বগুড়ার আদমদীঘি উপজেলার সান্তাহার ইউনিয়নের কায়েতপাড়া গ্রামের বাসিন্দা ট্রাকের হেলপার মো. হিরা এক সড়ক দুর্ঘটনায় গুরুতর আহত হয়ে টাকার অভাবে চিকিৎসা না করতে পেরে পঙ্গুত্বের দিকে এগিয়ে যাচ্ছেন। স্বামীর চিকিৎসার টাকা যোগাতে মানুষের দ্বারে দ্বারে ঘুরে ফিরছেন স্ত্রী মৌসুমী আক্তার।
চলতি বছরের ২৮ এপ্রিল বগুড়ার শহরের টিএমএসএস এলাকায় এক ট্রাক দুর্ঘটনায় গুরুতর আহত হলে হিরার দুটি পায়ের হাড় ভেঙে যায়। বর্তমানে প্রায় দুই মাস ধরে শয্যায় পড়ে রয়েছেন হিরা। তার দুই পায়ে রোড দিয়ে রাখা হয়েছে। একমাত্র শিশু সন্তান নিয়ে হিরার স্ত্রী এখন দিশেহারা, তিনি না পারছেন সংসারের সদস্যদের মুখে এক মুঠো অন্ন তুলে দিতে না পারছেন স্বামীর চিকিৎসা খরচ যোগাতে।
হিরার স্ত্রী মৌসুমী জানান, দুর্ঘটনার পর হিরাকে বগুড়া টিএমএসএস হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। সেখানে চিকিৎসার জন্য প্রায় তিন লাখ টাকা খরচ হয়ে যায়। সংসারে যেটুকু সঞ্চয় ছিল স্বামীর চিকিৎসা খরচ করে এখন আমরা একেবারে পথে বসেছি। চিকিৎসা করতে না পারার কারণে আমার স্বামী দিনে দিনে পঙ্গুত্বের দিকে এগিয়ে যাচ্ছে। তার একটি পায়ের পাতা পচন ধরেছে। প্রচণ্ড যন্ত্রণার কারণে সে দিন রাত ঘুমাতে পারেন না।
স্বামীর চিকিৎসা খরচ যোগার করতে না পেরে অনেকের কাছে সহায়তার জন্য গিয়েছি কিন্তু কেউ আমাদের পাশে এসে দাড়াননি, বলেও জানান এই গৃহবধূ।
এ বিষয়ে সান্তাহার ইউনিয়ন পরিষদের প্যানেল চেয়ারম্যান নাজিম উদ্দীন বলেন, হিরা আমার গ্রামের বাসিন্দা,তার চিকিৎসা সহায়তার জন উপজেলা সমাজসেবা কার্যালয়ে আবেদন করা হয়েছে ।
তিনি এলাকার বিত্তবান মানুষের কাছে তার স্বামীর চিকিৎসা সহায়তার জন্য আকুল আবেদন করেছেন। তার বিকাশ নম্বর -০১৭২৩০৬১০৬১।
সময়ের আলো/আতা