যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী ও ঢাকা মহানগর উত্তর বিএনপির আহ্বায়ক আমিনুল হক বলেছেন, রামিসা হত্যাকাণ্ডে আমরা দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি ও ফাঁসি চাই। দেশের মানুষও সেটাই চায়। কিন্তু একটি গোষ্ঠী এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে উসকানি দিয়ে বিভিন্ন স্থানে বিশৃঙ্খলা তৈরির চেষ্টা করছে। শুক্রবার (২২ মে) রাজধানীর পল্লবীতে ঢাকা মহানগর উত্তর বিএনপির কার্যালয়ে আয়োজিত এক যৌথ সভায় সভাপতির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
আমিনুল হক অভিযোগ করেন, একটি মহল অপপ্রচার, মিথ্যাচার ও উসকানিমূলক স্লোগানের মাধ্যমে পরিস্থিতিকে উত্তপ্ত করার চেষ্টা করছে। তাদের উদ্দেশ্য ন্যায়বিচার নয়, বরং অস্থিরতা সৃষ্টি করা। এ সময় তিনি নেতাকর্মীদের জামায়াত সম্পর্কে সতর্ক থাকার আহ্বান জানান।
প্রতিমন্ত্রী বলেন, দীর্ঘ ১৭ বছর স্বৈরাচারের বিরুদ্ধে আন্দোলন-সংগ্রাম করেছেন আপনারা। এখন সবাইকে জামায়াত সম্পর্কে সতর্ক থাকতে হবে। তারা গোপনে সংগঠিত হয়ে মানুষের মধ্যে ঢুকে বিভ্রান্তি ও ক্ষতির চেষ্টা করছে। তিনি বলেন, আমরা বাকস্বাধীনতা ও গণতান্ত্রিক মতপ্রকাশে বিশ্বাস করি। কিন্তু কেউ যদি সেই স্বাধীনতার সুযোগ নিয়ে অপকর্ম বা বিশৃঙ্খলা সৃষ্টির চেষ্টা করে, তাহলে তাদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নিতে হবে। কাউকে ছাড় দেওয়ার সুযোগ নেই।
নিজ দলের নেতাকর্মীদের উদ্দেশে তিনি বলেন, যেখানেই বিশৃঙ্খলা সৃষ্টির অপচেষ্টা হবে, সেখানেই দৃঢ়ভাবে প্রতিরোধ গড়ে তুলতে হবে। অন্যায়কারী সে যে দলেরই হোক, তাকে প্রশ্রয় দেওয়া যাবে না।
এদিকে রাজধানীর পল্লবীতে ধর্ষণ ও হত্যার ঘটনায় নিহত ৮ বছর বয়সী শিশু রামিসা আক্তারের বাসায় গিয়ে পরিবারের সঙ্গে কথা বলেছেন বিএনপির নারী ও শিশু অধিকার ফোরামের নেত্রীরা।
শুক্রবার (২২ মে) বেলা ১১টার দিকে বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য, নারী ও শিশু অধিকার ফোরামের আহ্বায়ক বেগম সেলিমা রহমান এমপি এবং সদস্য সচিব অ্যাডভোকেট নিপুন রায় চৌধুরী এমপির নেতৃত্বে একটি প্রতিনিধিদল বাসায় যায়।
এ সময় তারা পরিবারের সবার সঙ্গে কথা বলেন ও ফোরামের পক্ষ থেকে আর্থিক সহায়তা প্রদান করেন। আগামী দিনেও পাশে থাকার প্রতিশ্রুতি দেন তারা। পরে সেলিমা রহমান সাংবাদিকদের বলেন, বিএনপির চেয়ারম্যান ও প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান রামিসা হত্যার বিচারের দায়িত্ব নিয়েছেন। রাষ্ট্র যখন বিচারে দায়িত্ব নিয়েছে, আশা করি খুব দ্রুতই এই হত্যাকাণ্ডের বিচার হবে। জনগণের মধ্যে আস্থা ফিরে আসবে।
আরবিএন