ভোরের শান্ত পরিবেশ আচমকাই কেঁপে ওঠে হালকা ভূকম্পনে। রাজধানী ঢাকাসহ দেশের বিভিন্ন অঞ্চলের মানুষ ঘুম ভাঙতেই টের পান অস্বাভাবিক দোলুনি। অনেকেই প্রথমে বিষয়টি বুঝে উঠতে না পারলেও পরে নিশ্চিত হওয়া যায়, এটি ছিল ভারতের মণিপুরে সংঘটিত একটি ভূমিকম্পের প্রভাব।
মঙ্গলবার (২১ এপ্রিল) স্থানীয় সময় সকাল শুরু হওয়ার আগেই, ভোর ৬টা ৩১ মিনিটের দিকে বাংলাদেশে কম্পনটি অনুভূত হয়।
যদিও এর তীব্রতা ছিল তুলনামূলকভাবে কম, তবুও আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে সাধারণ মানুষের মধ্যে। সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে মুহূর্তেই শুরু হয় আলোচনা- অনেকে জানতে চান, অন্যরাও কি একই অভিজ্ঞতার মুখোমুখি হয়েছেন।
ভূমিকম্পের উৎসস্থল ছিল ভারতের উত্তর-পূর্বাঞ্চলীয় রাজ্য মণিপুরের কামজং এলাকা। দেশটির ন্যাশনাল সেন্টার ফর সিসমোলজির তথ্য অনুযায়ী, স্থানীয় সময় ভোর ৫টা ৫৯ মিনিটে আঘাত হানা এই ভূমিকম্পের মাত্রা ছিল ৫.২। এর উৎপত্তি ঘটে ভূপৃষ্ঠের প্রায় ৬২ কিলোমিটার গভীরে, যা মাঝারি গভীরতার কম্পন হিসেবে বিবেচিত।
আরও পড়ুন
অন্যদিকে, যুক্তরাষ্ট্রের ভূতাত্ত্বিক জরিপ সংস্থা (ইউএসজিএস) সামান্য ভিন্ন তথ্য দিয়ে জানায়, ভূমিকম্পটির মাত্রা ছিল ৫ এবং এর গভীরতা ছিল প্রায় ১০০ কিলোমিটারের বেশি।
বিশেষজ্ঞরা বলছেন, এ ধরনের মাঝারি মাত্রার ভূমিকম্প সরাসরি বড় ক্ষতি না করলেও দূরবর্তী অঞ্চলে এর প্রভাব অনুভূত হওয়া অস্বাভাবিক নয়। বিশেষ করে ভূমিকম্পের গভীরতা বেশি হলে কম্পন বিস্তৃত এলাকায় ছড়িয়ে পড়তে পারে।
এএডি/