প্রকাশ: সোমবার, ২০ এপ্রিল, ২০২৬, ৭:৩৫ পিএম আপডেট: ২০.০৪.২০২৬ ৯:৩৫ পিএম
বাংলাদেশে ভারতের সম্ভাব্য নতুন হাইকমিশনার দীনেশ ত্রিবেদী ও দৈনিক সময়ের আলোর উপদেষ্টা সম্পাদক শায়রুল কবির খান। কোলাজ : সময়ের আলো বাংলাদেশে ভারতের সম্ভাব্য নতুন হাইকমিশনার দীনেশ ত্রিবেদীর সঙ্গে সৌজন্য ফোনালাপ করেছেন দৈনিক সময়ের আলোর উপদেষ্টা সম্পাদক শায়রুল কবির খান। সোমবার (২০ এপ্রিল) তাদের মধ্যে ফোনে এই আলাপচারিতা হয়।
ফোনালাপকালে দীনেশ ত্রিবেদী বাংলাদেশের মানুষের প্রতি আন্তরিক শুভেচ্ছা জানান। তিনি আশা প্রকাশ করেন, দুই দেশের মানুষের মধ্যে বিদ্যমান বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক আগামীতে আরও সুদৃঢ় হবে। তবে তিনি কবে নাগাদ আনুষ্ঠানিকভাবে ঢাকায় এসে দায়িত্বভার গ্রহণ করবেন, সে বিষয়ে নির্দিষ্ট কোনো তারিখ এখনো চূড়ান্ত হয়নি বলে জানিয়েছেন।
ভারতের সরকারি পর্যায়ে এখনো আনুষ্ঠানিক ঘোষণা না এলেও দেশটির বিভিন্ন সংবাদমাধ্যমে দীনেশ ত্রিবেদীর নিয়োগের বিষয়টি জোরালোভাবে আলোচিত হচ্ছে। সংশ্লিষ্ট সূত্রগুলো বলছে, পশ্চিমবঙ্গে বিধানসভা নির্বাচনের পরেই তিনি বাংলাদেশে আসতে পারেন। বর্তমানে ঢাকায় নিযুক্ত হাইকমিশনার প্রণয় ভার্মাকে ব্রাসেলসে ইউরোপীয় ইউনিয়নে ভারতের রাষ্ট্রদূত হিসেবে পাঠানো হচ্ছে; তার স্থলাভিষিক্ত হবেন ৭৫ বছর বয়সী এই প্রবীণ রাজনীতিক।
গুজরাটি ব্যবসায়ী পরিবারের সন্তান হওয়া সত্ত্বেও দীনেশ ত্রিবেদী চমৎকার বাংলা বলতে পারেন। ভারতের কূটনৈতিক প্রথায় সাধারণত অভিজ্ঞ পেশাদার কূটনীতিকদের (আইএফএস) এই পদে নিয়োগ দেওয়া হলেও দীনেশ ত্রিবেদীর ক্ষেত্রে তার ব্যতিক্রম ঘটছে। প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির সঙ্গে সুসম্পর্ক, দীর্ঘ রাজনৈতিক অভিজ্ঞতা এবং বাঙালি সংস্কৃতি সম্পর্কে গভীর ধারণা থাকায় তাকে বাংলাদেশে পাঠানো হচ্ছে বলে ধারণা করা হচ্ছে।
দীনেশ ত্রিবেদীর রাজনৈতিক ক্যারিয়ার বেশ বৈচিত্র্যময়। আশির দশকে কংগ্রেসে যোগ দিয়ে তার রাজনৈতিক যাত্রা শুরু হলেও পরে তিনি বিজেপিতে যোগ দেন। ১৯৯০ সালে প্রথমবারের মতো রাজ্যসভার সদস্য হন তিনি। একসময় মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের অত্যন্ত আস্থাভাজন ও ঘনিষ্ঠ হিসেবে পরিচিত দীনেশ ইউপিএ সরকারের আমলে কেন্দ্রীয় রেলমন্ত্রী এবং স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ প্রতিমন্ত্রীর দায়িত্ব পালন করেছেন।
দীর্ঘদিন তৃণমূল কংগ্রেসের শীর্ষ নেতৃত্বে থাকলেও ২০২১ সালের বিধানসভা নির্বাচনের আগে তিনি দল ছেড়ে ভারতীয় জনতা পার্টিতে (বিজেপি) যোগ দেন।
সময়ের আলো/কহু