মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর রাষ্ট্রপতি নির্বাচিত হওয়ায় ঠাকুরগাঁও-১ (সদর, রুহিয়া ও ভূল্লি) আসনটি শূন্য ঘোষণা করে নির্বাচন কমিশন। এ আসনে উপনির্বাচনের প্রক্রিয়া শুরু হওয়ায় নিজেদের প্রার্থী হিসেবে আবারও দেলাওয়ার হোসেনের নাম ঘোষণা করেছে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী। একইসঙ্গে তাকে ১১ দলীয় জোটের মনোনীত প্রার্থী হিসেবেও ঘোষণা করা হয়।
রোববার (৩০ আগস্ট) সকালে ঠাকুরগাঁও জেলা জামায়াতের কার্যালয়ে আয়োজিত সমাবেশে আনুষ্ঠানিকভাবে তার নাম ঘোষণা দেন দলের কেন্দ্রীয় সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল ও রংপুর-দিনাজপুর অঞ্চলের পরিচালক মাওলানা আব্দুল হালিম।
দেলাওয়ার হোসেন জামায়াতে ইসলামীর ঢাকা মহানগর দক্ষিণের সহকারী সেক্রেটারি ও কেন্দ্রীয় কর্মপরিষদের সদস্য। এর আগে তিনি ইসলামী ছাত্রশিবিরের সভাপতির দায়িত্ব পালন করেছেন। গত ১২ ফেব্রুয়ারির জাতীয় সংসদ নির্বাচনেও ঠাকুরগাঁও-১ আসনে জামায়াতের প্রার্থী হয়ে নির্বাচন করেছিলেন তিনি।
প্রার্থী ঘোষণার সময় মাওলানা আব্দুল হালিম বলেন, গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠার জন্য নির্বাচনই প্রধান মাধ্যম, তাই জামায়াতে ইসলামী দেশে গণতন্ত্র পুনঃপ্রতিষ্ঠার আন্দোলনের অংশ হিসেবে সব ধরনের নির্বাচনে অংশ নেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে। ভাটাররা যদি নির্বিঘ্নে তাদের ভোটাধিকার প্রয়োগ করতে পারেন এবং নির্বাচন সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ হয়, তাহলে আমাদের প্রার্থী বিজয়ী হবেন বলে আশা করছি।
সমাবেশে সভাপতিত্ব করেন ঠাকুরগাঁও জেলা জামায়াতের আমির অধ্যাপক বেলাল উদ্দিন প্রধান। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন জামায়াতের কেন্দ্রীয় কর্মপরিষদের সদস্য ও রংপুর-দিনাজপুর অঞ্চলের সহকারী পরিচালক অধ্যক্ষ মাওলানা মমতাজ উদ্দিন। এ সময় জামায়াতের বিভিন্ন উপজেলা, পৌরসভা ও ইউনিয়ন পর্যায়ের নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।
উল্লেখ্য, গত ১২ ফেব্রুয়ারি অনুষ্ঠিত ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ঠাকুরগাঁও-১ আসন থেকে বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর সংসদ সদস্য নির্বাচিত হন। প্রায় ৯৮ হাজার ভোটের ব্যবধানে জয় পেয়েছিলেন মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। তাঁর নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী জামায়াতে ইসলামীর দেলাওয়ার হোসেন পেয়েছিলেন এক লাখ ৪১ হাজারের বেশি ভোট। এর আগের জাতীয় সংসদ নির্বাচনেও জামায়াতের প্রার্থী হিসেবে এ আসনে প্রতিদ্বন্দ্বী করেছিলেন দেলাওয়ার হোসেন। এবারও তাকেই প্রার্থী করল দলটি।
সময়ের আলো/আতা