সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে সহকারী শিক্ষক পদে চূড়ান্তভাবে উত্তীর্ণ হয়েও বিগত ১৭৫ দিন ধরে বেকারত্বের বোঝা টেনে চলেছেন ১৪ হাজার ৩৮৪ জন সুপারিশপ্রাপ্ত শিক্ষক। দীর্ঘ প্রতীক্ষার পরও পদায়ন না হওয়ায় বেতন-ভাতা বঞ্চিত এসব প্রার্থীর দিন কাটছে চরম অনিশ্চয়তায়।
এর আগে গত ২৯ জুলাইয়ের মধ্যে পদায়নের স্পষ্ট রূপরেখা না পেয়ে রোববার (২ আগস্ট ২০২৬) থেকে লাগাতার অবস্থান কর্মসূচি পালনের সিদ্ধান্ত নিয়েছিলেন তারা।
পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে শনিবার (১ আগস্ট) বিকেলে প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের শিক্ষক নিয়োগ-সংক্রান্ত এক জরুরি ভার্চুয়াল সভা অনুষ্ঠিত হয়। সভা শেষে সচিব মো. সাখাওয়াৎ হোসেন জানান, সুপারিশপ্রাপ্ত ১৪ হাজার শিক্ষকের নিয়োগ প্রক্রিয়া সরকার অত্যন্ত গুরুত্বের সাথে দেখছে। তবে প্রশাসনিক তদন্ত ও প্রক্রিয়াগত দীর্ঘসূত্রতার কারণে বিলম্ব হওয়ায় আগামী ৩০ অক্টোবরের মধ্যে তাদের যোগদান প্রক্রিয়া শুরু করার প্রাথমিক সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।
তবে সরকারের এই প্রস্তাবে আশ্বস্ত হতে পারছেন না আন্দোলনরত প্রার্থীরা। তাদের স্পষ্ট দাবি, নিয়োগ বিধিমালা মেনে কোনো প্রকার অজুহাত ছাড়াই চলতি আগস্ট মাসেই তাদের পদায়ন নিশ্চিত করতে হবে।
প্রাক-নিয়োগ প্ল্যাটফর্মের অন্যতম সমন্বয়ক দেবব্রত সরকার ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হয়ে এতদিন বেকার থাকার পর অক্টোবরে যোগদানের কথা বলা চরম অমানবিক সিদ্ধান্ত। সরকার যদি অবিলম্বে আগস্টের মধ্যে পদায়নের লিখিত প্রতিশ্রুতি না দেয়, তবে পূর্বঘোষিত লাগাতার অবস্থান কর্মসূচি যথারীতি চলবে।
সময়ের আলো/জেডি