বিদ্যুৎ ও জ্বালানি সংকটে বাড়তে পারে ওষুধের দাম

নিজস্ব প্রতিবেদক

জাতীয়

বিদ্যুৎ ও জ্বালানির দাম বাড়ায় দেশে ওষুধ উৎপাদনের ব্যয় বেড়ে যাচ্ছে। বিদ্যুৎ সরবরাহ বিঘ্নিত হওয়ায় কারখানাগুলোতে নিয়মিত জেনারেটর ও বড়

2026-08-24T16:56:32+00:00
2026-08-24T16:58:13+00:00
 
  সোমবার, ২৪ আগস্ট ২০২৬,
৯ ভাদ্র ১৪৩৩
সোমবার, ২৪ আগস্ট ২০২৬
জাতীয়
বিদ্যুৎ ও জ্বালানি সংকটে বাড়তে পারে ওষুধের দাম
নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশ: সোমবার, ২৪ আগস্ট, ২০২৬, ৪:৫৬ পিএম  আপডেট: ২৪.০৮.২০২৬ ৪:৫৮ পিএম
মতবিনিময় সভা। ছবি : সংগৃহীত
বিদ্যুৎ ও জ্বালানির দাম বাড়ায় দেশে ওষুধ উৎপাদনের ব্যয় বেড়ে যাচ্ছে। বিদ্যুৎ সরবরাহ বিঘ্নিত হওয়ায় কারখানাগুলোতে নিয়মিত জেনারেটর ও বড় ইউপিএস চালাতে হচ্ছে। এতে উৎপাদন ব্যয় আরও বাড়ছে। এভাবে জ্বালানি ব্যয় বাড়তে থাকলে ওষুধের দামও বাড়তে পারে বলে জানিয়েছেন বাংলাদেশ ঔষধ শিল্প সমিতির (বাপি) মহাসচিব হালিমুজ্জামান।

সোমবার (২৪ আগস্ট) দুপুর ১২টায় রাজধানীর তেজগাঁওয়ে বাপি কার্যালয়ে সংগঠনটির ও বাংলাদেশ হেলথ রিপোর্টার্স ফোরামের যৌথ উদ্যোগে আয়োজিত ‘ওষুধ শিল্পের অগ্রগতি : চ্যালেঞ্জ ও সম্ভাবনা’ শীর্ষক মতবিনিময় সভায় তিনি এসব কথা বলেন।

হালিমুজ্জামান জানান, ওষুধশিল্পে বিদ্যুৎ ও জ্বালানি গুরুত্বপূর্ণ। বর্তমানে প্রতি ইউনিট বিদ্যুতের সরকারি রেট ১৫ টাকা হলেও জেনারেটর ও আনুষঙ্গিক ব্যাকআপের কারণে কারখানা পর্যায়ে প্রকৃত খরচ পড়ছে প্রায় ৪২ টাকা। এতে উৎপাদন ব্যয় অনেক বেড়ে যাচ্ছে।


তিনি বলেন, ‘অন্যান্য শিল্পের সঙ্গে ওষুধ খাতের মূল পার্থক্য হলো- একবার উৎপাদনপ্রক্রিয়া শুরু হলে তা মাঝপথে বন্ধ করা যায় না। এতে প্রস্তুত করা ওষুধ নষ্ট হওয়ার আশঙ্কা থাকে। তাই নিরবচ্ছিন্ন বিদ্যুৎ নিশ্চিত করতে বিকল্প হিসেবে ডিজেল ও ইউপিএসের ওপর নির্ভর করতে হচ্ছে। অনেক প্রতিষ্ঠানের ডিজেল মজুতের সক্ষমতাও পর্যাপ্ত নয়। ফলে ট্যাংক শেষ হয়ে গেলে দ্রুত ডিজেল সংগ্রহ করতে হচ্ছে। এতে বাড়ছে উৎপাদন ব্যয়।’

ওষুধের দাম নির্ধারণে শুধু জ্বালানি খরচ নয়, কাঁচামাল, মান নিয়ন্ত্রণ, পরীক্ষা-নিরীক্ষা, সংরক্ষণ এবং গবেষণা ও উন্নয়নসহ বিভিন্ন খরচ যুক্ত রয়েছে বলে জানান হালিমুজ্জামান।

বাপি মহাসচিব বলেন, ‘আগে যেখানে গুড স্ট্যান্ডার্ড প্র্যাকটিস অনুযায়ী ৫টি পরীক্ষা লাগত, বর্তমানে সেখানে ৮টি পরীক্ষা করতে হচ্ছে। নতুন নতুন ইমপিউরিটি বা অমেধ্য শনাক্তে উচ্চমূল্যের রেফারেন্স স্ট্যান্ডার্ড ব্যবহার করতে গিয়ে মান নিয়ন্ত্রণের খরচ বহুলাংশে বেড়েছে। এ ছাড়া ওষুধ বিক্রির পরও নির্দিষ্ট শেলফ লাইফ এবং মেয়াদের শেষ পর্যন্ত নমুনা সংরক্ষণ করে নিয়মিত পরীক্ষা চালাতে হয়। এতে উৎপাদন-পরবর্তী ব্যয়ও বাড়ছে।’

হালিমুজ্জামান বলেন, ‘এই সবগুলিই আসলে ওষুধের উৎপাদন খরচ। তবে এটা ধারাবাহিক প্রক্রিয়া। এর মধ্যে জ্বালানির খরচও যদি এভাবে বাড়তে থাকে, তাহলে তা অবশ্যই আমাদের মুনাফার ওপর প্রভাব ফেলবে।’

তিনি বলেন, ‘জ্বালানির বাড়তি ব্যয় দীর্ঘদিন অব্যাহত থাকলে উৎপাদনকারী প্রতিষ্ঠানের পক্ষে তা নিজেদের মুনাফা থেকে বহন করা কঠিন হবে। তখন উৎপাদন খরচ সমন্বয় করতে ওষুধের দাম বাড়ানোর প্রয়োজন হতে পারে।’

সময়ের আলো/মহু


  বিষয়:   বিদ্যুৎ  জ্বালানি  সংকট  ওষুধ  দাম  সময়ের আলো 


Loading...
Loading...
জাতীয়- এর আরো খবর
Loading...
Loading...
© 2026 Daily Shomoyer Alo
ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক : সৈয়দ শাহনেওয়াজ করিম, আমিন মোহাম্মদ মিডিয়া কমিউনিকেশন লিমিটেড এর পক্ষে প্রকাশক মো. ফয়সাল রহমতউল্লাহ ফেরদৌস। নাসির ট্রেড সেন্টার, ৮৯, বীর উত্তম সি আর দত্ত সড়ক (সোনারগাঁও রোড), বাংলামোটর, ঢাকা।
ফোন : ৪১০৬২৩৬৮-৭৪, ফ্যাক্স : ৪১০৬২৩৭৫
সময়ের আলোর খবর পেতে ফলো করুন: