দীর্ঘ দুই যুগের অপেক্ষা ফুরিয়েছে, ফুটবল বিশ্বকাপের বিশ্বমঞ্চে আবারও ফিরছে তুরস্ক। বিশ্বমঞ্চের এই প্রত্যাবর্তনকে স্মরণীয় করে রাখতে উদীয়মান ও অভিজ্ঞ তারকার মিশেলে ২৬ সদস্যের শক্তিশালী চূড়ান্ত স্কোয়াড ঘোষণা করেছে তুর্কিরা।
প্রত্যাশিতভাবেই এই দলটির মূল কান্ডারি হিসেবে থাকছেন রিয়াল মাদ্রিদের তরুণ সেনসেশন আরদা গুল। তার সঙ্গে থাকছেন জুভেন্টাসের ফরোয়ার্ড কেনান ইলদিজ এবং ইন্টার মিলানের অভিজ্ঞ মিডফিল্ডার ও অধিনায়ক হাকান চালহানোগ্লু।
তুরস্কের এই স্কোয়াডের সবচেয়ে বড় শক্তি তাদের ইউরোপ কাঁপানো আক্রমণভাগ ও মাঝমাঠ। রিয়াল মাদ্রিদের আরদা গুলের ক্লাব ফুটবলে দুর্দান্ত এক মৌসুম কাটিয়েছে। উয়েফা চ্যাম্পিয়ন্স লিগের ‘সেরা উদীয়মান খেলোয়াড়’-এর পুরস্কার জিতেই বিশ্বকাপের মঞ্চে খেলবেন প্রতিভাবান এই প্লে-মেকার।
অন্যদিকে জুভেন্টাসের ২১ বছর বয়সি উইঙ্গার কেনান ইলদিজ প্রতিপক্ষের রক্ষণভাগে রীতিমতো ত্রাস সৃষ্টি করেছেন। এই দুই তরুণের মাথার ওপর অভিজ্ঞতার ছাতা হয়ে আছেন অধিনায়ক হাকান চালহানোগ্লু, যার নিখুঁত পাসিং, দূরদর্শিতা এবং ফ্রি-কিক পারদর্শিতা প্রধান কোচ ভিনচেনজো মন্তেল্লার মিডফিল্ডের মূল চালিকাশক্তি।
তুরস্কের গোলপোস্ট সামলানোর দায়িত্বে থাকছেন ম্যানচেস্টার ইউনাইটেডের আলতাই বাইইন্দির। তার সঙ্গে রয়েছেন মের্ত গুনোক ও উগুরচান চাকির। রক্ষণভাগ সুসংহত করার দায়িত্বে থাকছেন আব্দুল কারিম বারদাকচি, চাগলার সোইউনজু, এরেন এলমালি, ফের্দি কাদিওলো, মেরিহ ডেমিরাল, মের্ত মুলদুর, ওজান কাবাক, সামেত আকাইদিন ও জেকি চেলিক।
মাঝমাঠে অধিনায়ক চালহানোগ্লুর সঙ্গে শক্তি বাড়াবেন ইসমাইল ইউকসেক, কান আয়হান, ওরকুন কোকচু ও সালিহ ওজচান। আর আক্রমণভাগে গুলের ও ইলদিজের সঙ্গে প্রতিপক্ষের ডিফেন্স ভাঙার গুরুদায়িত্ব পালন করবেন বারিশ আলপের ইলমাজ, জান উজুন, ডেনিজ গুল, ইরফান জান কাহভেচি, কেরেম আক্তরকোলো, ওগুজ আয়দিন এবং ইউনুস আকগুন।
তুরস্কের বিশ্বকাপ স্কোয়াড
গোলরক্ষক : আলতাই বাইইন্দির, মের্ত গুনোক, উগুরচান চাকির।
ডিফেন্ডার : আব্দুল কারিম বারদাকচি, চাগলার সোইউনজু, এরেন এলমালি, ফের্দি কাদিওলো, মেরিহ ডেমিরাল, মের্ত মুলদুর, ওজান কাবাক, সামেত আকাইদিন, জেকি চেলিক।
মিডফিল্ডার : হাকান চালহানোগ্লু, ইসমাইল ইউকসেক, কান আয়হান, ওরকুন কোকচু, সালিহ ওজচান।
ফরোয়ার্ড : আরদা গুলের , কেনান ইলদিজ, বারিশ আলপের ইলমাজ, জান উজুন, ডেনিজ গুল, ইরফান জান কাহভেচি, কেরেম আক্তরকোলো, ওগুজ আয়দিন, ইউনুস আকগুন।
/এসএকে