মধ্যস্থতাকারীর আড়ালে ইরানকে সহায়তা পাকিস্তানের?

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

আন্তর্জাতিক

যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে চলমান সংকট নিরসনে যখন ইসলামাবাদে মধ্যস্থতা বৈঠক চলছে, ঠিক তখনই পাকিস্তানের নিরপেক্ষতা নিয়ে বিশ্বজুড়ে শুরু হয়েছে

2026-05-13T09:09:24+00:00
2026-05-13T09:09:24+00:00
 
  মঙ্গলবার, ২০ অক্টোবর ২০২৬,
৪ কার্তিক ১৪৩৩
মঙ্গলবার, ২০ অক্টোবর ২০২৬
আন্তর্জাতিক
মধ্যস্থতাকারীর আড়ালে ইরানকে সহায়তা পাকিস্তানের?
আন্তর্জাতিক ডেস্ক
প্রকাশ: বুধবার, ১৩ মে, ২০২৬, ৯:০৯ এএম 
সংগৃহীত ছবি
যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে চলমান সংকট নিরসনে যখন ইসলামাবাদে মধ্যস্থতা বৈঠক চলছে, ঠিক তখনই পাকিস্তানের নিরপেক্ষতা নিয়ে বিশ্বজুড়ে শুরু হয়েছে তোলপাড়। স্যাটেলাইট থেকে প্রাপ্ত উচ্চ-রেজোলিউশন ছবি ও গোয়েন্দা তথ্যে দেখা গেছে, পাকিস্তান তাদের বিমানঘাঁটিতে ইরানের সামরিক বিমানকে আশ্রয় দিচ্ছে। ‘ভ্যান্টর’ নামক প্রতিষ্ঠান থেকে পাওয়া গত ২৫ এপ্রিলের স্যাটেলাইট চিত্রে দেখা যায়, ইসলামাবাদের অতি নিকটে রাওয়ালপিন্ডির নুর খান বিমানঘাঁটিতে ইরানের বিমান বাহিনীর একটি সি-১৩০ কার্গো বিমান পার্ক করে রাখা হয়েছে। খবর এনডিটিভির

নুর খান বিমানঘাঁটি বা চকলালা বিমানঘাঁটিটি ইসলামাবাদের মূল কেন্দ্র থেকে মাত্র ১০ কিলোমিটার দূরে অবস্থিত। ছবিতে দেখা যায়, পাকিস্তানের বিমান বাহিনীর ছাই রঙের সি-১৩০ বিমানগুলোর মাঝেই ইরানের বৈশিষ্ট্যপূর্ণ ‘মরু-হলুদ’ রঙের একটি সামরিক বিমান দাঁড়িয়ে আছে। মার্কিন সংবাদমাধ্যম সিবিএস নিউজ দাবি করেছে, প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প যুদ্ধবিরতি ঘোষণার পরপরই ইরান তাদের বেশ কিছু গোয়েন্দা ও নজরদারি বিমান পাকিস্তানের এই সুরক্ষিত ঘাঁটিতে পাঠিয়ে দিয়েছে।

এই খবর জানাজানি হওয়ার পর মার্কিন সিনেটে তীব্র প্রতিক্রিয়া দেখা দিয়েছে। সিনেট অ্যাপ্রোপ্রিয়েশন কমিটির শুনানিতে সাউথ ক্যারোলিনার প্রভাবশালী সিনেটর লিন্ডসে গ্রাহাম সরাসরি মার্কিন প্রতিরক্ষা সচিব পিট হেগসেথকে উদ্দেশ্য করে বলেন, পাকিস্তান যদি সত্যিই ইরানের সামরিক সম্পদ রক্ষায় নিজেদের ঘাঁটি ব্যবহার করতে দেয়, তবে মধ্যস্থতাকারী হিসেবে তাদের ওপর আর ভরসা রাখা যায় না। এখন বোঝা যাচ্ছে কেন শান্তি আলোচনা কোনো আলোর মুখ দেখছে না।

পাকিস্তান অবশ্য এই প্রতিবেদনকে ‘বিভ্রান্তিকর ও উদ্দেশ্যপ্রণোদিত’ বলে প্রত্যাখ্যান করেছে। এক বিবৃতিতে পাকিস্তান সরকার জানিয়েছে, আঞ্চলিক শান্তি ও স্থিতিশীলতা বিনষ্ট করার লক্ষ্যেই এ ধরনের কল্পনাপ্রসূত খবর ছড়ানো হচ্ছে। তবে অতীতের নজির পাকিস্তানের এই দাবিকে প্রশ্নবিদ্ধ করছে। গত বছরের জুন মাসে ইসরায়েলের ‘অপারেশন রাইজিং লায়ন’ চলাকালেও করাচি বিমানবন্দরে ইরানের বোয়িং ৭৪৭ বিমান দাঁড়িয়ে থাকার ভিডিও চিত্র পাওয়া গিয়েছিল।

উল্লেখ্য, ইরানের কাছে থাকা এই সি-১৩০ বিমানগুলো সত্তরের দশকে শাহের আমলের। ১৯৭৯ সালের বিপ্লবের পর মার্কিন নিষেধাজ্ঞার কারণে ইরান আর কোনো নতুন বিমান কিনতে পারেনি। 

/কহু

  বিষয়:   ইরান  পাকিস্তান. যুক্তরাষ্ট্র 


Advertisement
Loading...
Loading...
আন্তর্জাতিক- এর আরো খবর
Loading...
Loading...
Advertisement
© 2026 Daily Shomoyer Alo
ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক : সৈয়দ শাহনেওয়াজ করিম, আমিন মোহাম্মদ মিডিয়া কমিউনিকেশন লিমিটেড এর পক্ষে প্রকাশক মো. ফয়সাল রহমতউল্লাহ ফেরদৌস। নাসির ট্রেড সেন্টার, ৮৯, বীর উত্তম সি আর দত্ত সড়ক (সোনারগাঁও রোড), বাংলামোটর, ঢাকা।
ফোন : ৪১০৬২৩৬৮-৭৪, ফ্যাক্স : ৪১০৬২৩৭৫
সময়ের আলোর খবর পেতে ফলো করুন: