কৈলাশ তীর্থযাত্রায় গিয়ে বন্যা-ভূমিধসে নিখোঁজ ২৯০ ভারতীয়

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

আন্তর্জাতিক

নেপাল ও তিব্বত সীমান্তবর্তী এলাকায় আকস্মিক বন্যা ও ভূমিধসে অন্তত ২৯০ জন ভারতীয় তীর্থযাত্রী নিখোঁজ হয়েছেন। হিন্দু ধর্মাবলম্বীদের পবিত্র স্থান

2026-08-29T09:45:10+00:00
2026-08-29T09:53:42+00:00
 
  শনিবার, ২৯ আগস্ট ২০২৬,
১৪ ভাদ্র ১৪৩৩
শনিবার, ২৯ আগস্ট ২০২৬
আন্তর্জাতিক
কৈলাশ তীর্থযাত্রায় গিয়ে বন্যা-ভূমিধসে নিখোঁজ ২৯০ ভারতীয়
আন্তর্জাতিক ডেস্ক
প্রকাশ: শনিবার, ২৯ আগস্ট, ২০২৬, ৯:৪৫ এএম  আপডেট: ২৯.০৮.২০২৬ ৯:৫৩ এএম
বন্যা ও ভূমিধসে ক্ষতিগ্রস্ত নেপালের জনপদ। ছবি : সংগৃহীত
নেপাল ও তিব্বত সীমান্তবর্তী এলাকায় আকস্মিক বন্যা ও ভূমিধসে অন্তত ২৯০ জন ভারতীয় তীর্থযাত্রী নিখোঁজ হয়েছেন। হিন্দু ধর্মাবলম্বীদের পবিত্র স্থান কৈলাশ মানসরোবরে যাত্রার উদ্দেশে সীমান্ত পারাপারের সময় তারা এই দুর্যোগের মুখে পড়েন।

নেপাল সরকারের তথ্য অনুযায়ী, হিমালয় সংলগ্ন এই অঞ্চলে বন্যায় এখন পর্যন্ত নিহতের সংখ্যা বেড়ে ৪৭৫ জনে দাঁড়িয়েছে এবং নিখোঁজের সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ৫৩৭ জনে।

২৬ আগস্ট সকালে নেপালের রসুওয়াগড়ী সীমান্ত হয়ে তিব্বতের জিরং অঞ্চলে প্রবেশের অপেক্ষায় ছিল তীর্থযাত্রীদের কয়েকটি দল। নেপাল অংশের ইমিগ্রেশন কার্যক্রম শেষ করে চীনের ভূখণ্ডে প্রবেশের ঠিক আগমুহূর্তে এই দর্যোগ ঘটে। দুর্যোগের পর চীন বা নেপাল- কোন অংশে ঠিক কতজন আটকা পড়েছেন বা হতাহত হয়েছেন, সে বিষয়ে এখনো সুস্পষ্ট কোনো তথ্য মেলেনি।

নিখোঁজদের মধ্যে রয়েছেন কলকাতার ৪৩ বছর বয়সী মেডিকেল টেকনোলজিস্ট শুভ্রশ্রী চক্রবর্তী এবং ৫৪ বছর বয়সী গৃহশিক্ষিকা রীনা ব্যানার্জি। ২১ আগস্ট কলকাতা থেকে প্রায় ৩০ জনের একটি দলের সঙ্গে রওয়ানা দিয়েছিলেন শুভ্রশ্রী। কাঠমান্ডু হয়ে ২৫ আগস্ট তারা পাহাড়ি পথ পেরিয়ে পৌঁছান সীমান্তের প্রবেশদ্বার স্যামব্রুবেশিতে।


বুধবার (২৬ আগস্ট) সকালে নেপাল ইমিগ্রেশনের ডিপার্চার সিলসহ নিজের পাসপোর্টের ছবি স্বামী সুদীপ্ত ভট্টাচার্যকে হোয়াটসঅ্যাপে পাঠান শুভ্রশ্রী। কয়েক মিনিট পর পাঠান শেষ বার্তা- ‘আমরা চীনে প্রবেশের অপেক্ষায় আছি।’ ঠিক তার কয়েক ঘণ্টার মধ্যেই সীমান্তে শুরু হয় বন্যা ও ভূমিধস। এরপর থেকেই তার সঙ্গে সমস্ত যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন হয়ে যায়।

একই দলের আরেক সদস্য কলকাতার বাসিন্দা রীনা বন্দ্যোপাধ্যায়েরও (৫৪) একই অবস্থা। তার ভাগ্নে দ্বৈপায়ন মুখোপাধ্যায় জানান, শেষ পাওয়া তথ্যে তারা জানতে পেরেছিলেন রীনা নেপাল ইমিগ্রেশন পার হয়েছেন। তবে দুর্যোগের সময় তিনি সীমান্তের কোন পাশে অবস্থান করছিলেন, সে বিষয়ে কোনো নিশ্চিত তথ্য এখনো তারা পাননি।

কলকাতাভিত্তিক সংশ্লিষ্ট ট্যুর অপারেটর জানিয়েছে, যোগাযোগব্যবস্থা পুরোপুরি ভেঙে পড়ায় নিখোঁজ যাত্রীদের বর্তমান অবস্থা সম্পর্কে তারাও নিশ্চিতভাবে কিছু জানাতে পারছে না।

উদ্বিগ্ন পরিবারগুলো চীন ও নেপাল সরকারের কাছে অবিলম্বে উদ্ধারকৃত, নিখোঁজ ও হতাহতদের পূর্ণাঙ্গ তালিকা প্রকাশের দাবি জানিয়েছে। এইসব স্বজনদের দিন কাটছে এখন অপেক্ষা ও অনিশ্চতায়।

সময়ের আলো/মহু


  বিষয়:   নেপাল  বন্যা  ভূমিধস  ভারতীয়  সময়ের আলো 


Loading...
Loading...
আন্তর্জাতিক- এর আরো খবর
Loading...
Loading...
© 2026 Daily Shomoyer Alo
ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক : সৈয়দ শাহনেওয়াজ করিম, আমিন মোহাম্মদ মিডিয়া কমিউনিকেশন লিমিটেড এর পক্ষে প্রকাশক মো. ফয়সাল রহমতউল্লাহ ফেরদৌস। নাসির ট্রেড সেন্টার, ৮৯, বীর উত্তম সি আর দত্ত সড়ক (সোনারগাঁও রোড), বাংলামোটর, ঢাকা।
ফোন : ৪১০৬২৩৬৮-৭৪, ফ্যাক্স : ৪১০৬২৩৭৫
সময়ের আলোর খবর পেতে ফলো করুন: