২০২৬-২৭ অর্থবছরের প্রস্তাবিত বাজেটে অপ্রদর্শিত অর্থ বা কালো টাকা সাদা করার আলোচিত বিধানটি পুরোপুরি বাতিলের আহ্বান জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। নিয়মটি নিয়ে জনমনে নেতিবাচক প্রতিক্রিয়া তৈরি হওয়ায় তা প্রত্যাহারের পক্ষে অবস্থান নিয়েছেন তিনি। সোমবার (২৯ জুন) জাতীয় সংসদে প্রস্তাবিত বাজেটের ওপর সাধারণ আলোচনায় অংশ নিয়ে অর্থ ও পরিকল্পনা মন্ত্রীর প্রতি এই অনুরোধ জানান প্রধানমন্ত্রী।
বাজেট বক্তৃতায় প্রধানমন্ত্রী শুধু কালো টাকা সাদা করার সুযোগ বাতিলের দাবিই জানাননি, বরং দেশের অর্থনীতি ও সাধারণ মানুষের সুবিধার্থে কর ও শুল্ক ব্যবস্থায় বেশ কিছু বড় ধরনের সংস্কারের প্রস্তাবও উত্থাপন করেছেন।
জনগণের ওপর করের বোঝা কমাতে ব্যক্তিশ্রেণির করমুক্ত আয়ের সীমা বাড়ানোর প্রস্তাব করেছেন প্রধানমন্ত্রী। একই সাথে সাধারণ নাগরিকদের লেনদেন সহজ করতে ব্যাংক হিসাব খোলা এবং সম্পত্তি নিবন্ধনের ক্ষেত্রে করদাতা শনাক্তকরণ নম্বর (টিআইএন) বাধ্যতামূলক করার যে বিধান রয়েছে, তা প্রত্যাহারের আহ্বান জানান।
শিক্ষার প্রসার ও ক্ষুদ্র জাতিসত্তার কল্যাণে উচ্চশিক্ষা ও প্রান্তিক জনগোষ্ঠীর কর ছাড়ের ওপর জোর দেন প্রধানমন্ত্রী। তিনি বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর ওপর আরোপিত করের হার কমানোর পাশাপাশি ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠীর জন্য করমুক্ত সুবিধা আরও সম্প্রসারণের প্রস্তাব দেন।
দেশীয় শিল্প ও উৎপাদন খাতকে চাঙ্গা করতে আমদানি শুল্ক কমানোর তাগিদ দিয়েছেন সরকারপ্রধান। বিশেষ করে সম্ভাবনাময় চিংড়ি খাত, উৎপাদনমুখী শিল্প এবং অন্যান্য দেশীয় শিল্পে ব্যবহৃত কাঁচামাল আমদানির ক্ষেত্রে কর ও শুল্কের হার কমানোর আহ্বান জানান তিনি।
সময়ের আলো/জেডি