বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী ও জাতীয় নাগরিক পার্টির ‘এনসিপি’ নেতাদের এবারের ঈদুল আজহার কোরবানির পশুর বিপুল সংখ্যা এবং তাদের রাজনৈতিক অর্থের উৎস নিয়ে তীব্র কটাক্ষ ও সমালোচনামূলক মন্তব্য করেছেন বিএনপি নেতা মুহাম্মদ রাশেদ খান। তিনি ব্যঙ্গ করে বলেছেন, ‘জামায়াত-এনসিপির টাকা মানেই জান্নাতের টাকা! তাই এই হালাল টাকা নিয়ে প্রশ্ন তুললে জাহান্নামে যেতে হবে, এই ভয়ে বিপ্লবীরা মুখে কুলুপ এঁটে বসে আছে!’
শনিবার (৩০ মে) দুপুরে নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে দেওয়া এক বিশেষ পোস্টে তিনি এই মন্তব্য করেন।
সাবেক গণঅধিকার পরিষদের এই শীর্ষ নেতা নিজের ফেসবুক পোস্টে দেশের প্রধান রাজনৈতিক দলগুলোর নেতাদের কোরবানি দেওয়ার একটি তুলনামূলক পরিসংখ্যান তুলে ধরেন। তিনি তার পোস্টে লেখেন, ‘জামায়াত এমপি নুরুল ইসলাম বুলবুল ৬৫টি গরু কুরবানি করেছে এবং নোয়াখালী-৫ আসনের জামায়াতের এমপি প্রার্থী অধ্যক্ষ মোহাম্মদ বেলায়েত হেসেন একাই ১০০টি গরু কোরবানি দিয়েছে। কিন্তু বিপরীতে বিএনপি সরকারের প্রভাবশালী মন্ত্রী শহীদউদ্দিন চৌধুরী এ্যানি মাত্র ৬টি গরু কোরবানি দিয়েছে। অথচ বিএনপির নেতার কোরবানি নিয়ে তো রীতিমতো সাংবাদিক সম্মেলন করে অর্থের উৎস জানতে চাওয়া হয়েছে!’
রাশেদ খান জামায়াত ও এনসিপির বিপুল অর্থ ব্যয়ের সমালোচনা করে আরও লেখেন, বর্তমানে দেশজুড়ে সর্বত্রই ঐতিহ্যবাহী রাজনৈতিক দল বিএনপি এবং নতুন রাজনৈতিক শক্তি জামায়াত-এনসিপি জোটের খরচের তারতম্য ও ব্যবধান প্রায় এই রকম আকাশপাতাল।
এমনকি সম্প্রতি সমাপ্ত দেশের সাধারণ নির্বাচনেও দলগুলোর নির্বাচনী খরচের পার্থক্য ঠিক এমনটাই ছিল। জামায়াত ও এনসিপি নেতাদের এই বিপুল অর্থের উৎস নিয়ে তথাকথিত বিপ্লবীরা কোনো প্রশ্ন তুলছেন না বলে তিনি পোস্টে তীব্র ক্ষোভ প্রকাশ করেন।
সময়ের আলো/টিএইচ