সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীদের দীর্ঘদিনের প্রত্যাশিত নবম জাতীয় পে-স্কেল অনুমোদন করেছে মন্ত্রিসভা। পে-স্কেলে সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীদের মোবাইল ভাতার আওতা বাড়ানো হয়েছে বলে জানা গেছে। নতুন কাঠামো অনুযায়ী ১ম থেকে ২০তম— সব গ্রেডের সরকারি কর্মচারী এ ভাতা পাবেন।
এত দিন নির্দিষ্ট পর্যায়ের, মূলত ৫ম গ্রেড পর্যন্ত সরকারি কর্মচারীরা মোবাইল ভাতার সুবিধা পেতেন। নতুন বেতন কাঠামোয় সেই সীমা তুলে দিয়ে সব গ্রেডের কর্মচারীকে ভাতার আওতায় আনার সিদ্ধান্ত হয়েছে।
সোমবার (৩১ আগস্ট) অনুষ্ঠিত মন্ত্রিসভার বৈঠকে জাতীয় বেতন স্কেল অনুমোদন করা হয়। অনুমোদিত বেতন স্কেলে মোবাইল ভাতার আওতা সম্প্রসারণের সিদ্ধান্তের কথা জানানো হয়েছে সরকারি প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে।
বর্তমানে সরকারি চাকরিতে মোবাইল ভাতা মূলত পঞ্চম গ্রেড পর্যন্ত কর্মচারীদের জন্য প্রযোজ্য ছিল। নতুন বেতন স্কেল কার্যকর হলে গ্রেডভিত্তিক এই সীমাবদ্ধতা আর থাকছে না। ফলে নিচের গ্রেড থেকে শুরু করে সর্বোচ্চ গ্রেড পর্যন্ত সরকারি কর্মচারীরা মোবাইল ভাতার সুবিধা পাবেন।
সরকারের পক্ষ থেকে বলা হয়েছে, সরকারি দাফতরিক কাজের বড় একটি অংশ এখন ডিজিটাল যোগাযোগনির্ভর।
ইন্টারনেট, মোবাইল ফোন ও অন্যান্য ডিজিটাল যোগাযোগের ব্যয় বিবেচনায় নিয়েই মোবাইল ভাতার আওতা বাড়ানো হয়েছে।
নতুন বেতন স্কেলে শুধু মোবাইল ভাতাই নয়, সরকারি কর্মচারীদের জন্য আরও কিছু নতুন সুবিধার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। এর মধ্যে প্রথমবারের মতো বিশেষ চাহিদাসম্পন্ন সন্তানের জন্য প্রতিবন্ধী সন্তান ভাতা চালুর সিদ্ধান্ত রয়েছে। বিশেষ চাহিদাসম্পন্ন প্রতি সন্তানের জন্য মাসে তিন হাজার টাকা করে ভাতা দেওয়া হবে।
নতুন বেতন স্কেলে সরকারি কর্মচারীদের মূল বেতনও উল্লেখযোগ্য হারে বাড়ানোর সিদ্ধান্ত হয়েছে। বিদ্যমান ২০টি গ্রেড বহাল রেখে ২০তম গ্রেডের প্রারম্ভিক মূল বেতন ২০ হাজার টাকা এবং প্রথম গ্রেডের নির্ধারিত বেতন ১ লাখ ৫৬ হাজার টাকা করা হয়েছে।
সময়ের আলো/কেএইচও