অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী জানিয়েছেন, এবারের কোরবানির ঈদকে কেন্দ্র করে নিত্যপ্রয়োজনীয় জিনিসপত্রের দাম বাড়েনি, বরং আগের চেয়ে কিছুটা কমেছে। সরকার এই ইতিবাচক ধারা বজায় রাখতে চায় এবং সাধারণ মানুষের ক্রয়ক্ষমতার মধ্যে বাজারমূল্য ধরে রাখতে আপ্রাণ চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে।
তিনি স্পষ্ট করে বলেন, দেশের অর্থনৈতিক অগ্রগতির প্রকৃত সুফল সাধারণ মানুষের কাছে পৌঁছাতে হবে।
বৃহস্পতিবার (২৮ মে) চট্টগ্রামে নিজের বাড়ির পাশের মসজিদে পবিত্র ঈদুল আজহার নামাজ আদায় শেষে সাংবাদিকদের বিভিন্ন প্রশ্নের জবাবে অর্থমন্ত্রী এসব কথা বলেন। তিনি নগরের উত্তর কাট্টলী দারুস সালাম জামে মসজিদে ঈদের নামাজ সম্পন্ন করেন।
আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী বলেন, "জিনিসপত্রের দাম যদি সাধারণ মানুষের নাগালের বাইরে চলে যায়, তবে তারা নানা সুবিধা থেকে বঞ্চিত হয়। আমরা বাজার পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখার সর্বোচ্চ চেষ্টা করছি। আশা করা যায়, পণ্যের দাম পর্যায়ক্রমে আরও কমে আসবে।"
বৈশ্বিক ও অভ্যন্তরীণ অর্থনৈতিক সংকট নিয়ে অর্থমন্ত্রী বলেন, বৈশ্বিক প্রেক্ষাপট ও মধ্যপ্রাচ্যের চলমান যুদ্ধ পরিস্থিতির একটি বড় প্রভাব আমাদের বাজারে রয়েছে। এর পাশাপাশি বিগত সরকারগুলোর রেখে যাওয়া ভঙ্গুর ও বিপর্যস্ত অর্থনীতিকে একটি সঠিক জায়গায় ফিরিয়ে আনার বড় চ্যালেঞ্জ মোকাবিলা করতে হচ্ছে বর্তমান সরকারকে। কেবল অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধির হিসাব করলেই হবে না, বরং বাস্তবমুখী পদক্ষেপের মাধ্যমে অর্থনৈতিক স্থিতিশীলতা ফেরাতে হবে। সমৃদ্ধির পথে এগিয়ে যাওয়ার জন্য অর্থনীতিকে পুনর্গঠন করা জরুরি।
দেশবাসীর প্রতি আহ্বান জানিয়ে অর্থমন্ত্রী বলেন, "একটি নির্বাচিত সরকার হিসেবে আমরা জনগণের কাছে সম্পূর্ণ দায়বদ্ধ। এটি সাধারণ মানুষের কল্যাণের সরকার এবং আমরা একটি প্রকৃত কল্যাণকামী রাষ্ট্র গঠনের লক্ষ্য নিয়ে কাজ করছি। ধসে পড়া অর্থনীতিকে সংস্কার করে সামনের দিকে এগিয়ে নিতে দেশের মানুষের কাছে আমরা কিছুটা সময় চাচ্ছি।"
সময়ের আলো/জেডি