ছাগলকাণ্ডে আলোচিত জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের (এনবিআর) সাবেক কর্মকর্তা মতিউর রহমানের বিরুদ্ধে জ্ঞাত আয়বহির্ভূত সম্পদ অর্জনের মামলায় অভিযোগ গঠন বিষয়ে আদেশের জন্য আগামী ৩ আগস্ট দিন ধার্য করেছেন আদালত।
মঙ্গলবার (২১ জুলাই) এ মামলায় অভিযোগ গঠন বিষয়ে আদেশ দেওয়ার দিন নির্ধারিত ছিল। তবে ঢাকার বিভাগীয় স্পেশাল জজ বি. এম. তারিকুল কবীর ছুটিতে থাকায় আদালত অভিযোগ গঠনের আদেশের জন্য নতুন এ তারিখ নির্ধারণ করেন।
এদিন কারাগারে থাকা মতিউর রহমানকে আদালতে হাজির করা হলেও বিচারকের অনুপস্থিতির কারণে তাকে আদালতে তোলা হয়নি। পরে আদালত প্রাঙ্গণের হাজতখানায় রেখে পুনরায় কারাগারে পাঠানো হয়।
দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) দাখিল করা অভিযোগপত্রে বলা হয়েছে, মতিউর রহমান তার সম্পদ বিবরণীতে ১ কোটি ২৪ লাখ ২৫ হাজার ২১১ টাকার সম্পদের তথ্য গোপন করেছেন। এছাড়া সরকারি ক্ষমতার অপব্যবহার, ঘুষ ও দুর্নীতির মাধ্যমে ৫ কোটি ৪০ লাখ ৯৭ হাজার ৬৭২ টাকার জ্ঞাত আয়বহির্ভূত সম্পদ অর্জন করেছেন।
মামলার তথ্য অনুযায়ী, ২০২৪ সালের ২ জুলাই মতিউর রহমান ও তার পরিবারের সদস্যদের কাছে সম্পদ বিবরণী চেয়ে পৃথক নোটিশ পাঠায় দুদক। এর পরিপ্রেক্ষিতে ওই বছরের ২৯ আগস্ট মতিউর রহমান, তার দুই স্ত্রী এবং ছেলে-মেয়েসহ পাঁচজন দুদকে সম্পদ বিবরণী জমা দেন। পরে গত ৬ জানুয়ারি তার বিরুদ্ধে মামলাটি দায়ের করা হয় এবং ১৪ জানুয়ারি তাকে গ্রেফতার করা হয়।
প্রসঙ্গত, কোরবানির জন্য ১৫ লাখ টাকা দিয়ে একটি ছাগল কেনাকে কেন্দ্র করে মুশফিকুর রহমান ইফাত নামে এক যুবক সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ব্যাপক আলোচনায় আসেন। সে সময় বিভিন্ন মাধ্যমে দাবি করা হয়, তিনি এনবিআরের সদস্য ও কাস্টমস, এক্সাইজ ও ভ্যাট আপিলাত ট্রাইব্যুনালের তৎকালীন প্রেসিডেন্ট মতিউর রহমানের ছেলে। এরপর মতিউর রহমান ও তার পরিবারের বিপুল সম্পদ নিয়ে ব্যাপক আলোচনা শুরু হয়। পরবর্তী সময়ে তাদের বিভিন্ন সম্পদ ও সম্পদের উৎস নিয়ে একের পর এক তথ্য প্রকাশ্যে আসে।
সময়ের আলো/আরবিএন