হরমুজ প্রণালিকে কি ‘মার্কিন ভূখণ্ড’ বানাতে পারবে ট্রাম্প, বাস্তবতা কী

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

আন্তর্জাতিক

ইরানকে সম্প্রতি একটি অদ্ভূত হুমকি দিয়েছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। চলমান যুদ্ধের বিরতি নিয়ে আলোচনার মধ্যে ‘খুব শিগগিরই’ হরমুজ প্রণালী

2026-08-16T19:05:40+00:00
2026-08-16T19:05:40+00:00
 
  রবিবার, ১৬ আগস্ট ২০২৬,
১ ভাদ্র ১৪৩৩
রবিবার, ১৬ আগস্ট ২০২৬
আন্তর্জাতিক
হরমুজ প্রণালিকে কি ‘মার্কিন ভূখণ্ড’ বানাতে পারবে ট্রাম্প, বাস্তবতা কী
আন্তর্জাতিক ডেস্ক
প্রকাশ: রোববার, ১৬ আগস্ট, ২০২৬, ৭:০৫ পিএম 
মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। ছবি : আল-জাজিরা
ইরানকে সম্প্রতি একটি অদ্ভূত হুমকি দিয়েছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। চলমান যুদ্ধের বিরতি নিয়ে আলোচনার মধ্যে ‘খুব শিগগিরই’ হরমুজ প্রণালী দখলের হুমকি দিয়েছেন ট্রাম্প। 

ট্রাম্প শুক্রবার বলেছেন, তিনি ‘খুব শিগগিরই’ হরমুজ প্রণালীকে যুক্তরাষ্ট্রের একটি ভূখণ্ড হিসেবে ঘোষণা করবেন। বিশ্বের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ এই নৌপথ একটি বৈশ্বিক ‘চোকপয়েন্ট’, যার মধ্য দিয়ে বিশ্বের মোট তেল ও গ্যাসের প্রায় এক-পঞ্চমাংশ পরিবাহিত হয়। বর্তমানে নৌপথটির নিয়ন্ত্রণ নিয়ে সামরিক ও কূটনৈতিক অচলাবস্থা চলছে।

গত জুনে যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে স্বাক্ষরিত একটি সমঝোতা স্মারকের মেয়াদ রোববার শেষ হওয়ার কথা। এর মধ্যে ট্রাম্পের এই হুমকিকে ইরান ‘অর্থহীন’ বলে প্রত্যাখ্যান করেছে।

তেহরান হরমুজ প্রণালীকে বৈশ্বিক অর্থনীতির ‘কিল সুইচ’ হিসেবে ব্যবহার করতে নৌপথটি অবরুদ্ধ করেছে। অন্যদিকে ওয়াশিংটন ইরানের বন্দরগুলোর বিরুদ্ধে সামরিক নৌ অবরোধ বজায় রেখেছে, যার ফলে দেশটির অর্থনীতির ওপর আরও চাপ তৈরি হয়েছে।

কে আগে চোখের পলক ফেলবে— এমন এক চাপের খেলায় দুই পক্ষ মুখোমুখি অবস্থানে রয়েছে। ট্রাম্প অবশ্য ইরানের সঙ্গে আলোচনাকে ‘দাবা খেলার মতো’ বলে বর্ণনা করেছেন। একই সময়ে চলমান যুদ্ধজুড়ে তার সামরিক বক্তব্যেও একটি নির্দিষ্ট ধারা দেখা গেছে। ২৮ ফেব্রুয়ারি যুদ্ধ শুরু হওয়ার পর বহুবার তিনি ইরানে হামলার হুমকি দিয়েছেন, আবার শেষ মুহূর্তে সেই অবস্থান থেকে সরে এসেছেন। 

তাহলে যুক্তরাষ্ট্র কি সত্যিই হরমুজ প্রণালীকে নিজেদের ভূখণ্ড বানাতে পারবে? আর এর অর্থই বা কী?

কী বললেন ট্রাম্প?

নিউইয়র্কে পুলিশ একাডেমিতে দেওয়া এক ভাষণে ট্রাম্প বলেন, ইরানকে পরাজিত করার পর খুব শিগগিরই আমি হরমুজ প্রণালীকে যুক্তরাষ্ট্রের ভূখণ্ড হিসেবে ঘোষণা করব। 

নৌ অবরোধের কথা উল্লেখ করে ট্রাম্প আরও এক ধাপ এগিয়ে বলেন, হরমুজ প্রণালী ইতোমধ্যে যুক্তরাষ্ট্রের একটি ভূখণ্ড। 

চহরমুজ এখনও আমরা অবরোধ করে রেখেছি। আমরা না চাইলে কোনো জাহাজ অতিক্রম করতে পারে না, তিনি বলেন।

ইরান বলছে, তারাই জলপথটি নিয়ন্ত্রণ করে। তবে মার্কিন দাবির বিপরীতে, নৌ অবরোধ থাকা সত্ত্বেও কিছু জাহাজ হরমুজ প্রণালী অতিক্রম করেছে বলে সামুদ্রিক নেভিগেশন ডেটায় দেখা যাচ্ছে। 

ওয়াশিংটন ডিসি থেকে আল জাজিরার সংবাদদাতা কিম্বারলি হ্যালকেট বলেন, এটা পরিষ্কার যে মার্কিন প্রেসিডেন্ট হাসতে হাসতেই কথাটি বলেছেন এবং নিজেও বিষয়টিকে বিশেষ গুরুত্ব দেননি।  

তিনি বলেন, হরমুজ ইরান ও ওমানের ভূখণ্ডের জলসীমা। কিন্তু মার্কিন প্রেসিডেন্ট যা করতে পছন্দ করেন, তা হলো প্রতিপক্ষের চামড়ার নিচে ঢুকে পড়া— এ ক্ষেত্রে প্রতিপক্ষ ইরান। 

তবে তিনি বলেন, যে বিষয়টি থেকে আমি পিছু হটছি না, তা হলো হরমুজ প্রণালীতে যুক্তরাষ্ট্রের নৌ অবরোধ কার্যকর এবং তা এখনও অব্যাহত আছে।  

কী প্রতিক্রিয়া জানিয়েছে ইরান? 

ট্রাম্পের এই মন্তব্যের তীব্র প্রতিক্রিয়া জানিয়েছেন ইরানের বেশ কয়েকজন কর্মকর্তা। ইরানের বিচার বিভাগের প্রধান মার্কিন প্রেসিডেন্টকে ‘অপরাধী’ ও ‘নির্বোধ’ বলে অভিহিত করে বলেন, হরমুজ প্রণালী ইরানের। 

ইরানের উপ-পররাষ্ট্রমন্ত্রী কাজেম ঘারিবাবাদি বলেন, টুইট করে, বিমানবাহী রণতরী বা আদেশ জারি করে কিংবা নির্বাচনী ভাষণ দিয়ে হরমুজ প্রণালী দখল করা যাবে না।

তিনি বলেন, হরমুজ প্রণালী ইরানের এবং ইরানেরই থাকবে। তার দাবি, এই প্রণালী শুধু ইরানের সিদ্ধান্তেই বন্ধ ও খুলে দেওয়া হবে। তিনি আরও বলেন, যতক্ষণ না আপনি পরাজয়ের বাস্তবতা মেনে নেবেন এবং আপনার কাল্পনিক বিভ্রান্তি বন্ধ করবেন, ইরান অবরোধ প্রয়োগ অব্যাহত রাখবে। 

এদিকে, প্রণালীতে সামুদ্রিক ট্র্যাফিক ব্যবস্থাপনা নিয়ে একটি সমঝোতায় পৌঁছাতে ইরান একমাত্র উপকূলীয় দেশ ওমানের সঙ্গে আলোচনা করছে। ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাঘচি বলেছেন, তেহরান ও মাস্কাটের মধ্যে আলোচনা শিগগিরই শেষ হতে পারে। 

তবে নৌপথ পুনরায় চালু করা আলাদা একটি বিষয় বলে জানিয়েছেন আরাঘচি। তার মতে, এ ক্ষেত্রে ওয়াশিংটনকে নৌ অবরোধ প্রত্যাহার এবং ইরানের ওপর নিষেধাজ্ঞা তুলে নেওয়াসহ জুনের সমঝোতা স্মারকে দেওয়া প্রতিশ্রুতিগুলো পূরণ করতে হবে। 

এটি চলমান যুদ্ধ নিয়ে ইরানের নতুন অবস্থান। তেহরান এখন কেবল হরমুজ প্রণালী পুনরায় খুলে দেওয়ার বিনিময়ে যুক্তরাষ্ট্রের কাছ থেকে ছাড় চাইছে, যা মূলত যুদ্ধ শেষ করার শর্ত ছিল। 

ট্রাম্পের এই দাবি কি বাস্তবসম্মত?

প্রথমত, সার্বভৌমত্ব নিছক একতরফাভাবে রাষ্ট্রপতির ঘোষণার মাধ্যমে এক দেশের কাছ থেকে অন্য দেশের হাতে চলে যায় না।

উদাহরণস্বরূপ, ট্রাম্প এর আগে ইরানের খার্গ দ্বীপে মার্কিন সেনা পাঠানোর হুমকি দিয়েছিলেন। উপসাগরীয় অঞ্চলে ইরানের প্রধান তেল রফতানি কেন্দ্র দখলের এই হুমকির জবাবে তেহরান ট্রিগারে আঙুল রেখে বলেছিল, তাদের ইসলামিক রেভল্যুশনারি গার্ড কর্পস প্রস্তুত রয়েছে। 

এর আগে, ট্রাম্প ডেনমার্কের স্বায়ত্তশাসিত অঞ্চল গ্রিনল্যান্ড দখলের হুমকিও দিয়েছিলেন।  

প্রেসিডেন্ট রোনাল্ড রিগ্যানের অধীনে অ্যাসোসিয়েট ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল হিসেবে দায়িত্ব পালন করা ব্রুস ফেইন বলেন, ট্রাম্প সাংবিধানিকভাবে নিজের ইচ্ছামতো কোনো ভূখণ্ড সংযুক্ত করার ক্ষমতা রাখেন না।    

তিনি বলেন, সিনেট বা সংবিধান দ্বারা অনুমোদিত একটি চুক্তি সাংবিধানিকভাবে কোনো ভূখণ্ড সংযুক্ত করার জন্য প্রয়োজন। উদাহরণ হিসেবে তিনি লুইসিয়ানা, হাওয়াই বা পানামা খাল ক্রয় বা সংযুক্তির পাশাপাশি স্প্যানিশ-আমেরিকান যুদ্ধের অবসানে পুয়ের্তো রিকো ও ফিলিপাইন অধিগ্রহণের কথা উল্লেখ করেন। 

ফেইনের মতে, ট্রাম্প যদি সংযুক্তির উদ্যোগ নেন, তাহলে সেটি জাতিসংঘ সনদসহ আন্তর্জাতিক আইনের অধীনে আগ্রাসী যুদ্ধের অপরাধ হিসেবে গণ্য হতে পারে। 

সিডনির ইউনিভার্সিটি অব নিউ সাউথ ওয়েলসের অ্যাসোসিয়েট ডিন ও আন্তর্জাতিক আইন বিশেষজ্ঞ নাটালি ক্লেইন বলেন, আন্তর্জাতিক আইনের দৃষ্টিকোণ থেকে ট্রাম্পের দাবির কিছুটা যুক্তিসঙ্গত ভিত্তি কেবল তখনই থাকতে পারে, যদি যুক্তরাষ্ট্র দখলদার শক্তি হিসেবে হরমুজ প্রণালীর ওপর নিয়ন্ত্রণ প্রতিষ্ঠা করে। তিনি দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের পর জাপানের ওপর যুক্তরাষ্ট্রের কর্তৃত্বের সঙ্গে এর তুলনা করেন।  

তবে সে ক্ষেত্রে ইরান বা অন্তত দেশটির উপকূলীয় অঞ্চলের ওপর যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক নিয়ন্ত্রণ প্রতিষ্ঠা করতে হবে।

ইরানের বিরুদ্ধে ট্রাম্পের যুদ্ধ যুক্তরাষ্ট্রেও ব্যাপকভাবে অজনপ্রিয়। এরই মধ্যে প্রেসিডেন্ট ও তার সহকর্মী রিপাবলিকানরা নভেম্বরের মধ্যবর্তী নির্বাচনে কংগ্রেসে তাদের সংকীর্ণ সংখ্যাগরিষ্ঠতা ধরে রাখার চেষ্টা করছেন। রয়টার্সের জরিপ অনুযায়ী, মাত্র ৩৫ শতাংশ আমেরিকান এই যুদ্ধকে সমর্থন করেন। 

এ ছাড়া বেশ কয়েকটি মার্কিন সংবাদমাধ্যম জানিয়েছে, ওয়াশিংটনের কাছে গুরুত্বপূর্ণ প্যাট্রিয়ট অ্যান্টিমিসাইল ইন্টারসেপ্টরসহ বিভিন্ন অস্ত্রের ঘাটতি রয়েছে।

অন্যদিকে যুক্তরাষ্ট্রে পেট্রোলের দামও বেড়েছে এবং বর্তমানে প্রতি গ্যালনের গড় দাম ৪ ডলারের বেশি। মার্কিন নাগরিকদের জন্য একটি বড় উদ্বেগের বিষয়।

গত সপ্তাহে মার্কিন ভাইস প্রেসিডেন্ট জেডি ভ্যানস বলেছিলেন, যুদ্ধে ট্রাম্প প্রশাসনের সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার হলো পেট্রোলের ক্রমবর্ধমান দাম নিয়ন্ত্রণ করা। অন্যদিকে ইরানের পারমাণবিক অস্ত্র অর্জনের প্রতিযোগিতা বন্ধ করা এখন দ্বিতীয় অগ্রাধিকার।   

এদিকে তেহরান উপসাগরীয় অঞ্চলের প্রতিবেশী দেশগুলোকেও হামলার লক্ষ্যবস্তু করেছে। এর উদ্দেশ্য হলো আঞ্চলিক দেশগুলোকে এমন চাপের মধ্যে ফেলা, যাতে তারা ওয়াশিংটনকে আলোচনার টেবিলে সমঝোতায় যেতে বাধ্য করতে পারে।

এমনকি সমুদ্রের আইন সম্পর্কিত জাতিসংঘের কনভেনশন (ইউএনক্লস)-সহ আন্তর্জাতিক আইনের অধীনেও ইরান পুরো হরমুজ প্রণালীর ওপর অবাধ সার্বভৌমত্ব ভোগ করে না। বরং দেশটি কেবল তার নিজস্ব উপকূলের কাছাকাছি কিছু জলসীমার ওপর সার্বভৌম অধিকার ভোগ করে।

ইউএনক্লস উপকূলীয় রাষ্ট্রের আঞ্চলিক জলসীমার ওপর সার্বভৌমত্ব স্বীকার করে। তবে সেই আঞ্চলিক সমুদ্র উপকূল থেকে সর্বোচ্চ ১২ নটিক্যাল মাইল (২২ কিলোমিটার) পর্যন্ত বিস্তৃত হতে পারে। একই সঙ্গে কনভেনশন অনুযায়ী, জাহাজগুলোর চলাচলের অধিকার রয়েছে, যা বাধাগ্রস্ত করা যাবে না। 

হরমুজ প্রণালী ইরান ও ওমানের উপকূলের মাঝখানে অবস্থিত একটি আন্তর্জাতিক নৌপথ। এর সবচেয়ে সংকীর্ণ অংশে প্রণালীটি প্রায় ২১ নটিক্যাল মাইল (৩৯ কিলোমিটার) প্রশস্ত। ফলে দুই দেশের ১২ নটিক্যাল মাইল করে আঞ্চলিক সমুদ্রসীমা প্রণালীর মাঝখানে একে অপরের সঙ্গে ওভারল্যাপ করে।

যদিও যুক্তরাষ্ট্র বা ইরান— কোনো দেশই ইউএনক্লস অনুমোদন করেনি, আন্তর্জাতিক প্রণালীসংক্রান্ত কনভেনশনের নিয়মগুলো ব্যাপকভাবে প্রথাগত আন্তর্জাতিক আইন হিসেবে বিবেচিত হয়।

কাতারের জর্জটাউন বিশ্ববিদ্যালয়ের সহযোগী অধ্যাপক পল মাসগ্রাভ বলেন, ট্রাম্প সাধারণত এ ধরনের বক্তব্য দেন মূলত মার্কিন দর্শকদের, বিশেষ করে তার সমর্থকদের উদ্দেশে। 

তিনি আরও বলেন, মনে রাখা গুরুত্বপূর্ণ যে ট্রাম্প মার্কিন রিয়েলিটি টেলিভিশনের একটি পণ্য এবং দিন শেষে তিনি একজন ‘শোম্যান’।

মাসগ্রাভ সতর্ক করে বলেন, এমন একজন ব্যক্তি বড় বড় কথা বলেন। কিছু ক্ষেত্রে আপনাকে তাকে গুরুত্বসহকারে নিতে হবে, তবে তার কথাগুলো আক্ষরিক অর্থে নেওয়া উচিত নয়।

তার মতে, বিশেষ করে এই ক্ষেত্রে ট্রাম্পের বক্তব্যকে আক্ষরিক অর্থে নেওয়া কঠিন, কারণ হরমুজ প্রণালীকে মার্কিন ভূখণ্ডে পরিণত করা অসম্ভব।   

তবে তার এই বক্তব্য এটিও প্রমাণ করে যে, ট্রাম্প ইরান থেকে পিছু হটতে এবং কয়েক মাস ধরে চলা যুদ্ধে পরাজয় স্বীকার করতে বদ্ধপরিকর নন।


সময়ের আলো/ইউএমএইচ 



  বিষয়:   হরমুজ প্রণালি  মার্কিন ভূখণ্ড  ট্রাম্প 


Loading...
Loading...
আন্তর্জাতিক- এর আরো খবর
Loading...
Loading...
© 2026 Daily Shomoyer Alo
ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক : সৈয়দ শাহনেওয়াজ করিম, আমিন মোহাম্মদ মিডিয়া কমিউনিকেশন লিমিটেড এর পক্ষে প্রকাশক মো. ফয়সাল রহমতউল্লাহ ফেরদৌস। নাসির ট্রেড সেন্টার, ৮৯, বীর উত্তম সি আর দত্ত সড়ক (সোনারগাঁও রোড), বাংলামোটর, ঢাকা।
ফোন : ৪১০৬২৩৬৮-৭৪, ফ্যাক্স : ৪১০৬২৩৭৫
সময়ের আলোর খবর পেতে ফলো করুন: