ইসলামী ব্যাংক থেকে শেয়ার ও মালিকানা দখলের ঘটনাগুলোর বিচার এবং ‘ব্যাংক লুটেরাদের’ শাস্তির দাবিতে ‘ইসলামী ব্যাংক সচেতন গ্রাহক ফোরাম’ সাত দফা দাবি উত্থাপন করেছে। সোমবার (১৫ জুন) দুপুরে ব্যাংকটির প্রধান কার্যালয়ের সামনে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে ভুক্তভোগী শেয়ারহোল্ডার ও গ্রাহকদের পক্ষে এই দাবি জানান হয়।
সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্য উপস্থাপন করেন ফোরামের আহ্বায়ক অধ্যাপক নুর নবী মানিক। এ সময় সেখানে হাজারো ভুক্তভোগী শেয়ারহোল্ডার ও গ্রাহক উপস্থিত ছিলেন।
সংবাদ সম্মেলনে অধ্যাপক নুর নবী মানিক বলেন, সরকারের পৃষ্ঠপোষকতায় ইসলামী ব্যাংক একটি নির্দিষ্ট ব্যবসায়ী গ্রুপের হাতে তুলে দেওয়ার চক্রান্ত চলছে, যা অনতিবিলম্বে বন্ধ করতে হবে।
তিনি অভিযোগ করেন, বাংলাদেশ ব্যাংক গ্রাহকদের দাবির প্রেক্ষিতে পর্ষদ ভেঙে দিলেও নতুন পর্ষদ গঠনে যে সিদ্ধান্ত নিয়েছে, তা ব্যাংকের জন্য দীর্ঘমেয়াদে ঝুঁকিপূর্ণ। তিনি বলেন, ‘যাদের হাত ধরে ইসলামী ব্যাংক বিশ্বসেরা ব্যাংকের মর্যাদা পেয়েছিল, তাদের নেতৃত্বে ফিরিয়ে না আনলে ব্যাংকটিকে ধ্বংসের হাত থেকে রক্ষা করা সম্ভব নয়।’
বাংলাদেশ ব্যাংকের ভূমিকা নিয়ে সমালোচনা করে তিনি বলেন, ২০১৭ সালে যেভাবে জোরপূর্বক শেয়ার কেড়ে নেওয়া ও লুটপাটের ঘটনা ঘটেছিল, কেন্দ্রীয় ব্যাংক তা রুখতে ব্যর্থ হয়েছে। ৫ আগস্ট ২০২৪-এর পরবর্তী সময়েও একই ধরনের আচরণ গ্রাহকদের মধ্যে ক্ষোভের সৃষ্টি করেছে।
সংবাদ সম্মেলনে ইসলামী ব্যাংকের প্রতি অবিলম্বে আস্থা ফিরিয়ে আনতে বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নরের প্রতি উপস্থাপিত সাত দফা দাবি দ্রুত মূল্যায়ন ও বাস্তবায়নের জোর আহ্বান জানান বক্তারা।
সময়ের আলো/জেডি