জৌলুস ফিরিয়ে টাঙ্গাইলকে আবারও সাংস্কৃতিক নগরী হিসেবে গড়ে তুলতে সরকার ইতি মধ্যে বিভিন্ন উদ্যোগ গ্রহণ করেছে বলে মন্তব্য করেছেন মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ প্রতিমন্ত্রী সুলতান সালাউদ্দিন টুকু।
শুক্রবার (১২ জুন) দুপুরে টাঙ্গাইল শহরের জরাজীর্ণ ভাসানী হল পরিদর্শন শেষে সাংবাদিকদের সাথে আলাপকালে একথা জানান তিনি।
তিনি বলেন, টাঙ্গাইলকে এক সময় সাংস্কৃতিক নগরী বলা হতো। ভাসানী হল ছিল টাঙ্গাইলের শিক্ষা, সাহিত্য ও সংস্কৃতি চর্চার অন্যতম কেন্দ্র। এই হলকে ঘিরে নাটক, সংগীত, আলোচনা সভাসহ নানা সাংস্কৃতিক কর্মকাণ্ড অনুষ্ঠিত হতো। ফলে টাঙ্গাইল সারাদেশে একটি সাংস্কৃতিক নগরী হিসেবে বিশেষ পরিচিতি লাভ করেছিল। কিন্তু দীর্ঘদিন যথাযথ রক্ষণাবেক্ষণ ও সংস্কারের অভাবে ভবনটি তার জৌলুস হারিয়েছে।
প্রতিমন্ত্রী বলেন, মওলানা ভাসানী বাংলাদেশের একজন ঐতিহাসিক প্রেক্ষাপটে তিনি নেতৃত্ব দিয়েছেন। কাজেই তার স্মৃতিবিজড়িত ভাসানী হলকে রক্ষণাবেক্ষণ করার দায়িত্ব আমাদের। যেহেতু এটি শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান এই হল উদ্বোধন করেছিলেন। সেই নগরীতে এভাবে একটি মিলনায়তন পড়ে থাকবে তা হতে পারে না।
ভাসানী হলের ঐতিহ্য ও গুরুত্ব বিবেচনায় রেখে দ্রুত সংস্কার কাজ বাস্তবায়নের আশ্বাস দেন প্রতিমন্ত্রী সালাউদ্দিন টুকু। তিনি বলেন, ভাসানী হলের পূর্ণাঙ্গ সংস্কারের জন্য প্রয়োজনীয় উদ্যোগ নেওয়া হবে। ইতিমধ্যেই আমরা উদ্যোগ নিয়েছি। দ্রুততম সময়ের মধ্যে করা সম্ভব সেটিই আমরা পদক্ষেপ নেব।
মডেল টাঙ্গাইল গড়ে তোলার জন্য সরকার কাজ করে যাচ্ছে বলেও জানান তিনি।প্রতিমন্ত্রী বলেন, টাঙ্গাইলকে একটি সাংস্কৃতিক নগরী হিসেবে গড়ে তুলতে সরকার ইতি মধ্যে বিভিন্ন উদ্যোগ গ্রহণ করেছে। সংস্কৃতি চর্চার বিকাশ, নতুন প্রজন্মকে সাংস্কৃতিক কর্মকাণ্ডের সঙ্গে সম্পৃক্ত করা জন্য কাজ করে যাচ্ছে।
ভাসানী হল পরিদর্শনকালে উপস্থিত ছিলেন গণপূর্ত বিভাগের প্রধান প্রকৌশলী খালেকুজ্জামান চৌধুরী, টাঙ্গাইলের অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক সঞ্জয় কুমার মহন্ত, জেলা বিএনপির সভাপতি হাসানুজ্জামিল শাহীন, সদর উপজেলার নির্বাহী কর্মকর্তা শাহিন মিয়া, টাঙ্গাইল প্রেসক্লাবের সাবেক সভাপতি জাফর আহমেদ, জেলা বিএনপির সাবেক সদস্য সচিব মাহমুদুল হক সানু প্রমুখ।
সময়ের আলো/আতা/জেডআই