নদীপথেও আসছে কুরবানির পশু

সমীরণ রায়

জাতীয়

ঈদুল আজহা আগামী ২৮ মে। সেই হিসাবে ঈদের বাকি আর মাত্র সাত দিন। ঈদুল আজহা উপলক্ষে আজ থেকে প্রস্তুতিমূলক ২৭টি

2026-05-21T02:24:32+00:00
2026-05-21T02:24:32+00:00
 
  শনিবার, ১৮ জুলাই ২০২৬,
৩ শ্রাবণ ১৪৩৩
শনিবার, ১৮ জুলাই ২০২৬
জাতীয়
নদীপথেও আসছে কুরবানির পশু
সমীরণ রায়
প্রকাশ: বৃহস্পতিবার, ২১ মে, ২০২৬, ২:২৪ এএম 
নদীপথেও আসছে কুরবানির পশু। ছবি : শেখ ফেরদৌস
ঈদুল আজহা আগামী ২৮ মে। সেই হিসাবে ঈদের বাকি আর মাত্র সাত দিন। ঈদুল আজহা উপলক্ষে আজ থেকে প্রস্তুতিমূলক ২৭টি পশুর হাট বসছে। অবশ্য ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশন (ডিএনসিসি) ও ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের (ডিএসসিসি) নিয়ম অনুযায়ী ৫ দিন কুরবানির পশুর হাট বসার কথা রয়েছে। সেই হিসাবে আগামী ২৩ মে থেকে বসার কথা পশুর হাট। কিন্তু নিয়ম ভঙ্গ করে কোনো কোনো হাটে পশু কেনাবেচা শুরু হয়েছে। এ ছাড়া নদী ও সড়কপথে আসতে শুরু করছে কুরবানির পশু।

সংস্থা দুটি বলছে, কুরবানির পশুর হাট নির্ধারিত নিয়ম অনুযায়ী পাঁচ দিনের জন্য বসবে, এর আগে কোনো ধরনের কেনাবেচা বা কার্যক্রম পরিচালনা করা হলে তা অবৈধ হিসেবে গণ্য হবে। তবে আজ থেকে প্রস্তুতিমূলক হাট বসবে। প্রায় ১০০ জন কর্মকর্তাকে ম্যাজিস্ট্রেট ক্ষমতা দেওয়া হয়েছে এবং তারা যেকোনো অনিয়মের বিরুদ্ধে অভিযান পরিচালনা করবেন। পশু বিক্রির অর্থ থেকে ইজারাদার  ৫ শতাংশ হাসিল নিতে পারবেন। এর বাইরে গরু বিক্রেতার কাছ থেকে আর কোনো টাকা নেওয়ার সুযোগ নেই। পাশাপাশি হাটের প্রতিদিনের বর্জ্য প্রতিদিনই নির্ধারিত স্থানে সরিয়ে ফেলতে হবে, যাতে দুর্গন্ধ ও স্বাস্থ্যঝুঁকি তৈরি না হয়।

এদিকে কুরবানির পশু কেনাবেচা কেন্দ্র করে ডিএনসিসি ১৬টি ও ডিএসসিসি এলাকায় ১১টি হাট বসছে। রাজধানীতে পশুর হাট বসানোর প্রস্তুতি প্রায় শেষ করেছে ঢাকা উত্তর ও দক্ষিণ সিটি করপোরেশন। ইতিমধ্যে হাটের জায়গা নির্ধারণ, ইজারা প্রক্রিয়া এবং অবকাঠামো নির্মাণের প্রাথমিক কাজ শেষ হয়েছে। কুরবানির পশু বাঁধার জন্য বাঁশের খুঁটি প্রস্তুত করা হয়েছে। হাসিল ঘরসহ বেপারিদের থাকা-খাওয়ার ব্যবস্থা করা হয়েছে। এরই প্রেক্ষিতে রাজধানীতে সারা দেশের বিভিন্ন এলাকা থেকে কুরবানির পশু আসা শুরু করেছে। 

দৌলতদিয়া-পাটুরিয়া নৌরুটে দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলের প্রায় ২১টি জেলা থেকে ফেরিঘাট দিয়ে কুরবানির পশুবাহী ট্রাক আসতে শুরু করেছে। এ ছাড়া সদরঘাটে ট্রলার ও নৌকায় করে আসছে কুরবানির পশু। পাশাপাশি যানজটসহ বাড়তি ঝামেলা এড়াতে অনেক বেপারিরা আগেভাগেই এসে হাটে জায়গা করে নিয়েছেন। খামারিরা গরুর যত্ন নিচ্ছেন। কেউ খড়, ভুসি খাওয়াচ্ছেন। আবার অনেকেই গা মুছে গরুর যত্ন নিচ্ছেন। এরই মধ্যে কোথাও কোথাও হাট ইজারা পাওয়ার পর থেকে গত দুই থেকে তিন দিন আগেই গরু কেনাবেচা শুরু হয়েছে।

বেপারি ও ইজারাদাররা বলছেন, গত সোমবার থেকেই অল্প পরিমাণে যে কুরবানির পশু আসা শুরু করেছে। বৃহস্পতিবার ও শুক্রবার পুরোদমে রাজধানীর হাটগুলোতে বিক্রি শুরু হয়ে যাবে।

কাজলা ব্রিজ থেকে মাতুয়াইলের হাটের ইজারাদার মো. শামীম খান বলেন, ক্রেতা-বিক্রেতার জন্য আমরা সুন্দর ব্যবস্থা করেছি। আশা করছি হাটের ব্যবস্থাপনায় সবাই খুশি হবে। যানজট এবং আইনশৃঙ্খলা রক্ষার ব্যাপারে পুলিশসহ সবার সঙ্গে যোগাযোগ হচ্ছে। সবাইকে সঙ্গে নিয়ে আমরা ভালো একটি ঈদ করতে কাজ করে যাচ্ছি। এই হাটে বিশ হাজারের বেশি গরু বিক্রি হওয়ার আশা করছি।

রাজধানীর তেজগাঁও পলিটেকনিক ইনস্টিটিউট খেলার মাঠে ভূমি এগ্রোর স্বত্বাধিকারী মাসফিক বলেন, মঙ্গলবার কয়েকটি গরু নিয়ে হাটে এসেছি। শেষ দিকে জ্যাম হয়, গাড়ি পাওয়া যায় না। এ জন্য একটু আগে এসেছি। এখন গরুগুলোকে খাওয়ানো যাবে। যত্ন নেওয়া যাবে।

অবশ্য সারা দেশের প্রান্তিক খামারি, সাধারণ চাষি ও মৌসুমি ব্যবসায়ীরা লালন-পালন করা গবাদিপশু নিয়ে রাজধানীতে ঢুকতে গিয়ে নানা বিড়ম্বনার শিকার হচ্ছেন। প্রতি বছরের মতো এবারও লভ্যাংশের আশা করছেন খামারিরা। পাশাপাশি পথে পথে যুক্ত হচ্ছে চাঁদাবাজি। এ ছাড়া মহাসড়কে হয়রানি এবং হাটের দালাল চক্রের দৌরাত্ম্য নিয়ে গভীর উদ্বেগও রয়েছে তাদের মধ্যে। একই সঙ্গে ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশ (ডিএমপি) কুরবানির পশুর হাট কেন্দ্র কঠোর নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে একাধিক বৈঠক করেছেন। 

ডিএমপি বলছে, কুরবানির পশুর হাট কেন্দ্র করে বিশেষ ট্রাফিক পরিকল্পনা নেওয়া হচ্ছে। গুরুত্বপূর্ণ মোড়ে অতিরিক্ত ট্রাফিক পুলিশ মোতায়েন, পশুবাহী গাড়ির সময় নির্ধারণ এবং বিকল্প সড়ক ব্যবহারের পরিকল্পনা রয়েছে। লঞ্চঘাট, বাস টার্মিনাল ও রেলস্টেশনগুলোতে তৎপরতা বাড়ানো হবে। একই সঙ্গে ঢাকা উত্তর-দক্ষিণ সিটি করপোরেশনেরও ট্রাফিক বিভাগ কাজ করবে। একই সঙ্গে পশুর হাট কেন্দ্র করে জাল টাকা, ছিনতাই, মলম পার্টি ও চাঁদাবাজি ঠেকাতে পুলিশ, র‌্যাব ও গোয়েন্দা সংস্থার সদস্যরা মাঠে কাজ শুরু করেছেন। হাট এলাকায় অস্থায়ী পুলিশ কন্ট্রোল রুম, সিসি ক্যামেরা ও নজরদারি টিম মোতায়েন করা হয়েছে।

এদিকে রাজধানীর গুরুত্বপূর্ণ সড়ক, মহাসড়কের প্রবেশপথ এবং আবাসিক এলাকার কাছাকাছি অধিকাংশ হাট বসানো হয়েছে। ফলে ঈদের আগের শেষ এক সপ্তাহ নগরবাসীর জন্য দুর্ভোগের কারণ হয়ে দাঁড়াবে বলে আশঙ্কা করছেন সংশ্লিষ্টরা। 

বিশেষ করে রাজধানীর গাবতলী, আফতাবনগর, মেরাদিয়া, পূর্বাচলসংলগ্ন এলাকা, কামরাঙ্গীরচর, ধোলাইখাল, সারুলিয়া, শনিরআখড়া, বংশাল, উত্তরখান, তেজগাঁও ও মিরপুর এলাকার কয়েকটি হাট সরাসরি ব্যস্ত সড়কের পাশে বসছে। বিশেষ করে গাবতলী পশুর হাট রাজধানীর উত্তর-পশ্চিমাঞ্চলের সবচেয়ে বড় হাট। প্রতি বছর এই হাট কেন্দ্র করে আমিনবাজার, টেকনিক্যাল মোড়, শ্যামলী, ঢাকা-আরিচা মহাসড়ক, মিরপুর রোড এলাকায় কয়েক কিলোমিটার দীর্ঘ যানজট সৃষ্টি হয়। 

এবারও একই পরিস্থিতি তৈরি হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে। অন্যদিকে আব্দুল্লাহপুর-উত্তরা করিডোর, আফতাবনগর ও মেরাদিয়া এলাকায় হাট বসার কারণে বাড্ডা-রামপুরা সড়ক, প্রগতি সরণি ও হাতিরঝিল সংযোগ সড়কে অতিরিক্ত চাপ তৈরি হতে পারে। পোস্তগোলা সেতু সংযোগ সড়ক, যাত্রাবাড়ী-মাওয়া সড়ক, শনিরআখড়া ও সারুলিয়া এলাকায় হাট বসলে ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কে যান চলাচল বিঘ্নিত হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে। যানজটের বড় কারণ হিসেবে দেখা হচ্ছে, পশুবাহী ট্রাকের অনিয়ন্ত্রিত প্রবেশ, রাস্তার ওপর পশু নামানো এবং ক্রেতাদের ব্যক্তিগত গাড়ির অবৈধ পার্কিং।

বিগত দিনে ঈদের আগে রাজধানীর বিভিন্ন এলাকায় ঘণ্টার পর ঘণ্টা যানজটে আটকে থাকতে হয় মানুষকে। গাবতলী ও দিয়াবাড়ী এলাকায় কয়েক কিলোমিটার পথ পাড়ি দিতে সময় লাগে দুই থেকে তিন ঘণ্টা। একই অবস্থা তৈরি হয় যাত্রাবাড়ী, আফতাবনগর ও খিলক্ষেত এলাকায়। এতে অফিসগামী মানুষ, রোগীবাহী অ্যাম্বুলেন্স এবং দূরপাল্লার যাত্রীরা সবচেয়ে বেশি ভোগান্তিতে পড়েন। কিছু লোক গরু দেখার জন্য হাটে এলেও এখনও কেনাবেচা শুরু হয়নি। ফলে প্রতি বছরের মতো এবারও এসব হাট কেন্দ্র করে রাজধানীতে তীব্র যানজট ও জনভোগান্তির আশঙ্কা দেখা দিয়েছে।

দুই সিটি করপোরেশন সূত্র বলছে, রাজধানীর স্থায়ী হাটের পাশাপাশি অস্থায়ী হাটগুলোতেও আজ থেকেই পশু আসতে শুরু করবে। দেশের বিভিন্ন জেলা থেকে ট্রাকভর্তি গরু, ছাগল ও মহিষ ঢাকায় প্রবেশ করায় রাজধানীর প্রবেশমুখগুলোতে চাপ বাড়বে কয়েকগুণ। বিশেষ করে ঢাকা-আরিচা মহাসড়ক, টঙ্গী-আব্দুল্লাহপুর এলাকা, ঢাকা-ময়মনসিংহ মহাসড়ক এবং যাত্রাবাড়ী-সায়েদাবাদ অংশে দীর্ঘ যানজটের শঙ্কা রয়েছে। 

এ কারণে সংস্থা দুটি তাদের ট্রাফিক বিভাগসহ সংশ্লিষ্টারা কাজ করবেন। পশুবাহী ট্রাক সাধারণত রাতে ঢাকায় প্রবেশ করলেও দিনেও এসব ট্রাক সড়কের পাশে দাঁড়িয়ে থাকে। অনেক সময় হাটের জায়গা সংকটের কারণে ট্রাক রাস্তার ওপরই সারিবদ্ধভাবে রাখা হয়। এতে সড়কের একাধিক লেন বন্ধ হয়ে যায়। এ ছাড়া ক্রেতাদের ব্যক্তিগত গাড়ি, রিকশা ও ভ্যানের অতিরিক্ত চাপ পরিস্থিতি আরও জটিল করে তোলে। এ জন্য আইনশৃঙ্খলা বাহিনী যথাযথ ব্যবস্থা নেবে।

রাজধানীবাসীর অভিযোগ, পশুর হাট বসলেই আশপাশের এলাকায় স্বাভাবিক জীবনযাত্রা ভেঙে পড়ে। ঘণ্টার পর ঘণ্টা যানজটে আটকে থাকতে হয় অফিসগামী মানুষকে। রোগীবাহী অ্যাম্বুলেন্স এবং দূরপাল্লার যাত্রীদেরও চরম দুর্ভোগে পড়তে হয়। ঈদ কেন্দ্র করে বাড়ি ফেরা মানুষও পড়বেন তীব্র যানজটে।

মিরপুরের বাসিন্দা মামুন তালুকদার বলেন, ইতিমধ্যে কুরবানির পশুর হাটগুলোতে গরু আসা শুরু হয়েছে। তবে এই হাটগুলো মূল সড়কের পাশে হওয়ায় তীব্র যানজটের আশঙ্কাও রয়েছে। এতে বাড়ি ফেরা মানুষ সাধারণ মানুষের চলাফেরা কঠিন হয়ে যাবে। যানজটের কারণে স্বাভাবিক জীবনযাত্রা পুরোপুরি ব্যাহত হবে।

আফতাবনগরের বাসিন্দা হান্নান চৌধুরী বলেন, ইতিমধ্যে আফতাবনগরে কুরবানির পশু আসা শুরু হয়েছে। যেহেতু আফতাবনগর ও মেরাদিয়ায় দুটি সবচেয়ে বড় হাট, এ কারণে রামপুরাসহ আশপাশের এলাকায় তীব্র যানজট ও পুরো এলাকা অচল হয়ে পড়ার সম্ভাবনা রয়েছে। পাশাপাশি অব্যবস্থাপনার কারণে সড়কে কাদা, ময়লা ও দুর্গন্ধে চলাচলও কষ্টকর হয়ে পড়বে।

এদিকে বুধবার কুরবানির হাট ইজারাদারসহ সংশ্লিষ্টদের নিয়ে অনুষ্ঠিত এক মতবিনিময় সভায় ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনের (ডিএনসিসি) প্রশাসক মো. শফিকুল ইসলাম খান বলেন,  পশুর হাটগুলোতে নারীদের জন্য পিঙ্ক টয়লেট নির্মাণের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। পরিবারের নারী ও ছোট বাচ্চারা এখন হাটে যায়। তাদের সুরক্ষা নিশ্চিত করতে হবে। একই সঙ্গে হাট এলাকায় যেন পানি জমে না থাকে সে ব্যবস্থা করতেও ইজারাদারদের নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। ইজারার শর্ত ভাঙলে সংশ্লিষ্টদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হবে। পাশাপাশি পশুর হাট কেন্দ্র করে রাজধানীতে যেন জনদুর্ভোগ বা যানজট না হয়, সে বিষয়েও সিটি করপোরেশন কঠোর নজরদারি রাখবে। হাট থেকে প্রতিদিনের বর্জ্য প্রতিদিনই অপসারণ করতে হবে।

ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের (ডিএসসিসি) প্রশাসক মো. আবদুস সালাম বলেন, ক্রেতা-বিক্রেতা এবং নগরবাসীর সার্বিক নিরাপত্তা ও সুবিধার্থে প্রতিটি হাটে কন্ট্রোল রুম বা নিয়ন্ত্রণ কক্ষ স্থাপন করা হচ্ছে। গবাদিপশু ও মানুষের জরুরি চিকিৎসাসেবা নিশ্চিত করতে প্রতিটি হাটে মেডিকেল টিম নিয়োজিত থাকবে। আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি রক্ষায় নিয়োজিত থাকবে পুলিশের বিশেষ টহল। একই সঙ্গে হাট ও কুরবানির বর্জ্য অপসারণে ইজারাদারদের কঠোর নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। পাশাপাশি ডিএসসিসির নিজস্ব পূর্ণাঙ্গ প্রস্তুতি রয়েছে। 

সময়ের আলো/আআ


  বিষয়:   নদীপথ  কুরবানি  পশু  রাজধানী  বাংলাদেশ 


Loading...
Loading...
জাতীয়- এর আরো খবর
Loading...
Loading...
© 2026 Daily Shomoyer Alo
ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক : সৈয়দ শাহনেওয়াজ করিম, আমিন মোহাম্মদ মিডিয়া কমিউনিকেশন লিমিটেড এর পক্ষে প্রকাশক মো. ফয়সাল রহমতউল্লাহ ফেরদৌস। নাসির ট্রেড সেন্টার, ৮৯, বীর উত্তম সি আর দত্ত সড়ক (সোনারগাঁও রোড), বাংলামোটর, ঢাকা।
ফোন : ৪১০৬২৩৬৮-৭৪, ফ্যাক্স : ৪১০৬২৩৭৫
সময়ের আলোর খবর পেতে ফলো করুন: