সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীদের দীর্ঘদিনের প্রত্যাশিত নবম জাতীয় পে-স্কেল অনুমোদন করেছে মন্ত্রিসভা। তবে এমপিওভুক্ত শিক্ষক ও কর্মচারীরা এর আওতায় আসবেন কি না, সে বিষয়ে এখনো কোনো সিদ্ধান্ত হয়নি বলে জানিয়েছেন মন্ত্রিপরিষদ সচিব নাসিমুল গনি।
এ নিয়ে তাৎক্ষণিকভাবে ক্ষুব্ধ প্রতিক্রিয়া জানিয়েছে দেশের প্রায় সোয়া ছয় লাখ এমপিওভুক্ত শিক্ষক-কর্মচারী। তারা পে-স্কেলে এমপিওভুক্ত শিক্ষক ও কর্মচারীদের অন্তর্ভুক্ত করে প্রজ্ঞাপন জারির দাবি জানিয়েছেন।
সোমবার (৩১ আগস্ট) রাতে এমপিওভুক্ত শিক্ষা জাতীয়করণ প্রত্যাশী জোটের সদস্যসচিব অধ্যক্ষ দেলাওয়ার হোসেন আজিজী নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুকে দেওয়া এক বিবৃতিতে এ দাবি জানিয়েছেন।
বিবৃতিতে দেলাওয়ার হোসেন আজিজী উল্লেখ করেন, দেশের এমপিওভুক্ত শিক্ষক-কর্মচারীরা জাতীয় বেতন স্কেল অনুযায়ী বেতন-ভাতা পেয়ে থাকেন। আমরা আশা করি, সরকার বিষয়টি সদয় বিবেচনায় নেবে।
তিনি লেখেন, সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীদের জন্য নবম পে-স্কেলের প্রজ্ঞাপন জারির পরপরই এমপিওভুক্ত শিক্ষক-কর্মচারীদেরও নবম পে-স্কেলের অন্তর্ভুক্ত করে পৃথক প্রজ্ঞাপন জারি করা হোক।
জানা যায়, এমপিওভুক্ত শিক্ষক-কর্মচারীরা প্রতি মাসে সরকার থেকে বেতনের মূল অংশ এবং কিছু ভাতা পান। বর্তমানে দেশের বিভিন্ন প্রান্তে সোয়া ৬ লাখের বেশি শিক্ষক–কর্মচারী এমপিওভুক্ত রয়েছেন।
বাংলাদেশ শিক্ষাতথ্য ও পরিসংখ্যান ব্যুরোর (ব্যানবেইস) তথ্যমতে, মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা অধিদপ্তরের অধীনে ৩ লাখ ৯৮ হাজার, মাদরাসা শিক্ষা অধিদপ্তরের অধীনে প্রায় পৌনে ২ লাখ এবং কারিগরি শিক্ষা অধিদপ্তরের অধীনে ২৩ হাজারের বেশি শিক্ষক-কর্মচারী।
সময়ের আলো/কেএইচও