চট্টগ্রামের সীতাকুণ্ডে গাছ কেটে ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়ক অবরোধের ঘটনায় ৮০ জনকে আসামি করে মামলা দায়ের করেছে সড়ক ও জনপথ (সওজ) অধিদপ্তর। মামলার পর অভিযান চালিয়ে দুইজনকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। তবে তদন্তের স্বার্থে মামলার বাদী ও গ্রেফতার ব্যক্তিদের পরিচয় প্রকাশ করা হয়নি।
সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, মঙ্গলবার (৩০ জুন) সুপ্রিম কোর্টের আপিল বিভাগের রায়ে চট্টগ্রাম-৪ (সীতাকুণ্ড) আসনে নির্বাচিত সংসদ সদস্য অধ্যাপক লায়ন আসলাম চৌধুরীর প্রার্থিতা বাতিল করা হয়। রায়ের এই খবর ছড়িয়ে পড়ার পর বিএনপির নেতাকর্মীরা উপজেলার বড়দারোগারহাট, বাড়বকুণ্ড, কুমিরা, ভাটিয়ারি ও সোনাইছড়িসহ বিভিন্ন এলাকায় বিক্ষোভ মিছিল, সমাবেশ ও সড়ক অবরোধ কর্মসূচি পালন করেন।
একপর্যায়ে কয়েকটি স্থানে সরকারি গাছ কেটে মহাসড়কে ফেলে ব্যারিকেড সৃষ্টি করা হয়। এতে দেশের অন্যতম ব্যস্ততম ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কে দীর্ঘ যানজটের সৃষ্টি হয় এবং চরম ভোগান্তিতে পড়েন হাজারো যাত্রী।
পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে চট্টগ্রাম জেলা পুলিশের নেতৃত্বে বিপুলসংখ্যক পুলিশ সদস্য, সীতাকুণ্ড উপজেলা প্রশাসন এবং ফায়ার সার্ভিসের কর্মীরা ঘটনাস্থলে পৌঁছে কাটা গাছ অপসারণ করেন। পরে মহাসড়কে যান চলাচল স্বাভাবিক হয়।
এ ঘটনায় সরকারি গাছ কাটার অভিযোগে মঙ্গলবার রাতেই সড়ক ও জনপথ অধিদপ্তরের পক্ষ থেকে সীতাকুণ্ড থানায় মামলা দায়ের করা হয়। মামলায় ৮০ জনকে আসামি করা হয়েছে। এরপর পুলিশ অভিযান চালিয়ে দুইজনকে গ্রেফতার করে।
সীতাকুণ্ড থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. মহিনুল ইসলাম বলেন, গাছ কেটে মহাসড়কে ব্যারিকেড দেওয়ার ঘটনায় সওজ কর্তৃপক্ষ ৮০ জনকে আসামি করে মামলা করেছেন। এ ঘটনায় দুইজনকে গ্রেফতার করা হয়েছে।
তিনি বলেন, তদন্তের স্বার্থে আপাতত বাদী ও গ্রেফতার ব্যক্তিদের পরিচয় প্রকাশ করা হচ্ছে না। অভিযান অব্যাহত রয়েছে। তাছাড়া এ ঘটনায় জড়িতদের আইনের আওতায় আনা হবে।
সময়ের আলো/আতা