রাজধানীর মোহাম্মদপুরে একের পর এক হত্যাকাণ্ডে চরম আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়েছে। রায়েরবাজার এলাকায় এক তরুণকে হত্যার মাত্র চার দিনের ব্যবধানে একই এলাকায় হত্যার শিকার হয়েছেন আরেক তরুণ।
গত বুধবার (১৫ এপ্রিল) দিবাগত রাত আনুমানিক ১২টা ৫০ মিনিটের দিকে মোহাম্মদপুর থানাধীন বেড়িবাঁধ এলাকার সাদেক খানের ইটখোলাসংলগ্ন রাস্তায় এ হত্যাকাণ্ড ঘটে।
নিহত তরুণের নাম আসাদুল হক (২৮)। স্থানীয়দের কাছে তিনি ‘লম্বু আসাদুল’ নামে পরিচিত ছিলেন। তিনি বরিশালের গৌরনদী উপজেলার কালনা গ্রামের জলিল সর্দারের ছেলে। তিনি মোহাম্মদপুরের মেট্রো হাউজিংয়ের বি-ব্লকের একটি ভাড়া বাসায় থাকতেন।
মোহাম্মদপুর জোনের অতিরিক্ত উপপুলিশ কমিশনার (এডিসি) জুয়েল রানা হত্যাকাণ্ডের বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
এর আগে গত ১২ এপ্রিল মোহাম্মদপুরে কিশোর গ্যাংয়ের দুই গ্রুপের সংঘর্ষে এলেক্স ইমন গ্রুপের মূল হোতা ইমন ওরফে এলেক্স ইমনকে কুপিয়ে হত্যা করা হয়।
পুলিশ জানায়, মোহাম্মদপুরের বেড়িবাঁধ এলাকার তিন রাস্তা থেকে হাজারীবাগ যাওয়ার পথে সাদেক খানের ইটখোলা এলাকায় রক্তাক্ত অবস্থায় আসাদুলের মরদেহ পড়ে থাকতে দেখা যায়। খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে মরদেহ উদ্ধার করে সোহরাওয়ার্দী মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল মর্গে পাঠায়।
এডিসি জুয়েল রানা জানান, নিহত আসাদুল হক ওরফে লম্বু আসাদুল বরিশালের গৌরনদী উপজেলার কালনা এলাকার বাসিন্দা। হাম্মদপুরের মেট্রো হাউজিং এলাকায় ভাড়া থাকতেন।
পুলিশের প্রাথমিক ধারণা, পূর্বশত্রুতার জেরে অজ্ঞাতনামা দুর্বৃত্তরা তাকে ছুরিকাঘাতে হত্যা করেছে। এ ঘটনায় জড়িতদের শনাক্ত ও গ্রেফতারে কাজ করছে পুলিশ।
মোহাম্মদপুর থানার ওসি মেজবাহ উদ্দিন জানান, ঘটনাটি গুরুত্বসহকারে তদন্ত করা হচ্ছে এবং আইনগত ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন।
নিহত আসাদুল হক ওরফে লম্বু আসাদুলের বিরুদ্ধে মোহাম্মদপুর থানায় মাদক, ছিনতাইসহ একাধিক মামলা রয়েছে বলে জানিয়েছে পুলিশ।
এফআর