শ্রম আইনে ‘জেন্ডার’ পরিভাষা নিয়ে নতুন বিতর্ক

নিজস্ব সংবাদদাতা

জাতীয়

শ্রম আইনে ‘জেন্ডার’ পরিভাষা নিয়ে শুরু হয়েছে নতুন বিতর্ক। দেশের বিভিন্ন অঙ্গনের ৩৩০ জন বিশিষ্ট ব্যক্তি শ্রম আইনে যুক্ত হওয়া

2026-05-12T11:13:03+00:00
2026-05-12T11:13:03+00:00
 
  রবিবার, ১৯ জুলাই ২০২৬,
৪ শ্রাবণ ১৪৩৩
রবিবার, ১৯ জুলাই ২০২৬
জাতীয়
শ্রম আইনে ‘জেন্ডার’ পরিভাষা নিয়ে নতুন বিতর্ক
নিজস্ব সংবাদদাতা
প্রকাশ: মঙ্গলবার, ১২ মে, ২০২৬, ১১:১৩ এএম 
প্রতীকী ছবি
শ্রম আইনে ‘জেন্ডার’ পরিভাষা নিয়ে শুরু হয়েছে নতুন বিতর্ক। দেশের বিভিন্ন অঙ্গনের ৩৩০ জন বিশিষ্ট ব্যক্তি শ্রম আইনে যুক্ত হওয়া ‘জেন্ডার’, ‘জেন্ডার পরিচয়’ ও ‘জেন্ডার অভিব্যক্তি’সহ কয়েকটি পরিভাষা বাতিল বা সংশোধনের দাবি জানিয়েছেন। 

মঙ্গলবার (১২ মে) গণমাধ্যমে পাঠানো এক যৌথ বিবৃতিতে তারা এ দাবি জানান। 

তাদের অভিযোগ, বাংলাদেশ শ্রম (সংশোধন) অধ্যাদেশ, ২০২৫–এর মাধ্যমে বাংলাদেশ শ্রম আইন, ২০০৬–এ এসব শব্দ কোনও সুস্পষ্ট সংজ্ঞা ছাড়াই অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে, যা ভবিষ্যতে বিভ্রান্তি ও বিতর্কের জন্ম দিতে পারে।

মূল্যবোধ আন্দোলনের মুখপাত্র ইঞ্জিনিয়ার মুহাম্মাদ সাদাতের সই করা ওই বিবৃতিতে বলা হয়, শ্রম আইন হওয়া উচিত শ্রমিকের অধিকার, নিরাপত্তা ও ন্যায্যতা নিশ্চিত করার একটি বাস্তবভিত্তিক আইন। সেখানে অস্পষ্ট ও বিতর্কিত মতাদর্শিক পরিভাষা সংযোজন সমাজে বিভাজন ও মূল্যবোধগত সংঘাত তৈরি করতে পারে।


বিবৃতিদাতারা দাবি করেন, ভবিষ্যতে এসব শব্দের ভিন্ন ব্যাখ্যা ও প্রয়োগের সুযোগ তৈরি হতে পারে।

তারা মনে করেন, এ ধরনের সংশোধনের কারণে জন্মগত পুরুষ নিজেকে নারী পরিচয় দিয়ে নারীদের জন্য নির্ধারিত স্থান বা সুবিধা ব্যবহারের সুযোগ পেতে পারেন। এতে নারীর নিরাপত্তা ও ব্যক্তিগত গোপনীয়তা ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে বলেও বিবৃতিতে উল্লেখ করা হয়।

তারা আরও আশঙ্কা প্রকাশ করে বিবৃতিতে উল্লেখ করেন, দেশের সংখ্যাগরিষ্ঠ মানুষের ধর্মীয় অনুভূতি, সামাজিক মূল্যবোধ ও সাংস্কৃতিক ঐতিহ্য উপেক্ষা করে আইন প্রণয়ন করা হলে তা দীর্ঘমেয়াদে সামাজিক অস্থিরতা তৈরি করতে পারে।

একই সঙ্গে তারা দাবি করেন, ইসলামি দৃষ্টিকোণ থেকেও ‘জেন্ডার অভিব্যক্তি’র নামে নারী-পুরুষের বেশভূষা পরিবর্তনের অনুমোদন গ্রহণযোগ্য নয়।

সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের প্রতি আহ্বান জানিয়ে তারা বলেন, “শ্রম আইনে ব্যবহৃত ‘লিঙ্গ’ ও ‘জেন্ডার’ পরিভাষার সুস্পষ্ট ও আইনগত সংজ্ঞা নির্ধারণ করতে হবে। পাশাপাশি বিতর্কিত ও অসংজ্ঞায়িত শব্দগুলো আইন থেকে অপসারণ বা সংশোধনের উদ্যোগ নিতে হবে।”

বিবৃতিতে স্বাক্ষরকারীদের মধ্যে রয়েছেন বায়তুল মোকাররম জাতীয় মসজিদের খতিব মুফতি মুহাম্মাদ আবদুল মালেক, আস-সুন্নাহ ফাউন্ডেশনের চেয়ারম্যান শায়খ আহমাদুল্লাহ, মূল্যবোধ আন্দোলনের চেয়ারম্যান অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ সরোয়ার হোসেন, সাংবাদিক আলী হাসান তৈয়ব, বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক, চিকিৎসক, প্রকৌশলী, শিক্ষার্থী ও পেশাজীবীরা।

/মহু


  বিষয়:   জেন্ডার  শ্রম আইন 


Loading...
Loading...
জাতীয়- এর আরো খবর
Loading...
Loading...
© 2026 Daily Shomoyer Alo
ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক : সৈয়দ শাহনেওয়াজ করিম, আমিন মোহাম্মদ মিডিয়া কমিউনিকেশন লিমিটেড এর পক্ষে প্রকাশক মো. ফয়সাল রহমতউল্লাহ ফেরদৌস। নাসির ট্রেড সেন্টার, ৮৯, বীর উত্তম সি আর দত্ত সড়ক (সোনারগাঁও রোড), বাংলামোটর, ঢাকা।
ফোন : ৪১০৬২৩৬৮-৭৪, ফ্যাক্স : ৪১০৬২৩৭৫
সময়ের আলোর খবর পেতে ফলো করুন: