দেশের বাজারে আবারও কমেছে স্বর্ণ ও রুপার দাম। বাংলাদেশ জুয়েলার্স অ্যাসোসিয়েশন (বাজুস) সর্বশেষ মূল্য সমন্বয়ের মাধ্যমে দুই মূল্যবান ধাতুর দাম কমিয়েছে।
শনিবার (২৭ জুন) থেকে দেশের সব জুয়েলারি প্রতিষ্ঠানে কার্যকর রয়েছে নতুন দাম।
গত ২৫ জুন বাজুস এক বিজ্ঞপ্তিতে জানায়, স্থানীয় বাজারে তেজাবি স্বর্ণ (পিওর গোল্ড) ও রুপার দাম কমে যাওয়ায় সার্বিক পরিস্থিতি বিবেচনায় নতুন মূল্য নির্ধারণ করা হয়েছে। এতে প্রতি ভরি স্বর্ণের দাম কমেছে ২ হাজার ২১৬ টাকা এবং রুপার দাম কমেছে ৩৫০ টাকা।
নতুন মূল্য অনুযায়ী, ভ্যাটসহ প্রতি ভরি (১১.৬৬৪ গ্রাম) ২২ ক্যারেট স্বর্ণ বিক্রি হচ্ছে ২ লাখ ২৩ হাজার ৭৪ টাকায়। এছাড়া ২১ ক্যারেটের স্বর্ণের দাম ২ লাখ ১৩ হাজার ৪৩ টাকা, ১৮ ক্যারেটের ১ লাখ ৮২ হাজার ৯৫০ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতির স্বর্ণের দাম ১ লাখ ৪৯ হাজার ৪৭৪ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে।
অন্যদিকে, প্রতি ভরি ২২ ক্যারেট রুপার দাম নির্ধারণ করা হয়েছে ৪ হাজার ৪৯১ টাকা। ২১ ক্যারেট রুপা বিক্রি হচ্ছে ৪ হাজার ২৫৭ টাকা, ১৮ ক্যারেট ৩ হাজার ৬৭৪ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতির রুপার দাম ২ হাজার ৭৪১ টাকা।
বাজুস জানিয়েছে, পরবর্তী ঘোষণা না দেওয়া পর্যন্ত এই দামই দেশের সব জুয়েলারি প্রতিষ্ঠানে কার্যকর থাকবে। তবে অলঙ্কারের নকশা ও কারুকাজ অনুযায়ী মজুরি যোগ হবে। স্বর্ণালঙ্কারের বিক্রয়মূল্যের মধ্যেই ভ্যাট অন্তর্ভুক্ত থাকায় গ্রাহকদের কাছ থেকে আলাদাভাবে ভ্যাট নেওয়া যাবে না। এছাড়া অলঙ্কার এক্সচেঞ্জ ও পারচেজের ক্ষেত্রে সুনির্দিষ্ট ভ্যাট, মজুরি ও পাথরের মূল্য বাদ দিয়ে আগের নিয়মই বহাল থাকবে। রুপার অলঙ্কারের ভ্যাট বিষয়ে পরে সিদ্ধান্ত জানানো হবে।
এর আগে, ২৪ জুনও স্বর্ণের দাম কমিয়েছিল বাজুস। সেদিন প্রতি ভরি ২২ ক্যারেট স্বর্ণের দাম ৫ হাজার ৪৮২ টাকা কমিয়ে ২ লাখ ২৫ হাজার ২৯০ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছিল।
চলতি বছরে এখন পর্যন্ত স্বর্ণের দাম ৮১ বার সমন্বয় করা হয়েছে। এর মধ্যে ৪০ বার দাম বেড়েছে, ৪০ বার কমেছে এবং একবার ভ্যাট সমন্বয় করা হয়েছে। অন্যদিকে, রুপার দাম সমন্বয় করা হয়েছে ৪৯ বার, এর মধ্যে ২৪ বার বেড়েছে এবং ২৫ বার কমেছে।
২০২৫ সালে দেশের বাজারে স্বর্ণের দাম ৯৩ বার পরিবর্তন করা হয়েছিল, যার মধ্যে ৬৪ বার বেড়েছিল এবং ২৯ বার কমেছিল। একই বছরে রুপার দাম সমন্বয় করা হয় ১৩ বার, এর মধ্যে ১০ বার বেড়েছিল এবং ৩ বার কমেছিল।
সময়ের আলো/এসএকে