ওপারে সীমান্ত বৈঠক, এপারে পুশইন

নিজস্ব প্রতিবেদক

জাতীয়

ভারত-বাংলাদেশ সীমান্তে ‘পুশইন’ ইস্যু নতুন করে উত্তেজনা সৃষ্টি করেছে। দিল্লিতে বিজিবি ও ভারতের সীমান্তরক্ষী বাহিনী বিএসএফের মহাপরিচালক পর্যায়ের সম্মেলন চলাকালেও

2026-06-09T01:01:29+00:00
2026-06-09T01:01:48+00:00
 
  মঙ্গলবার, ৯ জুন ২০২৬,
২৬ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
মঙ্গলবার, ৯ জুন ২০২৬
জাতীয়
ওপারে সীমান্ত বৈঠক, এপারে পুশইন
নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশ: মঙ্গলবার, ৯ জুন, ২০২৬, ১:০১ এএম  আপডেট: ০৯.০৬.২০২৬ ১:০১ এএম  (ভিজিট : ১৭)
ভারত-বাংলাদেশ সীমান্তে বিজিবি। সংগৃহীত ছবি
ভারত-বাংলাদেশ সীমান্তে ‘পুশইন’ ইস্যু নতুন করে উত্তেজনা সৃষ্টি করেছে। দিল্লিতে বিজিবি ও ভারতের সীমান্তরক্ষী বাহিনী বিএসএফের মহাপরিচালক পর্যায়ের সম্মেলন চলাকালেও আন্তর্জাতিক নিয়মের তোয়াক্কা না করে বিভিন্ন সীমান্ত দিয়ে লোকজনকে বাংলাদেশে ঠেলে দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে ভারতের বিরুদ্ধে। 

এ পরিস্থিতিতে সীমান্ত এলাকায় নজরদারি জোরদার করেছে বিজিবি। বাহিনীটির সঙ্গে যোগ দিয়ে স্থানীয় বাসিন্দা, আনসার ও গ্রাম প্রতিরক্ষা বাহিনীর সদস্যরাও পুশইন প্রতিরোধে সক্রিয় ভূমিকা পালন করছেন।

ভারতের রাজধানী দিল্লিতে গতকাল সোমবার থেকে শুরু হয়ে হয়েছে চার দিনব্যাপী বিশেষ সম্মেলন।

এদিকে দেশের সীমান্তবর্তী এলাকার বাসিন্দারা এখন দেশপ্রেমের পরীক্ষা দিচ্ছে। ভারতের অবৈধ পুশইন ঠেকাতে বর্ডার গার্ড বাংলাদেশের (বিজিবি) পাশে ঢাল হয়ে দাঁড়াচ্ছে সীমান্তবর্তী সাধারণ মানুষ। অকুতোভয় এসব মানুষ নির্ভয়ে উচ্চারণ করছে- ভারতের বন্দুকের নল দেখে তারা ভয় পান না। পুশইন প্রতিরোধে বিজিবি গড়ে তুলেছে কঠোর নজরদারি। 

স্থানীয়দের সঙ্গে নিয়ে গড়ে তুলেছে কঠিন প্রতিরক্ষা ব্যুহ। করা হচ্ছে সচেতনতামূলক সভা। ফলে অনেক স্থানে পুশইন করার পরও বিজিবি ও স্থানীয়দের বাধার মুখে তাদের ফিরিয়ে নিতে বাধ্য হচ্ছে বিএসএফ।

এদিকে পশ্চিমবঙ্গের নয়া মুখ্যমন্ত্রী দাবি করেছেন তারা ইতিমধ্যে প্রায় ৫ হাজার জন কথিত অনুপ্রবেশকারীকে বাংলাদেশে পাঠিয়ে দিয়েছে এবং ৮ শতাধিক জনকে পাঠানোর প্রক্রিয়ায় আছে।

বাংলাদেশের পক্ষ থেকে বারবার বলা হয়েছে, কোনো ব্যক্তি যদি বাংলাদেশের নাগরিক বলে প্রমাণিত হয়, তবে তাদের পুশইন না করে আনুষ্ঠানিক আইনি ও কূটনৈতিক প্রক্রিয়ায় ফেরত পাঠাতে হবে। তবে সেই কথায় কর্ণপাত করছে না ভারত সংশ্লিষ্টরা।

বিজিবির সহায়ক শক্তি হিসেবে সীমান্তে আনসার : 

দেশের সার্বভৌমত্ব রক্ষা, সীমান্ত নিরাপত্তা জোরদার ও আন্তঃসীমান্ত অপরাধ প্রতিরোধে বর্ডার গার্ড বাংলাদেশের (বিজিবি) সহায়ক শক্তি হিসেবে মাঠে নেমেছে বাংলাদেশ আনসার ও গ্রাম প্রতিরক্ষা বাহিনী।

গতকাল সোমবার বাংলাদেশ আনসার ও গ্রাম প্রতিরক্ষা বাহিনী উপপরিচালক ও গণসংযোগ কর্মকর্তা মো. আশিকউজ্জামান জানান, ২০২৫ সালে বিজিবি ও আনসার বাহিনীর মধ্যে স্বাক্ষরিত এক সমঝোতা স্মারকের আওতায় সীমান্তবর্তী এলাকায় এ সমন্বিত নিরাপত্তা কার্যক্রম শুরু হয়েছে।

সমঝোতা স্মারক অনুযায়ী রাষ্ট্রীয় প্রয়োজন ও নিরাপত্তাগত চাহিদার প্রেক্ষাপটে আনসার-ভিডিপি সদস্য-সদস্যরা বিজিবির সঙ্গে সমন্বয়পূর্বক ১১ জেলার সীমান্ত এলাকায় দায়িত্ব পালন করে আসছেন। জেলাগুলো হলো- চাঁপাইনবাবগঞ্জ, নওগাঁ, জয়পুরহাট, যশোর, ঝিনাইদহ, সাতক্ষীরা, ঠাকুরগাঁও, দিনাজপুর, সিলেট, জামালপুর এবং খাগড়াছড়ি উপজেলা/থানা আনসার ও ভিডিপি/টিডিপি সদস্য-সদস্যদের এরই মধ্যে মোতায়েন করা হয়েছে।

এ ছাড়া উদ্ভূত পরিস্থিতিতে দ্রুত সাড়া দেওয়া এবং প্রয়োজন অনুযায়ী অতিরিক্ত জনবল সরবরাহের লক্ষ্যে আনসার ব্যাটালিয়নের সদস্যদেরও প্রস্তুত ও সতর্ক অবস্থায় রাখা হয়েছে। সীমান্তে পুশইন আতঙ্ক, বিভিন্ন জেলায় বিজিবি-জনতার সতর্ক অবস্থান। 

জামালপুরে পুশইন আতঙ্ক : 

ভারত থেকে সম্ভাব্য পুশইনের আশঙ্কায় জামালপুরের সীমান্তবর্তী গ্রামগুলোতে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়েছে। গভীর রাতে মাইকিং শুনে অনেকেই লাঠি, ফালা ও দেশীয় সরঞ্জাম নিয়ে বাড়ি থেকে বের হয়ে সীমান্ত এলাকায় অবস্থান নেন। সম্প্রতি সামাজিক মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া এ রকম একটি ভিডিওতে দেখা যায়, স্থানীয় বাসিন্দারা সীমান্ত এলাকায় জড়ো হয়ে পুশইন ঠেকাতে সতর্ক অবস্থান নিয়েছেন।

ভিডিওতে বক্তব্য দেওয়া এক স্থানীয় বাসিন্দা বলেন, বিজিবিকে সাহায্য করতে এলাকাবাসী এখানে এসেছি। যেন কোনো পুশইন করতে না পারে। সাধারণ জনগণ হিসেবে বিজিবির সঙ্গে আছি। ওই ভারতের বন্দুকের নল দেখে আমরা ভয় পাই না। আমরা সামনেই আছি।

কুড়িগ্রামের রৌমারী সীমান্তে ৮ জনকে বাংলাদেশে ঠেলে দেওয়ার চেষ্টা করে বিএসএফ। তবে বিজিবি ও স্থানীয়দের বাধার মুখে তাদের ফিরিয়ে নিতে বাধ্য হয় ভারতীয় সীমান্তরক্ষী বাহিনী। কুড়িগ্রাম ব্যাটালিয়নের অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল মোহাম্মদ মাহবুব-উল-হক জানান, সীমান্তে টহল ও গোয়েন্দা নজরদারি আরও জোরদার করা হয়েছে।

এদিকে কুড়িগ্রামের সীমান্তবর্তী গ্রামগুলোতে বিজিবির পাশাপাশি স্থানীয় স্বেচ্ছাসেবকদের নিয়ে যৌথ টহল পরিচালিত হচ্ছে। এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে সীমান্তবাসীকে সতর্ক থাকার পাশাপাশি সন্দেহজনক গতিবিধি দ্রুত বিজিবিকে জানানোর আহ্বান জানানো হয়েছে।

শেরপুরের প্রায় ৪৫ কিলোমিটার সীমান্ত এলাকায়ও বাড়ানো হয়েছে নিরাপত্তাব্যবস্থা। বিজিবি হ্যান্ড মাইকে সতর্কবার্তা প্রচার করছে এবং নিয়মিত টহল চালাচ্ছে। সীমান্তঘেঁষা গ্রামগুলোতে সচেতনতামূলক সভার আয়োজন করা হচ্ছে। ময়মনসিংহ ব্যাটালিয়নের অধিনায়ক লে. কর্নেল মো. নুরুল আজিম বায়েজীদ বলেন, আন্তর্জাতিক সীমান্ত বিধি লঙ্ঘন করে কোনো ধরনের অবৈধ প্রবেশের চেষ্টা বরদাশত করা হবে না।

কুষ্টিয়ার দৌলতপুর ও মেহেরপুরের গাংনী সীমান্তেও একাধিকবার পুশইনের চেষ্টা ব্যর্থ হয়েছে। কুষ্টিয়া-৪৭ বিজিবি ব্যাটালিয়নের অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল রাশেদ কামাল রনি জানান, তেঁতুলবাড়ীয়া সীমান্ত দিয়ে ছয়জনকে বাংলাদেশে পাঠানোর চেষ্টা প্রতিহত করা হয়েছে। 

পঞ্চগড় সদর উপজেলার বড়বাড়ী-প্রধানপাড়া সীমান্তে নারী ও শিশুসহ ১০ জনকে বাংলাদেশে প্রবেশ করানোর চেষ্টা ব্যর্থ হলে তারা ৬৯ ঘণ্টা শূন্যরেখায় অবস্থান করেন। পরে বিএসএফ তাদের ভারতীয় ভূখণ্ডে সরিয়ে নেয়। বিজিবির কঠোর অবস্থানের কারণে তারা বাংলাদেশে প্রবেশ করতে পারেননি।

একইভাবে ঠাকুরগাঁওয়ের হরিপুর উপজেলার মশালগাঁও সীমান্তে অন্তঃসত্ত্বা নারী ও শিশুসহ ১১ জনকে প্রায় ৪৮ ঘণ্টা শূন্যরেখায় রাখার পর বিএসএফ নিজেদের ভূখণ্ডে ফিরিয়ে নেয়। এ ঘটনায় বিজিবি ও বিএসএফের মধ্যে দুই দফা পতাকা বৈঠক হলেও সমঝোতা হয়নি।

অন্যদিকে নওগাঁর পোরশা সীমান্ত দিয়েও কয়েকজনকে বাংলাদেশে ঠেলে পাঠানোর চেষ্টা করে ব্যর্থ হয়। নওগাঁ ব্যাটালিয়ন ১৬ বিজিবির অধিনায়ক লে. কর্নেল আরিফুল ইসলাম বলেন, অবৈধভাবে কাউকে বাংলাদেশে অনুপ্রবেশ করতে দেওয়া হবে না।

এ ছাড়া বিজিবির সিলেট ব্যাটালিয়ন জানায়, ভারত থেকে অবৈধ পুশইন ঠেকাতে সীমান্তে টহল ও নজরদারি জোরদার করার পাশাপাশি জনসচেতনতামূলক প্রচার, চিহ্নিত স্পটগুলোয় স্ট্যান্ডবাই ডিউটি, নিজস্ব ও বেসামরিক গোয়েন্দা নজরদারি জোরদার, মাইকিং, গণসংযোগ এবং স্থানীয় জনপ্রতিনিধি ও জনসাধারণের সঙ্গে মতবিনিময় সভা পরিচালনা করা হচ্ছে।

৪৮ বিজিবির অধিনায়ক কর্নেল নাজমুল হক জানান, সীমান্তে শান্তি-শৃঙ্খলা বজায় রাখা, অবৈধ অনুপ্রবেশ প্রতিরোধ এবং দেশের সার্বভৌমত্ব সুরক্ষায় বিজিবির এ উদ্যোগ স্থানীয় জনগণের মধ্যে ব্যাপক ইতিবাচক সাড়া ফেলেছে।

দফায় দফায় চি‌ঠিতে বদলায়নি পরিস্থিতি : 

পুশইন ঠেকাতে সীমান্তে বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি) শক্তভাবে প্রতিহত করছে ব‌লে জা‌নি‌য়ে‌ পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী শামা ওবা‌য়েদ ইসলাম বলেছেন, পুশইন ব‌ন্ধে ভারত‌ সরকার‌কে দফায় দফায় চি‌ঠি দি‌য়ে‌ছে বাংলা‌দেশ সরকার। পুশইন বন্ধে ১২ থে‌কে ১৩টি চিঠি দেওয়া হয়েছে ভারতকে। গতকাল সোমবার পররাষ্ট্র মন্ত্রণাল‌য়ে সাংবা‌দিক‌দের মু‌খোমু‌খি হ‌য়ে তিনি এ কথা ব‌লেন।

যা বলছে বিজিবি : 

বিজিবি বলছে, কেউ বাংলাদেশি নাগরিক হলে অবৈধভাবে সীমান্তের এ পারে পুশইন না করে আইন অনুযায়ী তাকে প্রত্যাবর্তন করা হোক। দুই রাষ্ট্র বিষয়টির সিদ্ধান্ত নেবে। তবে বিএসএফ সেই আইনি প্রক্রিয়ায় না গিয়ে অবৈধভাবে সীমান্তের এ পারে ঠেলে দিয়ে মানবাধিকার লঙ্ঘন করছে।

বিজিবি সদর দফতরের জনসংযোগ কর্মকর্তা মো. শরীফুল ইসলাম বলেন, আন্তর্জাতিক সীমান্ত ব্যবস্থাপনা, প্রচলিত আইন এবং বাংলাদেশ-ভারত দ্বিপক্ষীয় সমঝোতার পরিপন্থী কোনো ধরনের ‘পুশইন’ প্রচেষ্টা গ্রহণযোগ্য নয়। সীমান্ত দিয়ে কোনো ব্যক্তি বা গোষ্ঠীকে অবৈধভাবে বাংলাদেশে প্রবেশ করতে দেওয়া হবে না। দেশের সার্বভৌমত্ব ও সীমান্ত নিরাপত্তা রক্ষায় বিজিবি সর্বদা দৃঢ়প্রতিজ্ঞ এবং যেকোনো পরিস্থিতি মোকাবিলায় সম্পূর্ণ প্রস্তুত রয়েছে।

বিজিবি সদর দফতরের উপমহাপরিচালক (গণমাধ্যম) কর্নেল আবুল হাসনাত মাহমুদ আজম গণমাধ্যমকে বলেন, বিজিবি ও বিএসএফ মহাপরিচালক পর্যায়ের সম্মেলনে জোরপূর্বক ভারতীয় নাগরিক এবং বাস্তুচ্যুত মিয়ানমার নাগরিকদের বাংলাদেশে পুশইন বন্ধে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে উত্থাপন করা হবে। পাশাপাশি বিএসএফ, ভারতীয় নাগরিক বা দুষ্কৃতকারীদের হাতে নিরস্ত্র বাংলাদেশি নাগরিকদের হত্যা, আহত ও নির্যাতনের ঘটনা বন্ধে কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণের দাবি জানানো হবে।

তিনি আরও বলেন, সম্মেলনে অবৈধ অনুপ্রবেশ প্রতিরোধ, ভারত থেকে বাংলাদেশে মাদকদ্রব্য, অস্ত্র ও অন্যান্য নিষিদ্ধ পণ্যের চোরাচালান বন্ধ, মানব পাচার রোধ, সীমান্ত আইন লঙ্ঘন প্রতিরোধ এবং আন্তর্জাতিক সীমান্তের ১৫০ গজের মধ্যে কাঁটাতারের বেড়াসহ অন্যান্য অননুমোদিত অবকাঠামো নির্মাণ বন্ধের বিষয়েও আলোচনা হবে।

উল্লেখ্য, গত মে মাসে পশ্চিমবঙ্গের বিধানসভা নির্বাচনে বিজেপির বিজয়ের পর বাংলা ভাষাভাষী মানুষদের ‘অবৈধ বাংলাদেশি অনুপ্রবেশকারী’ হিসেবে আখ্যায়িত করে তাদের বাংলাদেশে পাঠানোর চেষ্টা করছে বলে অভিযোগ উঠেছে ভারতীয় সীমান্তরক্ষী বাহিনী বিএসএফের বিরুদ্ধে। চলতি মাসে সীমান্তে পুশইনের (জোরপূর্বক সীমান্ত অতিক্রম করিয়ে বাংলাদেশে প্রবেশ করানোর) ঘটনা উল্লেখযোগ্যভাবে বেড়েছে।

তবে সীমান্তরক্ষী বাহিনী বিজিবির কঠোর অবস্থানের কারণে পুশইনের শিকার অনেক মানুষ এখনও বিভিন্ন সীমান্ত এলাকার শূন্যরেখায় অবস্থান করছেন। তারা বাংলাদেশের অভ্যন্তরে প্রবেশ করতে পারেননি। এ অবস্থায় সুযোগ বুঝে বিএসএফ যাতে নতুন করে কাউকে পুশইন করতে না পারে, সে লক্ষ্যে সীমান্তে নজরদারি ও তৎপরতা আরও জোরদার করেছে বিজিবি।

সম্প্রতি পশ্চিমবঙ্গে বিজেপি সরকার গঠনের পর মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী দাবি করেন, নাগরিকত্ব সংশোধনী আইনের (সিএএ) আওতার বাইরে থাকা ৪ হাজার ৮০০ জন কথিত অনুপ্রবেশকারীকে ইতিমধ্যে বাংলাদেশে ফেরত পাঠানো হয়েছে। এ ছাড়া আরও ৮৩৬ জন হোল্ডিং সেন্টারে রয়েছেন, যাদের বাংলাদেশে পাঠানোর প্রস্তুতি চলছে বলে তিনি উল্লেখ করেন।

ভারত যাদের অনুপ্রবেশকারী হিসেবে চিহ্নিত করছে, তাদের প্রত্যাবাসন প্রক্রিয়া এবং এ-সংক্রান্ত দ্বিপক্ষীয় বিষয়গুলো নিয়েও বৈঠকে আলোচনা হতে পারে বলে সংশ্লিষ্ট সূত্রে ধারণা করা হচ্ছে।

সময়ের আলো/জেডি 



  বিষয়:   সীমান্ত  বৈঠক  পুশইন  ভারত  বাংলাদেশ 


Loading...
Loading...
জাতীয়- এর আরো খবর
Loading...
Loading...
© 2026 Daily Shomoyer Alo
ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক : সৈয়দ শাহনেওয়াজ করিম, আমিন মোহাম্মদ মিডিয়া কমিউনিকেশন লিমিটেড এর পক্ষে প্রকাশক মো. ফয়সাল রহমতউল্লাহ ফেরদৌস। নাসির ট্রেড সেন্টার, ৮৯, বীর উত্তম সি আর দত্ত সড়ক (সোনারগাঁও রোড), বাংলামোটর, ঢাকা।
ফোন : ৪১০৬২৩৬৮-৭৪, ফ্যাক্স : ৪১০৬২৩৭৫
সময়ের আলোর খবর পেতে ফলো করুন: