সাবেক রাষ্ট্রপতি ও স্পিকার ব্যারিস্টার জমির উদ্দিন সরকারের প্রথম জানাজা অনুষ্ঠিত হয়েছে। রোববার (১২ জুলাই) বাদ জোহর ধানমন্ডির তাকওয়া মসজিদে তার প্রথম জানাজা অনুষ্ঠিত হয়।
জানাজায় অংশ নেন আত্মীয়স্বজন ও স্থানীয় মানুষ। দুর্যোগপূর্ণ আবহাওয়ার কারণে সাবেক এ স্পিকারের মরদেহ তার গ্রামের বাড়ি পঞ্চগড়ে নিয়ে যাওয়া সম্ভব হয়নি। তবে বিকেল ৫টায় জাতীয় সংসদ ভবনের দক্ষিণ প্লাজায় দ্বিতীয় জানাজা অনুষ্ঠিত হবে। জাতীয় সংসদের নির্ধারিত জায়গাতেই তাকে দাফন করা হবে।
রোববার ভোর ৪টা ১৯ মিনিটে রাজধানীর শ্যামলীতে বাংলাদেশ স্পেশালাইজড হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় শেষনিঃশ্বাস ত্যাগ করেন ব্যারিস্টার জমির উদ্দিন সরকার। প্রবীণ এই রাজনীতিকের বয়স হয়েছিল ৯৪ বছর।
হাসপাতাল সূত্রে জানা যায়, বার্ধক্যজনিত ও বিভিন্ন শারীরিক অসুস্থতার কারণে বেশকিছু দিন ধরে তিনি বাংলাদেশ স্পেশালাইজড হাসপাতালে চিকিৎসাধীন ছিলেন। শনিবার (১১ জুলাই) রাতেই জাতীয় সংসদের ডেপুটি স্পিকার ব্যারিস্টার কায়সার কামাল হাসপাতালে গিয়ে তার শারীরিক অবস্থার খোঁজ-খবর নিয়েছিলেন।
জমির উদ্দিন সরকার ১৯৩১ সালের ১ ডিসেম্বর পঞ্চগড় জেলার তেতুঁলিয়া উপজেলার নয়াবাড়ি গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে উচ্চশিক্ষা শেষে তিনি লন্ডনের লিংকনস ইন থেকে ব্যারিস্টারি পাস করেন এবং ১৯৬০ সালে আইন পেশায় যোগ দেন। তিনি বিএনপির অন্যতম প্রতিষ্ঠাতা সদস্য এবং দলটির সর্বোচ্চ নীতিনির্ধারণী ফোরাম স্থায়ী কমিটির সদস্য ছিলেন।
দীর্ঘ রাজনৈতিক জীবনে ব্যারিস্টার জমির উদ্দিন সরকার জাতীয় সংসদের স্পিকার হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। এছাড়া অধ্যাপক এ কিউ এম বদরুদ্দোজা চৌধুরী রাষ্ট্রপতির পদ থেকে পদত্যাগ করার পর তিনি বাংলাদেশের ভারপ্রাপ্ত রাষ্ট্রপতি হিসেবেও সফলভাবে দায়িত্ব পালন করেছিলেন। এ ছাড়া বিভিন্ন মেয়াদে তিনি সরকারের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী হিসেবেও দায়িত্ব পালন করেন।
সময়ের আলো/আআ