সরকারের নেওয়া বিশেষ কর্মসূচির আওতায় দেশে ৬ মাস থেকে ৫ বছরের কম বয়সি ১ কোটি ৬১ লাখ শিশুকে হাম-রুবেলার টিকা প্রদান করা হয়েছে। এটি মোট লক্ষ্যমাত্রার ৮৯ শতাংশ। অবশিষ্ট লক্ষ্যমাত্রা আগামী কয়েক দিনের মধ্যেই শতভাগ অর্জন করা সম্ভব হবে বলে জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রীর তথ্য ও সম্প্রচার উপদেষ্টা ডা. জাহেদ উর রহমান।
মঙ্গলবার (৫ মে) সচিবালয়ে তথ্য অধিদপ্তরে আয়োজিত এক প্রেস ব্রিফিংয়ে তিনি এসব তথ্য জানান। বিএনপির মিডিয়া সেলের ফেসবুক পেজেও বিষয়টি নিশ্চিত করা হয়েছে।
ব্রিফিংকালে উপদেষ্টা জানান, টিকাদান কর্মসূচিতে কোনো ধরনের গাফিলতি ছিল কি না বা নির্দিষ্ট সময়ে হামের টিকা কেন দেওয়া হয়নি, তা গুরুত্বের সাথে খতিয়ে দেখা হবে। তিনি বলেন, “শিশু মৃত্যু ঘটাতে চায়—এমন কোনো অশুভ উদ্দেশ্য অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের ছিল না বলে আমি বিশ্বাস করি। তবে বিষয়টি নিয়ে আমাদের নিবিড় তদন্ত প্রয়োজন। আমি সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়ে কথা বলেছি এবং কেন এমন পরিস্থিতির সৃষ্টি হলো তা খতিয়ে দেখার নির্দেশ দিয়েছি।”
ডা. জাহেদ উর রহমান জানান, চলমান কার্যক্রমের ফলে ইতোমধ্যে ১ কোটি ৬১ লাখ শিশু টিকার আওতায় এসেছে। খুব দ্রুতই বাকি শিশুদের টিকাদান সম্পন্ন করে শতভাগ লক্ষ্যমাত্রা অর্জন করা হবে। এছাড়া টিকাদান কার্যক্রম আরও বেগবান করতে চলতি সপ্তাহে ইউনিসেফ ও গ্যাভি’র সহায়তায় হাম-রুবেলা টিকাদানের জন্য প্রয়োজনীয় ২২ লাখ মিক্সিং সিরিঞ্জ দেশে পৌঁছেছে।
যক্ষ্মা প্রতিরোধে আন্তর্জাতিক সহযোগিতার কথা উল্লেখ করে উপদেষ্টা জানান, গত বৃহস্পতিবার ঢাকার আগারগাঁওয়ে ২৫০ শয্যার টিবি হাসপাতালে যুক্তরাষ্ট্রের পক্ষ থেকে বিশেষ অনুদান গ্রহণ করা হয়েছে। এর মধ্যে যক্ষ্মা শনাক্তে ব্যবহৃত ৬ লাখ জিনএক্সপার্ট কার্ট্রিজ এবং ১১ হাজার শিশুর জন্য যক্ষ্মা প্রতিরোধী ওষুধ রয়েছে।
/কহু