অপপ্রচার ও ‘ফেক নিউজ’ (ভুয়া খবর) মোকাবিলায় সাধারণ মানুষের চেয়ে দেশের নীতিনির্ধারকদের আগে সচেতন হওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন তথ্য ও সম্প্রচারমন্ত্রী জহির উদ্দিন স্বপন।
শনিবার (৬ জুন) দুপুরে রাজধানীর ইঞ্জিনিয়ার্স ইনস্টিটিউশনে জাতীয়তাবাদী আইসিটি ফোরাম আয়োজিত ‘ফেক নিউজ’ বিষয়ক এক গোলটেবিল বৈঠকে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এই পরামর্শ দেন।
তথ্যমন্ত্রী বলেন, ‘ফেক নিউজের মতো বৈশ্বিক সমস্যার টেকসই সমাধান করতে চাইলে সাধারণ জনগণের আগে আমাদের নীতিনির্ধারকদের সচেতন ও দূরদর্শী হতে হবে। প্রযুক্তিগত পরিবর্তনের এই যুগে সমসাময়িক বিশ্বের রাষ্ট্রনায়করা যে পাঁচটি প্রধান বৈশ্বিক চ্যালেঞ্জ নিয়ে কথা বলেছেন, তার অন্যতম একটি হলো কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা বা এআই।’
তিনি উল্লেখ করেন, দেশের সীমান্ত নিরাপত্তার বিষয়টির সঙ্গেও এখন ডিজিটাল অ্যাক্সেসের সংযোগ রয়েছে। তাই রাষ্ট্র পরিচালনায় একদিকে যেমন এআই বা উন্নত প্রযুক্তির ব্যবহার বাড়াতে হবে, ঠিক তেমনই এর অপব্যবহারের ঝুঁকিগুলোকেও সমানভাবে প্রাধান্য দিয়ে সতর্ক থাকতে হবে।
বিশেষজ্ঞদের মতামতের ওপর বর্তমান সরকারের গুরুত্ব দেওয়ার বিষয়টি স্পষ্ট করে জহির উদ্দিন স্বপন বলেন, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নেতৃত্বাধীন সরকারের সব ধরনের নীতি নির্ধারণী ও উন্নয়নমূলক কার্যক্রমে আগের চেয়ে বিশেষজ্ঞদের বেশি বেশি অন্তর্ভুক্ত করা হচ্ছে। সরকারের এই জনকল্যাণমুখী ও অন্তর্ভুক্তিমূলক উদ্যোগের পরও কিছু সুনির্দিষ্ট গোষ্ঠী অনবরত সরকারের সমালোচনা করে চলেছে।
তথ্যমন্ত্রী তার বক্তব্যে সমস্যার চেয়ে সমাধানের ওপর জোর দিয়ে বলেন, ফেক নিউজের মারাত্মক প্রভাব ও এর ভয়াবহতা নিয়ে ইতিমধ্যে অনেক তাত্ত্বিক আলোচনা হয়েছে, এখন আর আলোচনার সময় নেই, বরং মাঠপর্যায়ে এর কার্যকরী সমাধানের সময় এসেছে।
দেশের গণমাধ্যমকে আরও স্বাধীন ও জবাবদিহিমূলক করার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে জানিয়ে তিনি বলেন, স্বাধীন গণমাধ্যমের সুরক্ষায় একটি শক্তিশালী কমিশন গঠনের কাজ ইতিমধ্যেই আনুষ্ঠানিকভাবে শুরু করেছে সরকার।
সময়ের আলো/জেডি