আপনারা বাংলাদেশের এগ্রিমেন্ট অন্যান্য দেশের এগ্রিমেন্টের সঙ্গে তুলনা করে পড়েন, তা হলে বুঝবেন আমরা কী রেট পেয়েছি, পলিসিতে আমরা কী কী বিষয়ে তাদের সঙ্গে চুক্তি করেছি, অন্যরাও কী চুক্তি করেছে, অন্যদের ‘পারচেস কমিটমেন্ট’ কত, আমাদের ‘পারচেস কমিটমেন্ট’ কত, সব মিলিয়ে দেখেন। বাংলাদেশ-যুক্তরাষ্ট্র বাণিজ্য চুক্তি নিয়ে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. খলিলুর রহমান মঙ্গলবার রাষ্ট্রীয় অতিথি ভবন পদ্মায় এমন মন্তব্য করেন।
বাণিজ্য চুক্তিতে যুক্তরাষ্ট্রের জন্য পালনীয় মাত্র ছয়টি শর্তের বিপরীতে বাংলাদেশের জন্য ১৩১টি শর্ত থাকার কথা জানা যাচ্ছে। এই প্রসঙ্গে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. খলিলুর রহমান মঙ্গলবার বলেন, এটা নিয়ে আলোচনা হওয়া খুব ভালো এবং মুক্ত আলোচনা হওয়াই উচিত, যেকোনো চুক্তিরই।
আর আপনি যেটা বললেন, বাংলাদেশ ১৩১টাতে ‘শ্যাল’ বলেছে না? আমরা তো একা এই চুক্তি করিনি, বিশ্বের অন্য দেশগুলো করেছে। ইন্দোনেশিয়া ২৩১টাতে এরকম ‘শ্যাল’ বলেছে। সুতরাং, বাংলাদেশের চুক্তিটি যখন পাঠ করবেন, তখন ইন্দোনেশিয়া, ভিয়েতনাম, কম্বোডিয়া, অন্যান্য যারা চুক্তি করেছে, তাদেরটা পাশে নিয়ে পাঠ করলে পরে আপনি জিনিসটা ভালো করে বুঝবেন।
চুক্তি নিয়ে করা আরেক প্রশ্নে খলিল বলেন, এই আলোচনাটা ওইভাবে হওয়া উচিত, কারণ যুক্তরাষ্ট্র সব দেশকে বলেছে যে, তোমাদেরকে রেসিপ্রোকাল ট্যারিফ, যেমন আমাদের ৩৯ শতাংশ বা ৩৭ শতাংশ। অন্যান্য সব দেশকে দিয়েছে, নেগোশিয়েট করেছে, কেউ ২০ পেয়েছে, ভিয়েতনাম। আমরা ১৯ পেয়েছি। এখন কে কি, সবারই কিন্তু এই এগ্রিমেন্টগুলো পাবলিক স্পেসে এখন পাওয়া যাচ্ছে।
আপনারা বাংলাদেশের এগ্রিমেন্ট অন্যান্য দেশের এগ্রিমেন্টের সঙ্গে তুলনা করে পড়েন, তা হলে বুঝবেন আমরা কী রেট পেয়েছি, পলিসিতে আমরা কী কী বিষয়ে তাদের সঙ্গে চুক্তি করেছি, অন্যরাও কী চুক্তি করেছে, অন্যদের ‘পারচেস কমিটমেন্ট’ কত, আমাদের ‘পারচেস কমিটমেন্ট’ কত, সব মিলিয়ে দেখেন।
/এসএকে