সোনালী ব্যাংকের নারী কর্মকর্তাকে হেনস্তার ঘটনায় জড়িতদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা এবং সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া ভিডিও ও অন্যান্য অবমাননাকর কনটেন্ট অপসারণের দাবি জানিয়ে আইনি নোটিস দেওয়া হয়েছে।
রোববার (১৩ সেপ্টেম্বর) গোপালগঞ্জের কোটালীপাড়ার চিতশী গ্রামের বাসিন্দা আরিফ শেখের পক্ষে সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী মুহাম্মদ আনিছুজ্জামান সংশ্লিষ্ট সরকারি দফতর ও সংস্থার কর্মকর্তাদের এ নোটিস পাঠান।
নোটিসে তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয়, আইন মন্ত্রণালয়, বাংলাদেশ টেলিযোগাযোগ নিয়ন্ত্রণ কমিশন (বিটিআরসি), ন্যাশনাল টেলিকমিউনিকেশন মনিটরিং সেন্টার (এনটিএমসি) এবং তথ্য অধিদফতরের সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের বিবাদী করা হয়েছে।
নোটিস অনুযায়ী, গত ১০ সেপ্টেম্বর কোটালীপাড়ার একটি সোনালী ব্যাংক শাখায় দায়িত্ব পালন করছিলেন কর্মকর্তা ফৌজিয়া হক। এ সময় নিজেদের ‘মোবাইল সাংবাদিক’ ও ‘অনলাইন কনটেন্ট ক্রিয়েটর’ পরিচয় দেওয়া কয়েকজন ব্যক্তি ব্যাংকে প্রবেশ করেন।
এক গ্রাহকের পাঁচ লাখ টাকা জমার সময় সাড়ে চার হাজার টাকার হিসাবগত তারতম্যকে কেন্দ্র করে তারা অনুমতি ছাড়াই ফেসবুকে লাইভ সম্প্রচার শুরু করেন এবং ওই কর্মকর্তাকে বিভিন্ন প্রশ্ন করেন। এতে তিনি সাইবার বুলিং ও সামাজিক হেনস্তার শিকার হন বলে নোটিসে উল্লেখ করা হয়েছে।
পরে ভিডিওটি কাটছাঁট ও বিকৃত করে বিভিন্ন সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম, অনলাইন প্ল্যাটফর্ম ও সংবাদমাধ্যমে ছড়িয়ে দেওয়া হয় বলেও অভিযোগ করা হয়েছে।
নোটিসে জড়িতদের বিরুদ্ধে ফৌজদারি ব্যবস্থা এবং অনলাইনে ছড়িয়ে পড়া কনটেন্ট অপসারণে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেওয়ার দাবি জানানো হয়েছে। পাশাপাশি ব্যাংক ও গুরুত্বপূর্ণ সরকারি প্রতিষ্ঠানে অননুমোদিত প্রবেশ, অনুমতি ছাড়া ভিডিও ধারণ ও সাইবার বুলিং ঠেকাতে জাতীয় নির্দেশিকা প্রণয়নেরও দাবি জানানো হয়েছে।
সাত দিনের মধ্যে ব্যবস্থা না নিলে সংশ্লিষ্টদের বিরুদ্ধে রিট আবেদন করা হবে বলে নোটিসে সতর্ক করা হয়েছে।
সময়ের আলো/এমকে