মন্ত্রী-এমপিদের দেরিতে আসায় সংসদের কাজে ছন্দপতন

সংসদ প্রতিবেদক

জাতীয়

মন্ত্রী ও সংসদ সদস্যদের অনুপস্থিতিতে সোমবার জাতীয় সংসদের দিনের কার্যসূচিতে ছন্দপতন ঘটেছে। বেলা ৩টায় অধিবেশন শুরুর কথা থাকলেও শুরু হয়

2026-04-28T00:35:22+00:00
2026-04-28T00:35:22+00:00
 
  বুধবার, ১৭ জুন ২০২৬,
৩ আষাঢ় ১৪৩৩
বুধবার, ১৭ জুন ২০২৬
জাতীয়
মন্ত্রী-এমপিদের দেরিতে আসায় সংসদের কাজে ছন্দপতন
সংসদ প্রতিবেদক
প্রকাশ: মঙ্গলবার, ২৮ এপ্রিল, ২০২৬, ১২:৩৫ এএম   (ভিজিট : ২৫)
সংগৃহীত ছবি
মন্ত্রী ও সংসদ সদস্যদের অনুপস্থিতিতে সোমবার জাতীয় সংসদের দিনের কার্যসূচিতে ছন্দপতন ঘটেছে। বেলা ৩টায় অধিবেশন শুরুর কথা থাকলেও শুরু হয় ছয় মিনিট দেরিতে। ঢাকার বাইরে কর্মসূচি থাকায় এদিন সংসদে উপস্থিত ছিলেন না প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। শুরুতেই প্রশ্নোত্তর পর্ব টেবিলে উত্থাপন করেন স্পিকার। পরে কার্যপ্রণালি বিধির ৭১ অনুযায়ী জরুরি জনগুরুত্বপূর্ণ বিষয়ে মনোযোগ আকর্ষণের নোটিস নিষ্পত্তির সময় সংশ্লিষ্ট দুই মন্ত্রী ও নোটিসদাতা সংসদ সদস্যকে সংসদ কক্ষে পাওয়া যায়নি। ফলে বিধি ৭১-এর নোটিসগুলোর নিষ্পত্তি স্থগিত রেখে রাষ্ট্রপতির ভাষণের ওপর আনা ধন্যবাদ প্রস্তাবের আলোচনা শুরু করেন স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদ। প্রায় এক ঘণ্টা পর সংশ্লিষ্ট মন্ত্রী ও সংসদ সদস্যরা উপস্থিত হলে ধন্যবাদ প্রস্তাবের আলোচনা মাঝপথে স্থগিত রেখে আবার আগের কার্যসূচিতে ফেরেন স্পিকার।

প্রথম নোটিসটি ছিল নোয়াখালীর বিএনপির সংসদ সদস্য জয়নুল আবদিন ফারুকের। রাজধানীর অভিজাত এলাকার আবাসিক ভবন, রেস্তোরাঁ ও ক্যাফের আড়ালে গড়ে ওঠা অবৈধ সিসা লাউঞ্জ বন্ধে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর দৃষ্টি আকর্ষণ করে নোটিসটি আনা হয়। স্পিকার তাকে নোটিস পড়ার আহ্বান জানান। তখন তিনি বলেন, কিন্তু মন্ত্রী কী আছেন? পরে জয়নুল আবদিন ফারুককে অপেক্ষা করতে বলেন স্পিকার। তিনি বলেন, সংশ্লিষ্ট মন্ত্রীর আসতে একটু দেরি হচ্ছে।

দ্বিতীয় নোটিসটি ছিল কুমিল্লা-১ আসনের সংসদ সদস্য খন্দকার মোশাররফ হোসেনের। দাউদকান্দির গৌরীপুর বাজারে যানজট নিরসনে ফ্লাইওভার নির্মাণের দাবি নিয়ে সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রীর দৃষ্টি আকর্ষণ করে নোটিসটি আনা হয়। সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী শেখ রবিউল আলম তখন উপস্থিত না থাকায় সেটিও অপেক্ষায় রাখা হয়।

তৃতীয় নোটিসটি ছিল সুনামগঞ্জ-১ আসনের সংসদ সদস্য কামরুজ্জামান কামরুলের। হাওড় এলাকায় বজ্রপাতজনিত ক্ষতি মোকাবিলায় গবেষণা ও বিজ্ঞানভিত্তিক পদক্ষেপ নেওয়ার দাবিতে দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণমন্ত্রীর দৃষ্টি আকর্ষণ করে নোটিসটি আনা হয়। 

তখন নোটিসদাতা সংসদ সদস্যই সংসদ কক্ষে উপস্থিত ছিলেন না। এ সময় স্পিকার বলেন, বিধি ৭১ অনুসারে গৃহীত নোটিসগুলোর নিষ্পত্তি স্থগিত রাখা হলো।

এরপর রাষ্ট্রপতির ভাষণের ওপর ধন্যবাদ প্রস্তাবের আলোচনা শুরু হয়। তবে এ আলোচনাতেও একাধিক সংসদ সদস্যের নাম ডাকা হলেও তারা উপস্থিত ছিলেন না। একজন সংসদ সদস্য উপস্থিত থাকলেও প্রস্তুত নন জানিয়ে বলেন, পরে বক্তব্য দেবেন। প্রায় এক ঘণ্টা পর স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ, সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী শেখ রবিউল আলম ও সুনামগঞ্জ-১ আসনের সংসদ সদস্য কামরুজ্জামান কামরুল সংসদ কক্ষে ফেরেন। তারা ফেরার পর ফের বিধি ৭১-এর নোটিস নিষ্পত্তিতে ফেরেন স্পিকার। রাষ্ট্রপতির ভাষণের ওপর আলোচনা স্থগিত রেখে বলেন, ৭১ বিধির গৃহীত নোটিসের ওপর স্থগিতকৃত আলোচনায় সংসদ ফিরছে। এরপর জয়নুল আবদিন ফারুক তার নোটিস পড়েন। স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ সংক্ষিপ্ত বিবৃতি দেন।

পরে খন্দকার মোশাররফ হোসেনের নোটিসের জবাব দেন সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী শেখ রবিউল আলম। সবশেষে কামরুজ্জামান কামরুলের নোটিসের জবাব দিতে গিয়ে দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণমন্ত্রী আসাদুল হাবিব দুলু বলেন, আমি আগাগোড়াই উপস্থিত ছিলাম। প্রশ্নকর্তাই উপস্থিত ছিলেন না।

এর আগে বিধি ৭১-এর নোটিস স্থগিত রেখে রাষ্ট্রপতির ভাষণের ওপর আলোচনা শুরুর আগে পয়েন্ট অব অর্ডারে দাঁড়ান জামায়াতে ইসলামীর সংসদ সদস্য মো. মাহবুবুর রহমান বেলাল। তিনি বলেন, সংসদে আমরা সর্বোচ্চ পর্যায়ের জনপ্রতিনিধি আছি। আমাদের কাছে জাতি সর্বাধিক পরিমাণ সহানুভূতি আশা করে। রোববার সংসদ নির্ধারিত সময়ের আধা ঘণ্টা পরে শুরু হয়েছে। সোমবারও কয়েক মিনিট পরে শুরু হয়েছে। দিনের কার্যক্রম শেষে পরের দিন কখন সংসদ বসবে, তা ঘোষণা করা হয় মন্তব্য করে তিনি বলেন, কোনো কারণে বিলম্ব হলে কার্যক্রম শুরুর আগেই বা শুরুতেই কারণ জানানো উচিত। তিনি উপস্থিতির বিষয়েও সতর্ক হওয়ার কথা বলেন।

জবাবে স্পিকার বলেন, রোববার তিনি ছিলেন না, ডেপুটি স্পিকার ছিলেন। ডেপুটি স্পিকার সোমবার বেলা ৩টায় অধিবেশন বসার সময় ঘোষণা করেছিলেন। কিন্তু সদস্যরা দেরিতে আসার কারণেই বিলম্ব হয়েছে। সুতরাং আমি শুধু অনুরোধ জানাতে পারি যে, স্পিকারের চেয়ার থেকে যে সময় ঘোষণা করা হবে পরবর্তী অধিবেশনের জন্য, সদস্যরা সেই সময়মতো সংসদে উপস্থিত থাকলে আর কোনো সমস্যা হবে না।

সংসদের বৈঠক দেরিতে শুরুর কারণ ব্যাখ্যা করে চিফ হুইপ নূরুল ইসলাম মণি বলেন, সংসদ এ পর্যন্ত সময়মতো বসেছে। শুধু রোববার সংসদীয় দলের বৈঠক ছিল। তিনি বলেন, রাষ্ট্রীয় প্রোগ্রাম থাকার কারণে আমাদের ১০ মিনিট দেরি হয়েছে। আমরা হিসাব করেছি। ১০ মিনিট পরেই আমরা সংসদে এসেছি। এ জন্য দুঃখ প্রকাশ করে চিফ হুইপ বলেন, কিন্তু কথাটা হলো, ১০ মিনিটের জায়গায় যদি আধা ঘণ্টা বলেন, সেটি একটু অসুবিধা। ভবিষ্যতে সবাই সতর্ক থাকবেন জানিয়ে তিনি বলেন, সংসদ যেন সময়মতো শুরু করা যায়, সে চেষ্টা করা হবে।

প্রধানমন্ত্রী ও সংসদ নেতা তারেক রহমান সোমবার যশোর সফরে যান। তার সঙ্গে বেশ কয়েকজন মন্ত্রী-প্রতিমন্ত্রীও আছেন। এ কারণে ক্ষমতাসীন দলের অনেক সংসদ সদস্য অধিবেশনের শুরুতে অনুপস্থিত ছিলেন বলে সংসদে জানান চিফ হুইপ নূরুল ইসলাম মণি। চিফ হুইপ বলেন, প্রধানমন্ত্রী যশোর গেছেন। সংগত কারণে অনেক সংসদ সদস্য ও মন্ত্রীও সেখানে গেছেন। কাজেই সে কারণেও আজকে একটু দেরি হতে পারে। তবে আমরা চেষ্টা করব সবাই মিলে, ভবিষ্যতে যেন সবাই টাইম নিয়ে আসি।

এরপর স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদ বলেন, একটি বিষয় আমি সবাইকে স্মরণ করিয়ে দিতে চাই যে, সংসদের কার্যক্রম যেকোনো সরকারি কার্যক্রমের চেয়ে অগ্রাধিকার লাভ করে।

ইভিএম প্রকল্পে দুর্নীতি তদন্ত করছে দুদক : নির্বাচন কমিশন সচিবালয়ের দায়িত্বপ্রাপ্ত মন্ত্রী মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর সংসদকে জানিয়েছেন, বিগত আওয়ামী লীগ সরকারের আমলে কোটি কোটি টাকা ব্যয়ে কেনা ইলেকট্রনিক ভোটিং মেশিন (ইভিএম) প্রকল্পে ভয়াবহ অনিয়ম ও দুর্নীতির অভিযোগ তদন্ত করছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)। একই সঙ্গে অডিট অধিদফতর প্রকল্পটিতে বিভিন্ন আর্থিক অনিয়মের আপত্তি তুলেছে, যা এখনও নিষ্পত্তি হয়নি। 

সোমবার সরকারি দলের সংসদ সদস্য শামছুর রহমান শিমুল বিশ্বাসের প্রশ্নের লিখিত জবাবে তিনি আরও জানান, জুলাই ২০১৮ থেকে জুন ২০২৪ মেয়াদে ১ লাখ ৫০ হাজার ইভিএম ক্রয়ের জন্য ৩ হাজার ৮২৫ কোটি ৩৪ লাখ টাকার একটি প্রকল্প বাস্তবায়িত হয়েছে। ইভিএমগুলো অর্পিত ক্রয় পদ্ধতিতে সেনাবাহিনীর মাধ্যমে ক্রয় করা হয়েছিল। প্রকল্পের সমাপ্তি প্রতিবেদন (পিসিআর) ২০২৫ সালের ১৩ মে বাস্তবায়ন পরিবীক্ষণ ও মূল্যায়ন বিভাগে (আইএমইডি) প্রেরণ করা হলেও এখন পর্যন্ত তার মূল্যায়ন প্রতিবেদন পাওয়া যায়নি। তবে অডিট অধিদফতর এই প্রকল্পে বড় ধরনের বেশ কিছু অডিট আপত্তি উত্থাপন করেছে। এই আপত্তিগুলো বর্তমানে নিষ্পত্তির অপেক্ষায় রয়েছে। আগামীতে জাতীয় বা স্থানীয় পর্যায়ের কোনো নির্বাচনে ইভিএম ব্যবহার করা হবে না। বর্তমানে এই ইভিএমগুলো বিভিন্ন গোডাউন এবং বাংলাদেশ মেশিন টুলস ফ্যাক্টরির (বিএমটিএফ) হেফাজতে রয়েছে।

প্রস্তুতি শেষে স্থানীয় সরকার নির্বাচন : বিরোধীদলীয় সংসদ সদস্য জহিরুল ইসলামের প্রশ্নের জবাবে মন্ত্রী জানান, স্থানীয় সরকার নির্বাচনের বিষয়টি সরকারের সক্রিয় বিবেচনাধীন রয়েছে। প্রয়োজনীয় প্রস্তুতি শেষে দ্রুত স্থানীয় সরকার প্রতিষ্ঠানগুলোর নির্বাচনি প্রক্রিয়া শুরু করা হবে।

স্বতন্ত্র সংসদ সদস্য ব্যারিস্টার রুমিন ফারহানার প্রশ্নের জবাবে স্থানীয় সরকারমন্ত্রী বলেন, স্থানীয় সরকার নির্বাচন ধাপে ধাপে অনুষ্ঠিত হয়। সব স্তরের নির্বাচন সম্পন্ন করতে ১০ মাস থেকে এক বছর সময়ের প্রয়োজন হয়। নির্বাচন অনুষ্ঠানের ক্ষেত্রে ভোটার তালিকা প্রস্তুত, ভোটের সামগ্রী সংগ্রহ, ধর্মীয় উৎসব, পাবলিক পরীক্ষা, আওহাওয়া, কেন্দ্র চূড়ান্তকরণ ও সংস্কার, নির্বাচনি কর্মকর্তাদের প্রশিক্ষণ ইত্যাদি বিবেচনায় নিয়ে তফসিল ঘোষণা করতে হয়। তফসিল ঘোষণার প্রাক-প্রস্তুতি হিসেবে ন্যূনতম ৪৫ দিন প্রয়োজন হয়।

৩০ এপ্রিলের পর মাদকবিরোধী সাঁড়াশি অভিযান : স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমেদ সংসদকে জানিয়েছেন, আগামী ৩০ এপ্রিল জাতীয় সংসদের চলমান অধিবেশন শেষ হওয়ার পরপরই সারা দেশে মাদক, জুয়া ও অনলাইন জুয়ার বিরুদ্ধে সমন্বিত এবং কঠোর সাঁড়াশি অভিযানে নামবে সরকার। দেশের যুবসমাজকে ধ্বংসের হাত থেকে রক্ষা করতে এই অভিযানে ‘জিরো টলারেন্স’ নীতি অনুসরণ করা হবে। সোমবার জরুরি জনগুরুত্বসম্পন্ন বিষয়ে মনোযোগ আকর্ষণ নোটিসের জবাবে এ তথ্য দেন তিনি।

এর আগে সরকারদলীয় সংসদ সদস্য জয়নুল আবদিন ফারুক রাজধানীর অভিজাত এলাকায় আবাসিক ভবন ও রেস্টুরেন্টের আড়ালে অবৈধ ‘সিসা লাউঞ্জ’ পরিচালনার বিষয়টি উত্থাপন করে এর বিরুদ্ধে সরকারের পরিকল্পনা জানতে চান। জবাবে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, জাতির কাছে আমাদের নির্বাচনি প্রতিশ্রুতি অনুযায়ী দেশে মাদক ও জুয়ার বিরুদ্ধে কোনো ছাড় দেওয়া হবে না। আগামী ৩০ এপ্রিল সংসদ অধিবেশন শেষ হওয়ার পর সারা দেশে সুসমন্বিত অভিযান পরিচালনা করা হবে। যুবসমাজকে বাঁচাতে এর কোনো বিকল্প নেই। তিনি আরও বলেন, ২০০৯ থেকে ২০২৪ সাল পর্যন্ত প্রভাবশালী রাজনৈতিক ব্যক্তি ও প্রশাসনের কতিপয় কর্মকর্তার ছত্রছায়ায় গুলশান, বনানী, ধানমন্ডি ও উত্তরার মতো এলাকায় অবৈধ সিসা বার ও মাদক স্পট গড়ে উঠেছিল। বর্তমানে এসব স্থানে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদফতর ও পুলিশ নিয়মিত অভিযান চালাচ্ছে। গত ১৬ ও ২০ এপ্রিল রাজধানীর গুলশানসহ বিভিন্ন এলাকায় অভিযান চালিয়ে বিপুল পরিমাণ সিসা ও সরঞ্জাম জব্দ করা হয়েছে।

অভিজাত এলাকায় ঠিকানা পরিবর্তন করে বা প্রশাসনের চোখ ফাঁকি দিয়ে যাতে কেউ অবৈধ ব্যবসা করতে না পারে, সে জন্য গোয়েন্দা নজরদারি জোরদার করা হয়েছে বলে জানান মন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমেদ। তিনি হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেন, যদি কোনো পুলিশ সদস্যের বিরুদ্ধে এসব অবৈধ ব্যবসায় মদদ দেওয়ার প্রমাণ পাওয়া যায়, তার বিরুদ্ধে তাৎক্ষণিক কঠোর শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নেওয়া হবে। তিনি জানান, ইতিমধ্যে রাজধানীর বিভিন্ন এলাকায় অভিযান চালিয়ে অপরাধীদের গ্রেফতার করে আইনের আওতায় আনা হচ্ছে। ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনের মাধ্যমেও ট্রেড লাইসেন্সবিহীন অবৈধ প্রতিষ্ঠান চিহ্নিত করে বন্ধের প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে।


  বিষয়:   মন্ত্রী  সংসদ  সদস্য  এমপি  ছন্দপতন 


Loading...
Loading...
জাতীয়- এর আরো খবর
Loading...
Loading...
© 2026 Daily Shomoyer Alo
ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক : সৈয়দ শাহনেওয়াজ করিম, আমিন মোহাম্মদ মিডিয়া কমিউনিকেশন লিমিটেড এর পক্ষে প্রকাশক মো. ফয়সাল রহমতউল্লাহ ফেরদৌস। নাসির ট্রেড সেন্টার, ৮৯, বীর উত্তম সি আর দত্ত সড়ক (সোনারগাঁও রোড), বাংলামোটর, ঢাকা।
ফোন : ৪১০৬২৩৬৮-৭৪, ফ্যাক্স : ৪১০৬২৩৭৫
সময়ের আলোর খবর পেতে ফলো করুন: