হবিগঞ্জ ২৫০ শয্যা জেলা সদর হাসপাতাল আকস্মিক পরিদর্শন করেছেন স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রী সরদার মো. সাখাওয়াত হোসেন। পরিদর্শনকালে ডিউটিতে অনুপস্থিত থাকায় রিগান হোসেন নামে এক ফার্মাসিস্টকে তাৎক্ষণিক বদলির নির্দেশ ও পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতার অবস্থা নিয়ে চরম অসন্তোষ প্রকাশ করেন।
শনিবার (২৯ আগস্ট) দুপুর সাড়ে ১২টার দিকে আকস্মিক পরিদর্শনে গিয়ে স্বাস্থ্যমন্ত্রী হাসপাতালের সার্জারি বিভাগ, বহির্বিভাগসহ বিভিন্ন ইউনিট ঘুরে দেখেন। এ সময় তিনি রোগীদের চিকিৎসাসেবা, চিকিৎসক ও স্বাস্থ্যকর্মীদের উপস্থিতি এবং হাসপাতালের সার্বিক কার্যক্রম সম্পর্কে খোঁজখবর নেন।
পরিদর্শনকালে হাসপাতালের পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতার অবস্থা নিয়েও অসন্তোষ প্রকাশ করেন মন্ত্রী। তিনি বলেন, দেশের অন্যান্য জেলার হাসপাতালের তুলনায় হবিগঞ্জ সদর হাসপাতালের পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতার অবস্থা খারাপ। এ বিষয়ে সংশ্লিষ্টদের আরও দায়িত্বশীল হওয়ার নির্দেশ দেন তিনি।
এছাড়া পরিদর্শনকালে বিভিন্ন রোগী ও অভিভাবকদের সাথে কথা বলে তাদের অভিযোগ শুনে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেয়ার আশ্বাস দেন। একই সাথে হাসপাতাল পরিষ্কার পরিচ্ছন্ন রাখার জন্য হাসপাতালের তত্ত্বাধায়ককে নির্দেশনা দেন মন্ত্রী।
পরে স্বাস্থ্যমন্ত্রী সাংবাদিকদের জানান, গত ১৭ বছরে স্বাস্থ্য ব্যবস্থার কোন পরিবর্তন হয় নাই। ৫ বছর ধরে এই হাসপাতালের জেনারেটর নষ্ট অবস্থায় পড়ে আছে, এটা মেরামত না করে চারদিকে শুধু লুটপাট করেছে বিগত সরকার। হাসপাতালের কোন বেড বৃদ্ধি করা হয় নাই। আমরা সরকার গঠনের পর স্বাস্থ্য ব্যবস্থার পরিবর্তনের জন্য বেশ কিছু উদ্যোগ নিয়েছি, সেগুলো পর্যায়ক্রমে বাস্তবায়ন করা হবে।
মন্ত্রী বলেন, আগামী তিন সপ্তাহ পর সারাদেশে আবারও হাম প্রতিরোধে টিকাদান ক্যাম্পেইন পরিচালনা করা হবে। হাম প্রতিরোধে শিশুদের যথাযথভাবে টিকার আওতায় আনার পাশাপাশি অভিভাবকদের সচেতনতা বাড়ানোর ওপর গুরুত্বারোপ করেন তিনি।
মন্ত্রী আরও বলেন, হাম প্রতিরোধে মায়েদের সচেতনতা বাড়াতে হবে। পাশাপাশি শিশুদের শালদুধ খাওয়ানো নিশ্চিত করতে হবে। শিশুদের যথাযথভাবে টিকার আওতায় আনার পাশাপাশি অভিভাবকদেরও এ বিষয়ে সচেতন হতে হবে।
সময়ের আলো/এনএন/আতা