রাজধানীর খিলখেত এলাকার সবজি ব্যবসায়ী মেছের আলীকে বিষাক্ত দ্রব্য খাইয়ে হত্যার ঘটনায় আসামি মো. রমজান আলীকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ডের আদেশ দিয়েছেন আদালত। দণ্ডপ্রাপ্ত আসামি নেত্রকোনার পূর্বধলা উপজেলার দিগজান গ্রামের মিয়া হোসেনের ছেলে।
বৃহস্পতিবার (৩০ জুলাই) ঢাকার দশম অতিরিক্ত মহানগর দায়রা জজ মোহাম্মদ শহিদুল ইসলাম এই রায় ঘোষণা করেন। আদালত মূল হত্যায় যাবজ্জীবন সাজা দেওয়ার পাশাপাশি বিষ প্রয়োগের অপরাধে আসামি রমজানকে আরও ১০ বছরের কারাদণ্ড এবং ১০ হাজার টাকা জরিমানা করেন।
রায় ঘোষণার সময় আসামি রমজান আলী আদালতে অনুপস্থিত থাকায় তার বিরুদ্ধে সাজা পরোয়ানাসহ গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি করা হয়েছে।
মামলার বিবরণে জানা যায়, ২০২৩ সালের ২০ মে রাতে খিলক্ষেতের বড় বরুয়া এলাকা থেকে বের হয়ে নিখোঁজ হন সবজি বিক্রেতা মেছের আলী। নিখোঁজের তিন দিন পর ২৩ মে বোয়ালিয়া খাল সংলগ্ন আশিয়ান হাউজিং প্রজেক্টের বালুর চর থেকে তার লাশ উদ্ধার করা হয়। এ ঘটনায় নিহতের স্ত্রী খাদিজা বেগম প্রথমে একটি অপমৃত্যুর মামলা দায়ের করেন।
পরবর্তীতে সিসিটিভি ফুটেজ এবং উদ্ধারকৃত আলামত বিশ্লেষণ করে পুলিশ এটি পরিকল্পিত হত্যাকাণ্ড নিশ্চিত করলে, নিহত মেছের আলীর স্ত্রী ৪ জুন খিলক্ষেত থানায় হত্যা মামলা দায়ের করেন।
তদন্ত শেষে ২০২৪ সালের ২৮ মার্চ খিলগাঁও থানা পুলিশ আদালতে আসামি রমজান আলীর বিরুদ্ধে চার্জশিট জমা দেয়। আদালত চার্জ গঠনের পর ১১ জন সাক্ষীর সাক্ষ্যপ্রমাণ গ্রহণ ও দীর্ঘ বিচারিক প্রক্রিয়া সম্পন্ন করে এই সাজা প্রদান করেন।
সময়ের আলো/জেডি