বিশ্বকবি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের ১৬৫তম জন্মবার্ষিকী উপলক্ষে তার অম্লান স্মৃতির প্রতি গভীর শ্রদ্ধা নিবেদন করেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। বৃহস্পতিবার (৭ মে) রাতে নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে দেওয়া এক বার্তায় তিনি কবির বিদেহী আত্মার শান্তি কামনা করেন এবং বর্তমান বিশ্ব পরিস্থিতিতে রবীন্দ্র-দর্শনের গুরুত্ব তুলে ধরেন।
প্রধানমন্ত্রী তার বার্তায় বলেন, বিশ্বশান্তি ও মানবকল্যাণই ছিল রবীন্দ্রনাথের সৃজনশীলতার মূল অন্বেষা। কাব্য, সংগীত, ছোটগল্প থেকে শুরু করে চিত্রকলার প্রতিটি পরতে তিনি মানুষ, মানবতা ও প্রকৃতির জয়গান গেয়েছেন। তার এই অনবদ্য শৈল্পিক কুশলতা আমাদের সাহিত্য ও চিন্তার জগতের এক অমূল্য সম্পদ।
জাতীয় জীবনে বিশ্বকবির অবদান অনস্বীকার্য উল্লেখ করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, আমাদের মহান মুক্তিযুদ্ধে রবীন্দ্রনাথের গান ছিল প্রেরণার অন্যতম উৎস। তৎকালীন পূর্ববঙ্গ তথা আজকের বাংলাদেশের সাধারণ মানুষের দুঃখ-সুখের কথা তার সাহিত্যে নিপুণভাবে উঠে এসেছে। তারই অমর সৃষ্টি ‘আমার সোনার বাংলা’ আজ আমাদের গর্বিত জাতীয় সংগীত।
রবীন্দ্রনাথের বিশ্বজয়ের কথা স্মরণ করে তিনি বলেন, ১৯১৩ সালে ‘গীতাঞ্জলি’র মাধ্যমে প্রথম এশীয় হিসেবে সাহিত্যে নোবেল পুরস্কার অর্জন করে তিনি বাংলাকে বিশ্বসাহিত্যের দরবারে অনন্য উচ্চতায় আসীন করেছিলেন। তিনি আমাদের বহুত্ববাদ ও অহিংস আদর্শকে পরম মমতায় বিশ্ববাসীর কাছে পৌঁছে দিয়েছেন।
বর্তমান বিশ্বের যুদ্ধ-সংঘাত ও উগ্রবাদের উত্থানের প্রেক্ষাপট টেনে প্রধানমন্ত্রী বলেন, আজকের রক্তাক্ত ও হানাহানি পূর্ণ পৃথিবীতে রবীন্দ্রনাথ আরও বেশি প্রাসঙ্গিক হয়ে উঠেছেন। তার মঙ্গলভাবনা ও শান্তিনিকেতনের সেই মুক্ত শিক্ষার দর্শন নতুন প্রজন্মকে সুশিক্ষায় আলোকিত করতে পথ দেখাবে।
/কহু