-04-16T02:00:22+00:00
 
  রবিবার, ১৯ জুলাই ২০২৬,
৪ শ্রাবণ ১৪৩৩
রবিবার, ১৯ জুলাই ২০২৬
জাতীয়
জ্বালানি তেলের মজুদ শঙ্কা ‘মনস্তাত্ত্বিক’
নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশ: বৃহস্পতিবার, ১৬ এপ্রিল, ২০২৬, ২:০০ এএম 
চিবালয়ে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে যুগ্ম সচিব মনির হোসেন চৌধুরী। সংগৃহীত ছবি
দেশে জ্বালানি তেলের মজুদ নিয়ে যে শঙ্কা তৈরি হয়েছে, সেটিকে ‘মনস্তাত্ত্বিক চাপ’ হিসেবে আখ্যা দিয়েছে বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ মন্ত্রণালয়। মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, সরবরাহে কোনো ঘাটতি নেই বরং আতঙ্কিত হয়ে অতিরিক্ত কেনাকাটার প্রবণতাই বাজারে চাপ বাড়াচ্ছে। 

তবে বুধবার রাজধানীর পাম্পগুলোতে আগের চেয়েও বেশি ভিড় লক্ষ করা গেছে। ঘণ্টার পর ঘণ্টা অপেক্ষা করে তেল সংগ্রহ করতে হচ্ছে গ্রাহককে।

জ্বালানি বিভাগ বলছে, বৈশ্বিক অস্থিরতার মধ্যে অপরিশোধিত তেলের সরবরাহ ব্যাহত হলেও দেশের জ্বালানি তেল সরবরাহে কোনো বিরূপ প্রভাব পড়বে না। একমাত্র রাষ্ট্রায়ত্ত পরিশোধনাগার ইস্টার্ন রিফাইনারি লিমিটেডের (ইআরএল) ৪টি ইউনিটের মধ্যে ২টি ইউনিট মেইনটেন্যান্সের জন্য বন্ধ। অন্য ২টি ইউনিট বর্তমানে লো-ফিডে (ধীর গতিতে) চালু থাকলেও বিকল্প ব্যবস্থায় সরবরাহ স্বাভাবিক রাখা হচ্ছে। দুই লাখ মেট্রিকটন তেল নিয়ে দুটি জাহাজ ঘাটে নোঙর করেছে।

জ্বালানি বিভাগ জানিয়েছে, বুধবার দেশে ডিজেল মজুদ রয়েছে ১ লাখ ১ হাজার ৩৮৫ মেট্রিকটন, অকটেন ৩১ হাজার ৮২১ মেট্রিকটন, পেট্রল ১৮ হাজার ২১১ মেট্রিকটন, ফার্নেস তেল ৭৭ হাজার ৫৪৬ মেট্রিকটন ও জেট ফুয়েল ১৮ হাজার ২২৩ মেট্রিকটন। অকটেন ও পেট্রলের মজুদ দিয়ে আগামী দুই মাসেও কোনো সমস্যা হবে না। ডিজেলের ক্ষেত্রেও এপ্রিল তো বটেই, মে মাসেও সমস্যা হবে না।

বুধবার সচিবালয়ে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ মন্ত্রণালয়ের যুগ্ম সচিব মনির হোসেন চৌধুরী বলেন, শুরু থেকেই গণমাধ্যমের সহযোগিতায় পরিস্থিতি তুলনামূলকভাবে স্বাভাবিক রাখা সম্ভব হয়েছে। 
এরপর তিনি সাম্প্রতিক অভিযান ও মজুদ পরিস্থিতির বিস্তারিত তথ্য তুলে ধরেন। গত ৩ মার্চ থেকে ১৪ এপ্রিল পর্যন্ত সারা দেশে ৯ হাজার ১১৬টি মোবাইল কোর্ট পরিচালনা করা হয়েছে বলে জানান যুগ্ম সচিব। এসব অভিযানে ৩ হাজার ৫১০টি মামলা হয়েছে, জরিমানা আদায় হয়েছে ১ কোটি ৫৬ লাখ ৯০ হাজার টাকা এবং ৪৫ জনকে কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে।

তিনি জানান, এ সময় মোট ৫ লাখ ৪ হাজার ২৩৬ লিটার অবৈধ জ্বালানি তেল উদ্ধার করা হয়েছে। এর মধ্যে ডিজেল ৩ লাখ ৬৬ হাজার লিটার, অকটেন ৩৯ হাজার ৭৭৬ লিটার, পেট্রল ৮৭ হাজার ৯৫৯ লিটার ও ফার্নেস তেল ৪৮ হাজার ৫০০ লিটার।

দেশের একমাত্র পরিশোধনাগার ইস্টার্ন রিফাইনারির কার্যক্রম প্রসঙ্গে তিনি জানান, বছরে প্রায় ১৫ লাখ মেট্রিকটন অপরিশোধিত তেল সেখানে পরিশোধন করা হয়। বর্তমানে চারটি ইউনিটের মধ্যে দুটি চালু রয়েছে।

তিনি বলেন, বৈশ্বিক যুদ্ধ পরিস্থিতির কারণে হরমুজ প্রণালি দিয়ে নির্ধারিত সময়ে অপরিশোধিত তেল আমদানিতে কিছুটা সমস্যা হয়েছে। তবে আগের মজুদ দিয়ে কার্যক্রম চালানো হচ্ছে। এপ্রিলের শেষ সপ্তাহ বা মে মাসের শুরুতে নতুন জাহাজ আসবে বলে আশা করা হচ্ছে। রিফাইনারির এই সীমাবদ্ধতা সরবরাহে কোনো প্রভাব ফেলবে না, বলেন যুগ্ম সচিব মনির।

বাজারে পাম্পে ভিড়ের কারণ ব্যাখ্যা করতে গিয়ে তিনি বলেন, এটি সরবরাহ ঘাটতির কারণে নয়। ২৮ ফেব্রুয়ারির আগে আমরা যে পরিমাণ তেল দিতাম, এখনও তাই দিচ্ছি। কিন্তু মানুষ ভবিষ্যৎ নিয়ে শঙ্কায় বেশি কিনছে, বলেন তিনি।
উদাহরণ দিয়ে তিনি জানান, একটি পাম্পে আগে দৈনিক ৫০-৫৪ হাজার লিটার অকটেন সরবরাহ করা হতো, এখন সেখানে ৮০ হাজার লিটারেরও বেশি দিয়েও চাহিদা মেটানো যাচ্ছে না।

তিনি বলেন, আমাদের হিসাব অনুযায়ী গত বছরের চেয়ে ৪ থেকে ৫ শতাংশ তেলের চাহিদা বেড়েছে। প্রতি মাসেই পরিস্থিতি বিবেচনা করে মূল্য সমন্বয় করা হয়। এপ্রিলের দাম ইতিমধ্যে নির্ধারণ করা হয়েছে। ভবিষ্যতে দাম বাড়বে কি না, তা পরিস্থিতির ওপর নির্ভর করে।

সরবরাহব্যবস্থায় স্বচ্ছতা আনতে সরকারের উদ্যোগের তথ্যও তুলে ধরেন তিনি। জানান, জ্বালানি পরিবহনকারী লরিতে ট্র্যাকিং ডিভাইস বসানো হবে। ‘ফুয়েল পাস’ নামে একটি পাইলট প্রকল্প ইতিমধ্যে কয়েকটি স্টেশনে চালু হয়েছে এবং এতে প্রায় ১ লাখ ১০ হাজার নিবন্ধন হয়েছে। আগামী সপ্তাহে আরও কয়েকটি পাম্পে চালু হবে।

শিল্প খাতে ডিজেল সরবরাহে কোনো ঘাটতি নেই বলেও জানান তিনি। পাশাপাশি ডিলারদের একটি ডাটাবেজ তৈরি করা হচ্ছে, যাতে সক্রিয় ও নিষ্ক্রিয় ডিলারদের শনাক্ত করা যায়। মজুদ পরিস্থিতি স্বাভাবিক থাকলেও জনমনে তৈরি হওয়া শঙ্কাই এখন বড় চ্যালেঞ্জ বলে মনে করছেন জ্বালানি বিভাগের এই কর্মকর্তা।

ইআরএল নিয়ে বক্তব্য : অন্যদিকে বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ মন্ত্রণালয়ের বুধবারের এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বুধবার বলা হয়, মার্চ মাসে নির্ধারিত সূচি অনুযায়ী ক্রুড অয়েল না পৌঁছানোয় ইআরএলকে সীমিত সক্ষমতায় চালাতে হচ্ছে। তবে এ নিয়ে উদ্বেগের কারণ নেই। নিয়মিত আমদানির পাশাপাশি বিকল্প উৎস থেকে পরিশোধিত জ্বালানি তেল আমদানি নিশ্চিত করা হয়েছে।

জ্বালানি বিভাগ জানায়, গত ২৮ ফেব্রুয়ারি মধ্যপ্রাচ্যে যুদ্ধ শুরুর পর গুরুত্বপূর্ণ হরমুজ প্রণালি বন্ধ থাকায় তেলবাহী জাহাজ চলাচলে বিঘ্ন ঘটেছে। এর ফলে মার্চে ২ লাখ টন এবং এপ্রিলে ১ লাখ টন ক্রুড অয়েল দেশে আনা সম্ভব হয়নি।
সৌদি আরব থেকে মার্চের শুরুতে ১ লাখ টন তেলবাহী জাহাজ নরডিক্স পোলাক্স রাস্তানুরা বন্দরে অবস্থান করছে। নিরাপত্তাজনিত ঝুঁকির কারণে জাহাজটি হরমুজ অতিক্রম করতে পারেনি। একইভাবে সংযুক্ত আরব আমিরাত থেকে আসার কথা থাকা আরেকটি জাহাজও স্থগিত করা হয়েছে।

তবে বিকল্প পথে সরবরাহ নিশ্চিতের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। ১ লাখ টন এরাবিয়ান লাইট ক্রুড অয়েল নিয়ে একটি জাহাজ ২০ এপ্রিল রওনা দিয়ে ২ থেকে ৩ মে চট্টগ্রাম বন্দরে পৌঁছাতে পারে। এ ছাড়া মে মাসে আরও ১ লাখ টন ক্রুড অয়েল সরবরাহের জন্য সৌদি আরবকে অনুরোধ জানানো হয়েছে। জরুরি চাহিদা মেটাতে সরাসরি ক্রয় পদ্ধতিতে অতিরিক্ত ১ লাখ টন ক্রুড অয়েল আমদানির অনুমোদনও দেওয়া হয়েছে।

জ্বালানি বিভাগ জানায়, ইআরএল মূলত সৌদি আরব থেকে এরাবিয়ান লাইট এবং সংযুক্ত আরব আমিরাত থেকে মারবান ক্রুড অয়েল আমদানি করে বছরে প্রায় ১৫ লাখ টন পরিশোধন করে, যা দেশের মোট জ্বালানি চাহিদার প্রায় ২০ শতাংশ পূরণ করে। বাকি চাহিদা পরিশোধিত তেল আমদানির মাধ্যমে পূরণ করা হয়। ২০২৪-২৫ অর্থবছরে দেশের মোট ব্যবহৃত ডিজেলের প্রায় ১৫ শতাংশ, পেট্রলের প্রায় ১২ শতাংশ ইআরএল থেকে সরবরাহ হয়েছে। পাশাপাশি ফার্নেস অয়েল, কেরোসিন ও বিটুমিনের একটি উল্লেখযোগ্য অংশও এই পরিশোধনাগার থেকেই আসে।

যুদ্ধ পরিস্থিতির কারণে অপরিশোধিত তেল আমদানিতে বাধা সৃষ্টি হলেও পর্যাপ্ত পরিমাণ পরিশোধিত জ্বালানি আমদানির মাধ্যমে ঘাটতি পূরণ করা হচ্ছে। ইআরএলের উৎপাদন অব্যাহত রেখে সরবরাহ পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখা হচ্ছে।

বুধবার ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের অধিবেশনের বিরতিতে জাতীয় সংসদ ভবনের টানেলে সাংবাদিকদের ব্রিফিংকালে চিফ হুইপ বলেছেন, চট্টগ্রামে অবস্থিত দেশের একমাত্র রাষ্ট্রায়ত্ত তেল শোধনাগার ইস্টার্ন রিফাইনারি পিএলসি লিমিটেডের বন্ধ হওয়ার সংবাদটি গুরুত্বসহকারে মিডিয়ায় প্রচারিত হয়েছে। এ সংবাদের সঙ্গে সম্পর্কিত দুই লাখ মেট্রিকটন তেল নিয়ে দুটি জাহাজের ঘাটে নোঙর করার সংবাদটিও প্রচার হওয়া উচিত ছিল। গণমাধ্যমের উচিত নেতিবাচক খবরের পাশাপাশি ইতিবাচক খবরগুলোও তুলে ধরা।

জ্বালানি সংকট মোকাবিলায় দুই বিলিয়ন ডলার ঋণ চাইলেন প্রধানমন্ত্রী : এদিকে বাংলাদেশের বর্তমান জ্বালানি সংকট মোকাবিলায় উন্নয়ন সহযোগীদের কাছে ২ বিলিয়ন ডলার ঋণ সহায়তা চেয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। বুধবার দুপুরে এশিয়া জিরো ইমিশন কমিউনিটি (এজেডইসি) প্লাস অনলাইন সামিটে এই সহায়তার কথা বলেছেন প্রধানমন্ত্রী। দুপুর ১২টায় সংসদ ভবনে প্রধানমন্ত্রী কার্যালয় থেকে এই আন্তর্জাতিক সম্মেলনে অংশ নেন তারেক রহমান।

প্রধানমন্ত্রীর প্রেস সচিব আবু আবদুল্লাহ এম ছালেহ বলেন, এই সামিটে প্রধানমন্ত্রী ভাষণ দিয়েছেন। বাংলাদেশের জ্বালানি পরিস্থিতি মোকাবিলার বিষয়টি প্রধানমন্ত্রী তুলে ধরেছেন।

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান তার বক্তব্যে বলেছেন, বৈশ্বিক জ্বালানি সংকট দেখিয়ে দিয়েছে। সব দেশ একে অপরের ওপর নির্ভরশীল। একা এই সংকট মোকাবিলা করতে পারবে না কোনো দেশ। এ জন্য প্রয়োজন সমন্বিত আঞ্চলিক উদ্যোগ। বর্তমান পরিস্থিতি মোকাবিলা করা অত্যন্ত জরুরি। এ জন্য সবাইকে একসঙ্গে কাজ করতে হবে। সবচেয়ে ঝুঁকিপূর্ণ দেশগুলোর জন্য দ্রুত সহায়তা নিশ্চিত করা সময়ের দাবি। বাংলাদেশ তাৎক্ষণিক জ্বালানি চাহিদা পূরণ এবং অর্থনীতি স্থিতিশীল রাখতে সংগ্রহ করতে চায় ২ বিলিয়ন ডলারের তহবিল।

বাংলাদেশে জ্বালানি সংকট মোকাবিলায় ইতিমধ্যে কিছু স্বল্পমেয়াদি পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে উল্লেখ করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ইতিমধ্যে কিছু স্বল্পমেয়াদি পদক্ষেপ গ্রহণ করা হয়েছে। এর মধ্যে আছেÑ সরকারি অফিস ও কেনাকাটার সময় কমানো, জরুরি ভিত্তিতে জ্বালানি আমদানি, বিভিন্ন উৎস থেকে জ্বালানি সংগ্রহ এবং জ্বালানির ব্যবহার নিয়ন্ত্রণ করা। এই সংকট ১৯৭০-এর দশকের তেল সংকটের চেয়েও বড় আকার নিতে পারে, যা একসময় উন্নয়ন থামিয়ে দিয়েছিল।

স্বাধীনতার পর থেকে বাংলাদেশ অর্থনৈতিক উন্নয়ন ও দারিদ্র্য কমাতে উল্লেখযোগ্য অগ্রগতি অর্জন করেছে জানিয়ে প্রধানমন্ত্রী বলেন, বর্তমান সংকট হুমকির মুখে ফেলছে সেই অর্জন। শুধু বাংলাদেশ নয়, অনেক দেশই ঝুঁকির মুখে। এ সমস্যা সমাধানে বৈশ্বিক সমন্বিত পদক্ষেপ জরুরি। এরকম পরিস্থিতিতে এমন একটি সম্মেলনের আয়োজন করার জন্য জাপানের প্রধানমন্ত্রীকে ধন্যবাদ জানান তারেক রহমান।

জাপানের প্রধানমন্ত্রী সানায়ে তাকাইচির সভাপতিত্বে সম্মেলনে ভারত, শ্রীলঙ্কা, ফিলিপাইন, মালয়েশিয়া, সিঙ্গাপুর, থাইল্যান্ড, ভিয়েতনাম, তিমুর-লেস্তে, দক্ষিণ কোরিয়া, অস্ট্রেলিয়া, ব্রুনেই, কম্বোডিয়া, ইন্দোনেশিয়ার সরকারপ্রধান ও প্রতিনিধিরা উপস্থিত ছিলেন। এ ছাড়া ইন্টারন্যাশনাল এনার্জি এজেন্সি এবং এডিবির প্রতিনিধিরাও উপস্থিত ছিলেন।
জলাবায়ু পরিবর্তন ঝুঁকি মোকাবিলা এবং এশীয় অঞ্চলে কার্বন নিঃসরণ কমিয়ে আনার লক্ষ্যে আয়োজিত এশিয়া জিরো এমিশন কমিউনিটি প্লাস (এজেডইসি) অনলাইন সামিট অনুষ্ঠিত হয়।

ভার্চুয়ালি অংশ নেওয়ার সময়ে প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে পররাষ্ট্রমন্ত্রী খলিলুর রহমান ও প্রধানমন্ত্রীর পররাষ্ট্রবিষয়ক উপদেষ্টা হুমায়ুন কবির উপস্থিত ছিলেন।

সময়ের আলো/আআ


  বিষয়:   জ্বালানি  তেল  মজুদ  শঙ্কা  সংকট  বাংলাদেশ 


Loading...
Loading...
জাতীয়- এর আরো খবর
Loading...
Loading...
© 2026 Daily Shomoyer Alo
ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক : সৈয়দ শাহনেওয়াজ করিম, আমিন মোহাম্মদ মিডিয়া কমিউনিকেশন লিমিটেড এর পক্ষে প্রকাশক মো. ফয়সাল রহমতউল্লাহ ফেরদৌস। নাসির ট্রেড সেন্টার, ৮৯, বীর উত্তম সি আর দত্ত সড়ক (সোনারগাঁও রোড), বাংলামোটর, ঢাকা।
ফোন : ৪১০৬২৩৬৮-৭৪, ফ্যাক্স : ৪১০৬২৩৭৫
সময়ের আলোর খবর পেতে ফলো করুন: