একটানা দীর্ঘ সময় গণপরিবহন চালানোর কারণে চালকদের ক্লান্তি, ঝিমুনি ও ঘুমের প্রবণতা বাড়ছে। এতে সড়ক দুর্ঘটনায় চালক, চালকের সহকারী, যাত্রী ও পথচারীদের হতাহতের ঘটনা ঘটছে বলে জানিয়েছে নিয়ন্ত্রক সংস্থা বাংলাদেশ সড়ক পরিবহন কর্তৃপক্ষ (বিআরটিএ)।
এ পরিস্থিতিতে নির্ধারিত কর্মঘণ্টা মেনে গণপরিবহন চালানোর জন্য সতর্ক করে সংস্থাটি জানিয়েছে, কোনো চালক ৮ ঘণ্টার বেশি গাড়ি চালালে লাইসেন্স বাতিল হতে পারে। শনিবার সংস্থাটির সদর কার্যালয় থেকে জারি করা এক জরুরি সতর্কীকরণ বিজ্ঞপ্তিতে এই হুঁশিয়ারি দেওয়া হয়।
বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, বিদ্যমান মোটরযান আইন ও বিধি অনুযায়ী কোনো চালক একটানা পাঁচ ঘণ্টার বেশি যানবাহন চালাতে পারবেন না। এরপর অন্তত আধা ঘণ্টা বিশ্রাম দিয়ে আরও সর্বোচ্চ তিন ঘণ্টা গাড়ি চালানো যাবে। অর্থাৎ, একজন চালক দিনে সর্বোচ্চ আট ঘণ্টা এবং সপ্তাহে ৪৮ ঘণ্টার বেশি দায়িত্ব পালন করতে পারবেন না। নির্ধারিত কর্মঘণ্টার ব্যত্যয় ঘটিয়ে গণপরিবহন চালালে সড়ক দুর্ঘটনার ঝুঁকি বাড়ে। তাই সড়ক দুর্ঘটনা প্রতিরোধে সংশ্লিষ্ট মোটরযান মালিক ও চালকদের নির্ধারিত সময় মেনে দায়িত্ব পালনের অনুরোধ জানানো হয়েছে।
নির্দেশনা অমান্য করলে সংশ্লিষ্ট চালকের ড্রাইভিং লাইসেন্স এবং যানবাহনের রেজিস্ট্রেশন বাতিল করা হবে বলেও হুঁশিয়ারি দিয়েছে বিআরটিএ। এ ছাড়া যানবাহন চলাচল স্বাভাবিক রাখতে প্রয়োজন হলে সড়ক পরিবহন ও মহাসড়ক বিভাগের কেন্দ্রীয় নিয়ন্ত্রণ কক্ষের নম্বরে যোগাযোগ করার অনুরোধ করা হয়েছে।
অন্যদিকে অতিরিক্ত ট্রিপের আশায় চালকদের ওপর বাড়তি মানসিক ও শারীরিক চাপ না দিতে বাস মালিকদের সতর্ক করা হয়েছে। নিয়ম অমান্যকারীদের চিহ্নিত করতে মহাসড়কগুলোতে বিআরটিএর বিশেষ নজরদারি টিম কাজ শুরু করবে।
সময়ের আলো/জেডি