৩৯ সংসদীয় কমিটি এখনও গঠন হয়নি

রফিকুল ইসলাম সবুজ

জাতীয়

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের দ্বিতীয় অধিবেশন শেষের পথে। কিন্তু এখনও ৩৯টি সংসদীয় স্থায়ী কমিটি গঠন না হওয়ায় সরকারের বিভিন্ন মন্ত্রণালয়ের ওপর

2026-07-06T00:34:23+00:00
2026-07-06T00:34:23+00:00
 
  সোমবার, ৬ জুলাই ২০২৬,
২২ আষাঢ় ১৪৩৩
সোমবার, ৬ জুলাই ২০২৬
জাতীয়
৩৯ সংসদীয় কমিটি এখনও গঠন হয়নি
রফিকুল ইসলাম সবুজ
প্রকাশ: সোমবার, ৬ জুলাই, ২০২৬, ১২:৩৪ এএম 
সংসদ ভবন। ছবি : সংগৃহীত
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের দ্বিতীয় অধিবেশন শেষের পথে। কিন্তু এখনও ৩৯টি সংসদীয় স্থায়ী কমিটি গঠন না হওয়ায় সরকারের বিভিন্ন মন্ত্রণালয়ের ওপর সংসদীয় নজরদারি কার্যক্রম পুরোপুরি শুরু হয়নি। সংসদ সচিবালয় ও সরকারি দলের একাধিক সূত্র জানিয়েছে, সভাপতিদের তালিকা প্রায় চূড়ান্ত। চলতি দ্বিতীয় অধিবেশনেই গুরুত্বপূর্ণ আরও কয়েকটি কমিটি গঠন করা হবে। আর বেশিরভাগ কমিটি গঠিত হবে পরবর্তী তৃতীয় অধিবেশনে।

এরই মধ্যে পরিকল্পনা, অর্থ এবং আইন, বিচার ও সংসদ বিষয়ক মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত তিনটি স্থায়ী কমিটি গঠন করা হয়েছে। পরিকল্পনা মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত কমিটির সভাপতি হয়েছেন বিএনপির সিনিয়র নেতা ড. আবদুল মঈন খান। অর্থ মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত কমিটির সভাপতি বিএনপির সংসদ সদস্য মুশফিকুর রহমান এবং আইন, বিচার ও সংসদ বিষয়ক মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত কমিটির সভাপতি হয়েছেন বাংলাদেশ জাতীয় পার্টির চেয়ারম্যান ব্যারিস্টার আন্দালিব রহমান পার্থ। এসব কমিটিতে সরকারি দলের পাশাপাশি বিরোধী দলগুলোর সদস্যদেরও রাখা হয়েছে।

সংবিধান এবং জাতীয় সংসদের কার্যপ্রণালি বিধি অনুযায়ী সংসদ গঠনের পর প্রথম তিন অধিবেশনের মধ্যেই সব স্থায়ী কমিটি গঠন বাধ্যতামূলক। এখন পর্যন্ত ৫০টি সংসদীয় কমিটির মধ্যে গঠন করা হয়েছে মাত্র ১১টি। এর মধ্যে সংসদ সংক্রান্ত ৮টি এবং বিভিন্ন মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত মাত্র ৩টি স্থায়ী কমিটি গঠিত হয়েছে।

সংসদ সচিবালয় সূত্র জানিয়েছে, বাকি কমিটিগুলোর সম্ভাব্য সভাপতিদের তালিকা ইতিমধ্যে প্রধানমন্ত্রীর দফতর ও সরকারি দলের শীর্ষ পর্যায়ে পর্যালোচনা হয়েছে। সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়ে অভিজ্ঞতা রয়েছে এমন সাবেক মন্ত্রী ও সিনিয়র সংসদ সদস্যদের অগ্রাধিকার দেওয়া হচ্ছে। একই সঙ্গে বিরোধী দলকেও কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ কমিটির সভাপতি দেওয়ার বিষয়টি বিবেচনায় রয়েছে।

সূত্রগুলোর দাবি, জনপ্রশাসন, স্বরাষ্ট্র, স্থানীয় সরকার, শিক্ষা, স্বাস্থ্য, কৃষি, সড়ক পরিবহন ও সেতু, বিদ্যুৎ, পররাষ্ট্র, বাণিজ্য, গৃহায়ন ও গণপূর্ত, পরিবেশ, তথ্য ও সম্প্রচারসহ গুরুত্বপূর্ণ মন্ত্রণালয়গুলোর কমিটি চলতি অধিবেশনেই গঠিত হতে পারে। চলতি অধিবেশন আগামী ৯ জুলাই পর্যন্ত চলার কথা থাকলেও তা বাড়িয়ে ১৫ জুলাই পর্যন্ত করা হতে পারে বলে জানা গেছে।

সংশ্লিষ্টরা জানিয়েছেন মন্ত্রিসভায় বাদ পড়া সিনিয়র নেতা ও একাধিকবার নির্বাচিত সংসদ সদস্যরা সংসদীয় কমিটির সভাপতি হতে তৎপর হয়েছেন। বিএনপির বাইরে বিরোধী দল জামায়াতে ইসলামী ও এনসিপি এবং স্বতন্ত্র সংসদ সদস্য থেকে ১০ জন সংসদীয় কমিটির সভাপতি করা হতে পারে।


সরকারদলীয় একাধিক এমপি ও হুইপ জানান, সাধারণত সাবেক মন্ত্রী ও প্রতিমন্ত্রী নির্বাচিত হয়ে থাকলে তাদের মন্ত্রিসভায় ঠাঁই দিতে না পারলে সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত সংসদীয় কমিটির সভাপতি করা হয়। কিন্তু এবার নির্বাচিতদের অধিকাংশই নতুন এবং সাবেক মন্ত্রীদের অনেকেই মন্ত্রিসভায় স্থান পেয়েছেন। ফলে সংসদীয় কমিটির সভাপতি পদে সিনিয়র এবং নতুন এমপিদের জায়গা দেওয়া হবে। এবার স্বাস্থ্য অথবা জ্বালানি মন্ত্রণালয় সংসদীয় কমিটির সভাপতি হিসেবে ড. খন্দকার মোশাররফ হোসেন আসতে পারেন। 

এ ছাড়া গয়েশ্বর চন্দ্র রায় পরিবেশ ও জলবায়ু মন্ত্রণালয়, ড. ওসমান ফারুক শিক্ষা মন্ত্রণালয়, অ্যাডভোকেট ফজলুর রহমান মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রণালয়, আলতাফ হোসেন চৌধুরী প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়, বরকত উল্লাহ বুলু বাণিজ্য মন্ত্রণালয়, জয়নুল আবদিন ফারুক গণপূর্ত মন্ত্রণালয়, আমান উল্লাহ আমান প্রবাসী কল্যাণ অথবা শ্রম ও কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়, লুৎফুজ্জামান বাবর স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়, আলী আজগর লবি যুব ও ক্রীড়া, গোলাম মোহাম্মদ সিরাজ যোগাযোগ মন্ত্রণালয়, জয়নুল আবেদীন বেসরকারি সদস্যদের বিল ও সিদ্ধান্ত প্রস্তাব সম্পর্কিত সংসদীয় কমিটি, শামসুর রহমান শিমুল বিশ্বাস নৌপরিবহন মন্ত্রণালয় এবং দীপেন দেওয়ান পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত সংসদীয় কমিটির সভাপতি হিসেবে আলোচনায় রয়েছেন।

সভাপতি হিসেবে আরও আলোচনায় রয়েছেন আজিজুল বারী হেলাল, গিয়াস উদ্দিন কাদের চৌধুরী, হুম্মাম কাদের চৌধুরী, খায়রুল কবির খোকন, কলিম উদ্দিন আহমেদ, আবুল হোসেন খান, একেএম ফজলুল হক মিলন, আব্দুল ওয়াদুদ ভূঁইয়া, ব্যারিস্টার মাহবুব উদ্দিন খোকন, ডা. দেওয়ান মোহাম্মদ সালাহ উদ্দিন, ইসরাত সুলতানা ইলেন ভুট্টো, ড. রেজা কিবরিয়া, মো. মনিরুল হক চৌধুরী (কুমিল্লা-৬), জয়নাল আবেদীন (ফেনী-২), মজিবুর রহমান সারোয়ার (বরিশাল-৫), অধ্যক্ষ সেলিম ভূঁইয়া (কুমিল্লা-২), মোহাম্মদ শাহজাহান (নোয়াখালী-৪), মাইনুল ইসলাম খান শান্ত (মানিকগঞ্জ-২), প্রকৌশলী খালেদ হোসেন মাহবুব (ব্রাহ্মণবাড়িয়া-৩), সাঈদ আল নোমান (চট্টগ্রাম-১০), আবুল খায়ের ভূঁইয়া (লক্ষ্মীপুর-২), সারোয়ার জামাল নিজাম (চট্টগ্রাম-১৩), শাহাদাত হোসেন সেলিম (লক্ষ্মীপুর-১), ব্যারিস্টার নওশাদ জমির (পঞ্চগড়-১), শেখ ফরিদ আহমেদ (চাঁদপুর-৩), মো. কামরুজ্জামান রতন (মুন্সীগঞ্জ-৩), মো. আনোয়ারুল হক (নেত্রকোনা-২), মোস্তাফিজুর রহমান বাবুল (জামালপুর-৩), তাহসিনা রুশদির (সিলেট-২), আবুল কালাম আজাদ (টাঙ্গাইল-৭), নাসের রহমান (মৌলভীবাজার-৩), সাঈদ আহমেদ আসলাম (শরিয়তপুর-১), মোশাররফ হোসেন (বগুড়া-৪), আব্দুস সালাম পিন্টু (টাঙ্গাইল-২), এবিএম মোশাররফ হোসেন (পটুয়াখালী-৪), আবু মনসুর সাখাওয়াত হোসেন জীবন (হবিগঞ্জ-২), অধ্যাপক নজরুল ইসলাম (রাজশাহী-৫), কুষ্টিয়া-১-এর রেজা আহমেদ ও স্বতন্ত্র সংসদ সদস্য লুৎফর রহমান খান আজাদ। তবে মন্ত্রিসভার সম্প্রসারণ হলে সংসদীয় কমিটির সভাপতি হিসেবে আলোচনায় থাকা বেশ কয়েকজন মন্ত্রী হতে পারেন।

এ ছাড়া জুলাই জাতীয় সনদ অনুযায়ী বিরোধী দল থেকে এবার গুরুত্বপূর্ণ চারটি সংসদীয় কমিটির সভাপতি পদ পাচ্ছে। এগুলো হলো সরকারি প্রতিষ্ঠান কমিটি, সরকারি হিসাব সম্পর্কিত স্থায়ী কমিটি, অনুমিত হিসাব সম্পর্কিত স্থায়ী কমিটি ও বিশেষ অধিকার সম্পর্কিত স্থায়ী কমিটি। এর বাইরে এমপির আনুপাতিক হারে আরও ৬টি কমিটি জামায়াত জোট পেতে পারে বলে সংশ্লিষ্ট সূত্র জানিয়েছে। জামায়াত জোট থেকে সভাপতি হিসেবে আলোচনায় রয়েছেন জামায়াতের এটিএম আজহারুল ইসলাম, অধ্যাপক মুজিবুর রহমান, মাওলানা রফিকুল ইসলাম খান, শাহজাহান চৌধুরী, গাজী নজরুল ইসলাম, সাইফুল আলম খান মিলন ও নূরুল ইসলাম বুলবুল এবং এনসিপি থেকে আখতার হোসেন ও হাসনাত আব্দুল্লাহর নামও আসছে সম্ভাব্য সংসদীয় কমিটির সভাপতি হিসেবে।

সংসদীয় কমিটির সভাপতিদের নির্ধারিত কোনো পদমর্যাদা না থাকলেও সংসদ ভবনে সরকারিভাবে একটি অফিস পেয়ে থাকেন। এর বাইরে সিনিয়র সহকারী সচিব অথবা উপসচিব পদমর্যাদার একজন একান্ত সচিব (পিএস) ও একজন অফিস সহকারী কাম কম্পিউটার অপারেটর এবং অফিসে আপ্যায়ন খরচ বাবদ ১২ হাজার টাকা মাসিক ভাতা পেয়ে থাকেন। এ ছাড়া গাড়িতে সংসদের পতাকা ওড়াতে পারেন।

সংসদ সচিবালয়ের কর্মকর্তারা জানান, সংসদীয় কমিটির সভাপতি পদ পাওয়ার জন্য এমপিদের অনেকেই বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর ও চিফ হুইপের সঙ্গে দেখা করে আগ্রহ প্রকাশ করে বিষয়টি সংসদ নেতা তারেক রহমানের নজরে আনার অনুরোধ করছেন।

এ বিষয়ে জাতীয় সংসদের চিফ হুইপ মো. নুরুল ইসলাম মনি সময়ের আলোকে বলেন, সংসদ নেতা ও প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নির্দেশনা অনুযায়ী প্রথম অধিবেশনেই সংসদীয় কমিটি গঠনের কাজ শুরু হয়েছে। ইতিমধ্যে কয়েকটি কমিটি গঠিত হয়েছে এবং বাকিগুলোর গঠনের কাজ চলছে। সংবিধান ও কার্যপ্রণালি বিধি অনুযায়ী প্রথম তিন অধিবেশনের মধ্যেই সংসদীয় কমিটি গঠনের বাধ্যবাধকতা রয়েছে। চলতি দ্বিতীয় অধিবেশন এবং সামনে আরেকটি অধিবেশন রয়েছে। এর মধ্যেই সব সংসদীয় কমিটি গঠন করা হবে।

তিনি বলেন, সভাপতি ও সদস্য কারা হবেন তা সংসদ নেতাই ঠিক করে দেবেন। এর পর তা অনুমোদনের জন্য সংসদে উত্থাপন করা হবে।

তিনি জানান, ঐকমত্য অনুযায়ী বিরোধী দল থেকে চারটি গুরুত্বপূর্ণ সংসদীয় কমিটির সভাপতি করার বিষয়ে নীতিগত সিদ্ধান্ত রয়েছে।

এমপির আনুপাতিক হারে বিরোধী দল সভাপতি পাচ্ছে কি না জানতে চাইলে তিনি বলেন, এ বিষয়ে এখনও কোনো সিদ্ধান্ত হয়নি। সংসদ নেতা এ বিষয়ে নির্দেশনা দেবেন। এ ছাড়া স্বতন্ত্র এমপিদের মধ্য থেকে কাউকে সভাপতি করা হবে কি না সে বিষয়েও সংসদ নেতা সিদ্ধান্ত দেবেন।

বাংলাদেশের সংবিধানের ৭৬ অনুচ্ছেদের দফা (২)-এ সংসদীয় কমিটির ক্ষমতা ও কার্যাবলির বর্ণনায় বলা হয়েছে, কমিটি সংবিধান ও অন্য কোনো আইন সাপেক্ষে (ক) খসড়া বিল ও অন্যান্য আইনগত প্রস্তাব পরীক্ষা করতে পারবে; (খ) আইনের বলবৎকরণ পর্যালোচনা এবং অনুরূপ বলবৎকরণের জন্য ব্যবস্থাদি গ্রহণের প্রস্তাব করতে পারবে; (গ) জনগুরুত্বসম্পন্ন বলে সংসদ কোনো বিষয় সম্পর্কে কমিটিকে অবহিত করলে সে বিষয়ে কোনো মন্ত্রণালয়ের কাজ বা প্রশাসন বিষয়ে অনুসন্ধান বা তদন্ত করতে পারবে।


সংবিধানের ৭৬ অনুচ্ছেদের দফা (১)-এর নির্দেশনা অনুযায়ী, সংসদ সদস্যদের নিয়ে সংসদ (ক) সরকারি হিসাব কমিটি, (খ) বিশেষ অধিকার কমিটি এবং (গ) সংসদের কার্যপ্রণালি বিধিতে নির্দিষ্ট অন্যান্য স্থায়ী কমিটি গঠন করবে। একাদশ ও দ্বাদশ জাতীয় সংসদে সংসদীয় কমিটি ছিল ৫০টি। এর মধ্যে ৩৯টি মন্ত্রণালয় সংক্রান্ত স্থায়ী কমিটি এবং বাকিগুলো সংসদ সম্পর্কিত। 

সংসদ সম্পর্কিত কমিটিগুলো হচ্ছে কার্য উপদেষ্টা কমিটি, কার্যপ্রণালি বিধি সম্পর্কিত স্থায়ী কমিটি, বিশেষ অধিকার সম্পর্কিত স্থায়ী কমিটি, পিটিশন কমিটি, লাইব্রেরি কমিটি, সংসদ কমিটি, বেসরকারি সদস্যদের বিল ও বেসরকারি সদস্যদের সিদ্ধান্ত প্রস্তাব সম্পর্কিত স্থায়ী কমিটি, সরকারি প্রতিষ্ঠান কমিটি, সরকারি হিসাব সম্পর্কিত স্থায়ী কমিটি, অনুমিত হিসাব সম্পর্কিত কমিটি এবং সরকারি প্রতিশ্রুতি সম্পর্কিত স্থায়ী কমিটি।

সময়ের আলো/এসএকে


  বিষয়:   সংসদ  কমিটি  গঠন  সময়ের আলো 


Loading...
Loading...
জাতীয়- এর আরো খবর
Loading...
Loading...
© 2026 Daily Shomoyer Alo
ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক : সৈয়দ শাহনেওয়াজ করিম, আমিন মোহাম্মদ মিডিয়া কমিউনিকেশন লিমিটেড এর পক্ষে প্রকাশক মো. ফয়সাল রহমতউল্লাহ ফেরদৌস। নাসির ট্রেড সেন্টার, ৮৯, বীর উত্তম সি আর দত্ত সড়ক (সোনারগাঁও রোড), বাংলামোটর, ঢাকা।
ফোন : ৪১০৬২৩৬৮-৭৪, ফ্যাক্স : ৪১০৬২৩৭৫
সময়ের আলোর খবর পেতে ফলো করুন: