প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানকে অভ্যর্থনা জানাতে সিলেটের ওসমানী আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে হাজির হয়েছিলেন সিলেট বিভাগের কয়েকজন সংসদ সদস্য। এ সময় তাদের দেখে প্রধানমন্ত্রী দ্রুত সংসদে যাওয়ার নির্দেশনা দেন। তিনি বলেন, ‘সংসদ নাই আজকে? এখানে কেন? সংসদে যান।’
বুধবার (১৭ জুন) সকাল সোয়া ১০টার দিকে ওসমানী আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে এ ঘটনা ঘটে। বিমানবন্দরে প্রধানমন্ত্রীকে স্বাগত জানাতে সাতজন সংসদ সদস্য উপস্থিত ছিলেন।
সাত সংসদ সদস্য হলেন– সিলেট-৪ আসনের সংসদ সদস্য, প্রবাসীকল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান এবং শ্রমমন্ত্রী আরিফুল হক চৌধুরী; হবিগঞ্জ-৩ আসনের সংসদ সদস্য ও জাতীয় সংসদের হুইপ জি কে গউছ; সিলেট-২ আসনের সংসদ সদস্য তাহসিনা রুশদীর লুনা; সিলেট-৩ আসনের সংসদ সদস্য এম এ মালিক; সিলেট-৬ আসনের সংসদ সদস্য এমরান আহমদ চৌধুরী, সুনামগঞ্জ-৩ আসনের সংসদ সদস্য মোহাম্মদ কয়ছর আহমেদ এবং সংরক্ষিত নারী আসনের সংসদ সদস্য শাম্মী আখতার।
মৌলভীবাজারের শ্রীমঙ্গলে ফ্যামিলি কার্ড বিতরণ কার্যক্রমের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে বক্তব্য দেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। শ্রীমঙ্গলের ভিক্টোরিয়া উচ্চবিদ্যালয় মাঠে প্রধানমন্ত্রীকে স্বাগত জানাতে বিমানবন্দরে থাকা বিএনপির একাধিক নেতা জানিয়েছেন, তারেক রহমান বিমানবন্দরে থাকা দলের নেতা, মন্ত্রী ও সংসদ সদস্যদের সঙ্গে হাত মিলিয়ে কুশল বিনিময় করেন। যখন তিনি সংসদ সদস্য এমরান আহমদ চৌধুরীর সঙ্গে হাত মেলান, তখন তিনি সংসদ সদস্যদের সংসদে যাওয়ার নির্দেশনা দেন।
বিএনপির সূত্রে জানা গেছে, প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশনা পাওয়ার পরপরই এমরান আহমদ চৌধুরী তাৎক্ষণিক ঢাকার উদ্দেশে রওনা দেন এবং বিকেলে সংসদ অধিবেশনে যোগ দেন। কয়ছর আহমেদও প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশনার পর তাৎক্ষণিক ঢাকায় ফেরেন। অন্যদের মধ্যে আরিফুল হক চৌধুরী, জি কে গউছ, তাহসিনা রুশদীর লুনা, এম এ মালিক ও শাম্মী আখতার প্রধানমন্ত্রীর গাড়িবহরের সঙ্গে মৌলভীবাজারে যান।
এ বিষয়ে ফেসবুকে এক স্ট্যাটাসে দিয়েছেন এমরান আহমদ লিখেছেন, ‘বিএনপির চেয়ারম্যান এবং মাননীয় প্রধানমন্ত্রী জনাব তারেক রহমানকে এয়ারপোর্টে স্বাগত জানানোর সময় ওনার নির্দেশমতো সঙ্গে সঙ্গেই ঢাকায় মহান জাতীয় সংসদ চলে আসি।’
এমরান আহমদ চৌধুরী এরপর লিখেছেন, ‘তারেক রহমান সংসদকে অত্যন্ত শক্তিশালী করার লক্ষ্যে কাজ করে যাচ্ছেন এবং সংসদকে সব কর্মকাণ্ডের কেন্দ্রবিন্দু করতে চাচ্ছেন। এটা থেকেই প্রতীয়মান হয় যে তিনি সংসদীয় গণতন্ত্রকে কতটুকু গুরুত্ব দেন। এটাই আমাদের জনপ্রিয় প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।’
সময়ের আলো/আআ