জাতীয় সংসদে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানকে নিয়ে কবিতা আবৃত্তি করেছেন চিফ হুইপ নূরুল ইসলাম মনি। টাইম ম্যাগাজিন পত্রিকায় বিশ্বের প্রভাবশালী ১০০ ব্যক্তিত্বের মধ্যে প্রধানমন্ত্রীর নাম আসায় বৃহস্পতিবার (১৬ এপ্রিল) তাকে সংসদের পক্ষ থেকে অভিনন্দন জানান চিফ হুইপ। এ সময় সরকারি দলের সদস্যরা টেবিল চাপড়ে আনন্দ প্রকাশ করেন।
এর আগে নবম, দশম, একাদশ ও দ্বাদশ সংসদে তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে প্রশংসা করে প্রতিনিয়ত গান ও কবিতা পাঠ হলেও ত্রয়োদশ সংসদে এটাই প্রথম।
গত ১২ মার্চ ত্রয়োদশ সংসদের যাত্রা শুরু হয়। ওই দিনই সংসদের বৈঠকে সাবেক প্রধানমন্ত্রী প্রয়াত খালেদা জিয়াকে নিয়ে প্রখ্যাত কবি আল মাহমুদের কবিতা আবৃত্তি করেছিলেন স্থানীয় সরকারমন্ত্রী মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর।
এর আগে আওয়ামী লীগ সরকারের আমলে সংসদের বৈঠকে বেশ কয়েকজন সদস্য গান গেয়ে ও কবিতা পাঠ করে আলোচিত হয়েছিলেন। তৎকালীন বিজ্ঞান ও প্রযুক্তিমন্ত্রী ইয়াফিস ওসমান ও শিল্পী মমতাজ ছিলেন অন্যদের তুলনায় এগিয়ে। প্রধানমন্ত্রীর এ ধরনের প্রশংসা করতে গিয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমেও ট্রলের শিকার হয়েছিলেন তৎকালীন একাধিক মন্ত্রী ও সংসদ সদস্য।
এ সময় সরকারের দুই মাসে গৃহীত বিভিন্ন কর্মসূচি তুলে ধরে নূরুল ইসলাম মনি বলেন, ১৭ বছর পর দেশে এসে তিনি মানুষের মধ্যে এ রকম আশা জাগিয়েছেন। মানুষের হাতের আঙুলের কালি শুকানোর আগেই তিনি তাঁর কাজ বাস্তবায়ন শুরু করেছেন।
চিফ হুইপের কবিতা—
‘তিনি আসার আগে দেশটা যেন ভাঁজ করা মানচিত্র ছিল,
নদী ছিল, মানুষ ছিল, স্বপ্নও ছিল
কিন্তু দিগন্ত খুলে দেওয়ার মতো কোনো হাত ছিল না।
তিনি এলেন, বললেন, খুবই কম কথা
সময়ের কপালে লিখে দিলেন একটি উজ্জ্বল উচ্চারণ
বললেন উই হ্যাভ এ প্ল্যান
তার দৃঢ়তা ছিল পাহাড়ের মতো।
কিন্তু হৃদয় শিশিরভেজা ঘাসের মতো
বিশ্বের বড় বড় দরজায় তিনি কড়া নাড়েননি
নিজের আলোয় দাঁড়িয়েছিলেন
দরজাগুলো নিজেই খুলে গেছে
এখন দূর দেশের আকাশেও আমাদের পতাকার রং দেখা যায়
বিদেশি বাতাসেও শোনা যায় এই মাটির নাম
এই দেশের নাম, বাংলাদেশের নাম
নেতৃত্ব মানে শুধু সামনে হাঁটা নয়
নেতৃত্ব মানে অসংখ্য ক্লান্ত মানুষের চোখে স্বপ্ন জাগিয়ে তোলা
আশা জাগিয়ে তোলা’
এ সময় ডেপুটি স্পিকার কায়সার কামাল বলেন, এই অর্জন আমাদের গোটা জাতি তথা দেশের অর্জন।
সময়ের আলো/আআ