‘পুরুষ নির্যাতন দমন ও প্রতিরোধ আইন’ প্রণয়নের নির্দেশনা চেয়ে করা রিটের ওপর শুনানি শেষ হয়েছে। এ সংক্রান্ত রিট আবেদনের বিষয়ে আগামী ৬ আগস্ট আদেশের দিন ধার্য করেছেন হাইকোর্ট।
বুধবার (২৯ জুলাই) শুনানি শেষে হাইকোর্টের বিচারপতি রাজিক আল জলিল ও বিচারপতি দেবাশীষ রায় চৌধুরীর সমন্বয়ে গঠিত বেঞ্চ এ দিন ঠিক করেন।
এর আগে, আদালতে রিট আবেদনটি দায়ের করেন সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী কাজী ইলিয়াসুর রহমান। রিটে মন্ত্রিপরিষদ সচিব, প্রধানমন্ত্রীর মুখ্য সচিব, স্বরাষ্ট্র সচিব এবং আইন সচিবকে বিবাদী করা হয়।
রিট আবেদনে বলা হয়েছে, ‘পুরুষ নির্যাতন দমন ও প্রতিরোধ আইন’ প্রণয়ন করা হলে আইনের সমতা ও ন্যায়বিচার নিশ্চিত হবে এবং বিদ্যমান আইন, বিশেষ করে ‘নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনের’ সম্ভাব্য অপব্যবহারের কারণে পুরুষদের হয়রানির ঝুঁকি কমবে বলে আবেদনকারী মনে করেন। এ কারণে ‘পুরুষ নির্যাতন দমন ও প্রতিরোধ আইন’ নামে নতুন একটি আইন প্রণয়নের নির্দেশনা চাওয়া হয়েছে।
রিটে আরও বলা হয়, ‘নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইন’ এবং ‘যৌতুক আইনের’ অপব্যবহারের মাধ্যমে পুরুষদের অপ্রয়োজনীয় হয়রানি থেকে সুরক্ষা দিতে ‘পুরুষ নির্যাতন দমন ও প্রতিরোধ আইন’ প্রণয়নে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের নিষ্ক্রিয়তা ও ব্যর্থতা কেন আইনি কর্তৃত্ববহির্ভূত এবং আইনিভাবে অকার্যকর ঘোষণা করা হবে না- এ মর্মে রুল জারির আবেদন জানানো হয়েছে।
একইসঙ্গে পুরুষদের অপ্রয়োজনীয় হয়রানি থেকে সুরক্ষার লক্ষ্যে ‘পুরুষ নির্যাতন দমন ও প্রতিরোধ আইন’ প্রণয়নে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে কেন নির্দেশ দেওয়া হবে না, সে বিষয়েও রুল জারির আবেদন করা হয়েছে।
সময়ের আলো/মহু