‘মুক্তিযোদ্ধা পরিবারের কেউ জামায়াত করতে পারে না’

সংসদ প্রতিবেদক

জাতীয়

মুক্তিযোদ্ধা ও শহিদ পরিবারের কেউ ‘জামায়াত করতেই পারে না’ কিশোরগঞ্জ-৪ আসনের বিএনপি দলীয় সংসদ সদস্য বীর মুক্তিযোদ্ধা ফজলুর রহমানের এমন

2026-04-29T00:36:21+00:00
2026-04-29T00:36:21+00:00
 
  রবিবার, ১৯ জুলাই ২০২৬,
৪ শ্রাবণ ১৪৩৩
রবিবার, ১৯ জুলাই ২০২৬
জাতীয়
‘মুক্তিযোদ্ধা পরিবারের কেউ জামায়াত করতে পারে না’
সংসদ প্রতিবেদক
প্রকাশ: বুধবার, ২৯ এপ্রিল, ২০২৬, ১২:৩৬ এএম 
সংগৃহীত ছবি
মুক্তিযোদ্ধা ও শহিদ পরিবারের কেউ ‘জামায়াত করতেই পারে না’ কিশোরগঞ্জ-৪ আসনের বিএনপি দলীয় সংসদ সদস্য বীর মুক্তিযোদ্ধা ফজলুর রহমানের এমন মন্তব্যকে কেন্দ্র করে মঙ্গলবার সংসদ কক্ষ বেশ কিছু সময়ের জন্য উত্তপ্ত হয়ে ওঠে। বিরোধী দলের সদস্যদের কঠোর সমালোচনা এবং ব্যক্তিগত আক্রমণের অভিযোগ তুলে ফজলুর রহমান যখন বক্তব্য দিচ্ছিলেন, তখন দফায় দফায় বিরোধী দলের সদস্যরা একযোগে হইচই করতে থাকেন। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে স্পিকারকে বারবার হস্তক্ষেপ করতে হয় এবং সংসদীয় শৃঙ্খলা বজায় রাখার জন্য কড়া নির্দেশ দেন তিনি।

ফজলুর রহমানের বক্তব্যের পর বিরোধী দলের নেতা ডা. শফিকুর রহমান দাঁড়িয়ে তার বক্তব্যের প্রতিবাদ জানিয়ে বলেন, তিনি বলেছেন যে, আমি বলে থাকি আমি শহিদ মুক্তিযোদ্ধা পরিবারের সদস্য। তা হলে উনি এটাকে চ্যালেঞ্জ করছেন। আমার পরিচয়ে চ্যালেঞ্জ করা গুরুতর অপরাধ। পরে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ বলেন, মাঝেমধ্যে কিছু উত্তেজনা সৃষ্টি হবে, সেটা স্বাভাবিক। তবে আমরা বেশি ইতিহাস চর্চা করতে গেলে মাঝেমধ্যে কিছু ব্যত্যয় হবে।

রাষ্ট্রপতির ভাষণের ওপর ধন্যবাদ প্রস্তাবের আলোচনায় অংশ নিয়ে ফজলুর রহমান বলেন, বিরোধী দলের নেতা বলেছেন, উনি মুক্তিযোদ্ধা পরিবারের লোক এবং উনি শহিদ পরিবারের লোক এবং উনি জামায়াতে ইসলাম করেন। এটা ডাবল অপরাধ। শহিদ মুক্তিযোদ্ধা পরিবারের লোক কেউ জামায়াত করতে পারে না। শহিদ পরিবারের লোক জামায়াত করলে ডাবল অপরাধ করছেন। তার এই মন্তব্যের পরপরই বিরোধীদলীয় সদস্যরা দাঁড়িয়ে প্রতিবাদ জানাতে থাকেন। তখন সংসদে ব্যাপক হইচই ও হট্টগোল শুরু হয়। স্পিকার পরিস্থিতি শান্ত করার চেষ্টা করে বলেন, মাননীয় সদস্যবৃন্দ তাকে বলতে দেন। আপনারা শৃঙ্খলা রক্ষা করুন। সংসদের শৃঙ্খলা রক্ষা করুন।

ফজলুর রহমান আবারও বলেন, ‘আমি আবারও বলে রাখলাম, শহিদ পরিবারের লোক তো জামায়াত করতেই পারে না। আর জামায়াত করলে ডাবল অপরাধ করতেছে।’ তখন আবারও হইচই শুরু করেন বিরোধী দলের সদস্যরা। এ সময় সরকারি দলের সদস্যরাও ফজলুর রহমানের প্রতি সমর্থন জানিয়ে তার বক্তব্য চালিয়ে যেতে বলেন। এ নিয়ে কয়েক মিনিট সংসদ কার্যক্রম অচল হয়ে পড়ে। প্রতিবাদী সদস্যদের আচরণের দিকে ইঙ্গিত করে ফজলুর রহমান বলেন, এই যে দেখেন তারা, তারা কী ধরনের আচরণ করছেন আজকে! আমাদের নেতা জিয়াউর রহমানকে পেলে এরা হত্যা করত ১৬ ডিসেম্বরের আগে।

স্পিকার সবাইকে শান্ত হওয়ার অনুরোধ জানিয়ে বলেন, এটি বাংলাদেশের জাতীয় সংসদ। এখানে প্রত্যেকেই নির্বাচিত হয়ে এসেছেন। সারা জাতি দেখছে, লাইভ টেলিকাস্ট হচ্ছে। আমি প্রতিদিনই বলি যে, ‘রুলস অব প্রসিডিউর’ বইটা একটু পড়েন। যদি এই সংসদ বিধি মোতাবেক পরিচালিত না হয়, এটি আর জাতীয় সংসদ থাকবে না। 

স্পিকার বলেন, প্রত্যেকেরই বাকস্বাধীনতা আছে। যদি সরকারি দলের কোনো সদস্যের বক্তব্যে আপনাদের আপত্তি থাকে, আপনারা এরপরে তার বিরুদ্ধে যুক্তি খণ্ডণ করুন। কিন্তু শিশুরাও লজ্জা পাবে এই ধরনের আচরণে। ফজলুর রহমান সাহেব যা বলেছেন, এরপরেই আপনাদের একজনকে টাইম দেব।

বিএনপির সংসদ সদস্য ফজলুর রহমান তার বক্তব্যে মুক্তিযুদ্ধ, ৫ আগস্টের অভ্যুত্থান, জামায়াতে ইসলামী, আল বদর, পুলিশ হত্যা, থানা লুট ও অস্ত্র লুটের প্রসঙ্গও তোলেন। রাষ্ট্রপতির ভাষণ নিয়ে নিজের ‘মিশ্র ধারণা’ আছে জানিয়ে ফজলুর রহমান বলেন, ভাষণে মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাস আরও বিস্তারিতভাবে আসা উচিত ছিল। মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাস মহাসমুদ্রের চেয়েও গভীর ইতিহাস। ৫ আগস্টের আন্দোলনে নিহতদের প্রতি শ্রদ্ধা জানিয়ে তিনি বলেন, ওই আন্দোলনকে তিনি ‘ছোট করে’ দেখেন না। তবে ৫ আগস্ট কোনো বিপ্লব নয়, হলো গণঅভ্যুত্থান। সেই গণঅভ্যুত্থানকে যারা মুক্তিযুদ্ধ এবং মুক্তিযোদ্ধার সঙ্গে তুলনা করতে চায়, জুলাই যোদ্ধা এবং মুক্তিযোদ্ধা, তাদের আমি বলব, সবাইকে আমি বলব, এই কথাটা বলাই অন্যায়। মুক্তিযুদ্ধের সঙ্গে ৫ আগস্টের তুলনা ‘প্রশান্ত মহাসাগরের সঙ্গে কুয়ার তুলনা’ এবং ‘হিমালয় পর্বতের সঙ্গে টিলার তুলনা’ করার মতো। তিনি বলেন, সেই মুক্তিযুদ্ধের সঙ্গে যখন এক মাসের গণআন্দোলনকে তুলনা করা হয়, তখন মুক্তিযুদ্ধকে ছোট করা হয়।

বক্তব্যে তিনি পাল বংশ, সেন শাসন, মোগল শাসন, পলাশীর যুদ্ধ, সন্ন্যাসী বিদ্রোহ, ক্ষুদিরাম, চিত্তরঞ্জন দাস, শেরে বাংলা এ কে ফজলুল হক, হোসেন শহীদ সোহরাওয়ার্দী, সুভাষচন্দ্র বসু, মাওলানা আব্দুল হামিদ খান ভাসানী ও বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের প্রসঙ্গ টেনে মুক্তিযুদ্ধের দীর্ঘ ঐতিহাসিক পটভূমি তুলে ধরেন। ফজলুর রহমান তার বক্তব্যে মুক্তিযুদ্ধের ১১টি সেক্টরের কথাও তুলে ধরেন। সেক্টর কমান্ডারদের মধ্যে জিয়াউর রহমান, খালেদ মোশাররফ, কে এম শফিউল্লাহ, সি আর দত্ত, মীর শওকত আলী, এম কে বাশার, কাজী নূরুজ্জামান, এম এ মঞ্জুর, এম এ জলিল ও কর্নেল তাহেরের নাম স্মরণ করেন।

২০২৪ সালের ৫ আগস্টের পর সাংস্কৃতিক কর্মকাণ্ড বাধাগ্রস্ত হয়েছে অভিযোগ করে তিনি বলেন, একটা গান হইতে পারে নাই, একটা নাটক হইতে পারে নাই, একটা লালনের গীতি হইতে পারে নাই, একটা বাউল গান হইতে পারে নাই। সবকিছু কালো শক্তি ধ্বংস করে দিয়েছিল। এরপর জামায়াতে ইসলামীকে ইঙ্গিত করে তিনি বলেন, নির্বাচনে তারা সংখ্যাগরিষ্ঠতা পাবে বলে প্রচার করা হচ্ছিল। আমি হতভাগা ফজলুর রহমান বলেছিলাম, জামায়াত জোট যদি মেজরিটি পায়, তাহলে আমি বিষ খাব। এই কথাটা বলেছি, কথা সত্য। আমি বলে যাচ্ছি এবং তারা কোনোদিন যুদ্ধে জয় লাভ করতে পারে না, রাজনৈতিক যুদ্ধে। কারণ তাদের পূর্বপুরুষ বাংলাদেশ চায় নাই। তিনি বলেন, যতদিন রয়েল বেঙ্গল টাইগার থাকবে, মুক্তিযোদ্ধা জিতবে। রাজাকার কোনোদিন এ দেশে জয় লাভ করতে পারবে না। আমি চ্যালেঞ্জ করে বলে গেলাম।

তিনি বলেন, ১৯৭১ সনের ১৪ ডিসেম্বরকে পালন করা হয় শহিদ বুদ্ধিজীবী দিবস। সেই মুনীর চৌধুরী, আব্দুল আলিম চৌধুরী, শহীদুল্লাহ কায়সার থেকে ধরে শত শত বুদ্ধিজীবীকে যারা হত্যা করেছিল তাদের বলা হয় আল বদর। এবং সেই আল বদর বাহিনী কার ছিল আপনারা জানেন। চলতি সংসদ অধিবেশনের প্রথম দিন দণ্ডিত যুদ্ধাপরাধীদের নাম শোক প্রস্তাবে রাখায় নিজের আপত্তির কথা তুলে ধরে ফজলুর রহমান বলেন, আমি একা হইলেও এটা প্রতিবাদ করতাম। কিন্তু যেহেতু আমার দল এটা করছে, আমি চুপ কইরা ছিলাম। কথাটা খুব ক্লিয়ার।

৫ আগস্টের পর পুলিশের ওপর হামলা, থানা লুট ও অস্ত্র লুটের ঘটনার তদন্ত দাবি করে ফজলুর রহমান বলেন, ৫ আগস্ট ২০২৪ সনের পরে এই যে এত থানা লুট হইছে, এত পুলিশকে হত্যা করা হয়েছে, তারা তো তখন যুদ্ধ করে নাই, তারা তো নিরপরাধ। এত এত অস্ত্র গেল কোথায়? ৫ আগস্টের পরে যে ঘটনাগুলো হইছে, সেগুলো তো কোনো আইনে ইনডেমনিটি পাওয়ার কথা না। যদি ৫ আগস্টের পরে কোনো পুলিশ হত্যা হয়ে থাকে, থানা লুট হয়ে থাকে, অস্ত্র নিয়ে থাকে, সেটার জন্য তদন্ত হওয়া উচিত, দোষীদের বিচার হওয়া উচিত।

বিরোধীদলীয় নেতার ক্ষোভ : ফজলুর রহমানের বক্তব্যের পর বিরোধী দলের নেতা ডা. শফিকুর রহমান দাঁড়িয়ে তার বক্তব্যের প্রতিবাদ জানান। তিনি বলেন, ফজলুর রহমান বয়সে বড়, মুক্তিযুদ্ধে তার অবদানের কথা বলেছেন। কিন্তু নিজের অবদানের কথা বলতে গিয়ে অন্যের অবদানের ওপর ‘হাতুড়ি পেটানোর অধিকার’ কারও নেই। তিনি পার্সোনালি তাকে হার্ট করেছেন। 

তিনি বলেছেন যে, আমি বলে থাকি আমি শহিদ মুক্তিযোদ্ধা পরিবারের সদস্য। তা হলে ইনি এটাকে চ্যালেঞ্জ করছেন। দুই নম্বর, উনি বলেছেন কোনো মুক্তিযোদ্ধা কিংবা শহিদ মুক্তিযোদ্ধা পরিবারের কেউ জামায়াতে ইসলামী করতে পারে না। বক্তব্যের ওই অংশকে ‘অসংসদীয়’ আখ্যা দিয়ে তা এক্সপাঞ্জ করার অনুরোধ জানিয়ে বিরোধীদলীয় নেতা বলেন, আমার আইডেন্টিটি নিয়ে প্রশ্ন করা হয়েছে, এটা গুরুতর অপরাধ করেছেন উনি। আবার আমার আদর্শ সিলেকশনের ব্যাপারে উনি কথা বলেছেন। এটা বাড়তি অপরাধ করেছেন। কে কোন দল করবে তা উনি সিলেকশন করে দিতে পারেন না।

ফজলুর রহমানের বক্তব্যের সমালোচনা করে তিনি বলেন, তার মতো একজন প্রবীণ ব্যক্তির কাছ থেকে, রাজনীতিবিদের কাছ থেকে আমি এই ধরনের আচরণ আশা করিনি। তিনি বলেন, কাউকে হিট করা, গালি দেওয়া, এর মাধ্যমে বড় কিছু অর্জন করা যাবে না। কিছু গলাবাজি হতে পারে বড়জোর। কিন্তু তার চাইতে বেশি কিছু হবে না। সাধারণত যুক্তি যখন ফুরিয়ে যায়, মাথা তখন গরম হয়ে যায়। একটা প্রবাদ আছে, রেগে গেলেন তো হেরেই গেলেন। আমরা সবাই মিলে হারতে চাই না। আমরা সবাই মিলে জিততে চাই। বিরোধীদলীয় নেতা বলেন, সবাই ঠান্ডা মাথায় যুক্তি ও সত্যনির্ভর কথা বললে দেশবাসী উজ্জীবিত হবে এবং সংসদের প্রতি মানুষের আস্থা তৈরি হবে।

পরে স্পিকার বলেন, ফজলুর রহমানের বক্তব্যে অসংসদীয় কিছু থাকলে তা এক্সপাঞ্জ করা হবে। একইভাবে বিরোধী দলের নেতার বক্তব্যেও অসংসদীয় কিছু থাকলে তা এক্সপাঞ্জ করা হবে।

এরপর স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ বলেন, যে অ্যাটমসফিয়ারে আমরা এখানে আলাপ আলোচনা করি, মাঝেমধ্যে সেটা কিছু উত্তেজনা সৃষ্টি হবেই, সেটা স্বাভাবিক। ফজলুর রহমানকে ‘ইতিহাসে সমৃদ্ধ’ প্রবীণ সংসদ সদস্য হিসেবে বর্ণনা করে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, আমরা এখন ভূগোলে আছি। আমরা বেশি ইতিহাস চর্চা করতে গেলে মাঝেমধ্যে কিছু ব্যত্যয় হবে। নতুন করে আমার মনে হয় যে, মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাসের ভিত্তিতে জাতিকে আর বিভক্ত না করি। তিনি বলেন, সংসদের কার্যক্রম এমনভাবে চালাতে হবে, যাতে ভবিষ্যৎ প্রজন্ম এবং জুলাই যোদ্ধারা বুঝতে পারে, জাতির প্রত্যাশা পূরণের জন্য সংসদ সদস্যরা এখানে আছেন।

কোথায় দুর্নীতি করেছি, প্রমাণ দিন : নাহিদ : জুলাই অভ্যুত্থানের পর অন্তর্বর্তী সরকারে থাকা নবীনদের বিরুদ্ধেও গত দেড় বছরে ‘দুর্নীতির’ অভিযোগ উঠেছে বলে পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী যে বক্তব্য দিয়েছেন, তা নিয়ে ক্ষোভ প্রকাশ করেন বিরোধী দলের চিফ হুইপ নাহিদ ইসলাম। অন্তর্বর্তী সরকারের উপদেষ্টা থাকাকালে কোথায় দুর্নীতি করেছেন, তার প্রমাণ দিতে সরকারি দলকে আহ্বান জানান তিনি।

মঙ্গলবার জাতীয় সংসদে রাষ্ট্রপতির ভাষণের ওপর ধন্যবাদ প্রস্তাবের আলোচনায় প্রতিমন্ত্রী শামা ওবায়েদের ওই বক্তব্যের পর ব্যক্তিগত কৈফিয়ত দিতে দাঁড়িয়ে নাহিদ ইসলাম বলেন, তার বয়স ২৮ বছর হয়েছে এবং এদিন তার জন্মদিন। এ সময় নাহিদকে টেবিল চাপড়ে জন্মদিনের অভিনন্দন জানিয়েছেন সরকারি দলের সংসদ সদস্যরা।

তখন স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদ বলেন, বিরোধী দলের চিফ হুইপ, আপনি নিশ্চয়ই লক্ষ করেছেন, ট্রেজারি বেঞ্চের সদস্যরাও টেবিল চাপড়ে আপনাকে জন্মদিনের অভিনন্দন জানিয়েছে।

পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রীর বক্তব্যের সূত্র ধরে নাহিদ ইসলাম বলেন, কিছু সময়ের জন্য অন্তর্বর্তী সরকারের উপদেষ্টার দায়িত্বে ছিলাম। তবে নির্বাচনের বহু আগেই পদত্যাগ করে চলে এসেছি। নাহিদ ইসলামের নামে কী দুর্নীতির অভিযোগ উঠেছে? নাহিদ ইসলাম কোথায় দুর্নীতি করেছে, আমি সেই প্রমাণ চাইছি।

তার বক্তব্যের পর স্পিকার বলেন, প্রতিমন্ত্রী শামা ওবায়েদ কারও নাম ধরে বলেননি; তিনি তরুণ সদস্যদের কথা বলেছেন। এরপর প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলম দাঁড়িয়ে সংসদ নেতা ও প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানসহ বিএনপির সিনিয়র নেতা, মন্ত্রিপরিষদের সদস্য ও দলের সংসদ সদস্যদের পক্ষ থেকে নাহিদ ইসলামকে জন্মদিনের শুভেচ্ছা জ্ঞাপন ও তার দীর্ঘায়ু কামনা করেন।



  বিষয়:   মুক্তিযোদ্ধা  শহিদ  পরিবার  জামায়াত  কিশোরগঞ্জ  বিএনপি  মুক্তিযোদ্ধা  ফজলুর  রহমান 


Loading...
Loading...
জাতীয়- এর আরো খবর
Loading...
Loading...
© 2026 Daily Shomoyer Alo
ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক : সৈয়দ শাহনেওয়াজ করিম, আমিন মোহাম্মদ মিডিয়া কমিউনিকেশন লিমিটেড এর পক্ষে প্রকাশক মো. ফয়সাল রহমতউল্লাহ ফেরদৌস। নাসির ট্রেড সেন্টার, ৮৯, বীর উত্তম সি আর দত্ত সড়ক (সোনারগাঁও রোড), বাংলামোটর, ঢাকা।
ফোন : ৪১০৬২৩৬৮-৭৪, ফ্যাক্স : ৪১০৬২৩৭৫
সময়ের আলোর খবর পেতে ফলো করুন: