স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ বলেছেন, ‘আগামী ৮ থেকে ১০ জানুয়ারি প্রথম পর্ব এবং ১৫ থেকে ১৭ জানুয়ারি দ্বিতীয় পর্বের ইজতেমা করার প্রস্তাব রাখা হয়েছে। সবার সঙ্গে আলোচনা করে এই তারিখ নির্ধারণ করেছি।’
বৃহস্পতিবার (৩ আগস্ট) তাবলিগের মাওলানা সাদপন্থিরা মন্ত্রীর সঙ্গে বৈঠক করেন। বৈঠক শেষে তিনি এ কথা বলেন।
স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, ‘নির্বাচনের কারণে ১ বছর তাবলিগ জামাতের বিশ্ব ইজতেমা হয়নি। আজকে দুই অংশের একটি পক্ষ (মওলানা সাদপন্থি) নিয়ে আলোচনা হয়েছে। বেশ কিছুদিন আগে জুবায়েরপন্থি হিসেবে যারা পরিচিত, তাদের সঙ্গেও কথা হয়েছে। তাদেরকেও বলেছিলাম আমরা দুই পক্ষের সঙ্গেই কথা বলব।’
মন্ত্রী বলেন, ‘এ বিষয়ে সংশ্লিষ্ট সবাই এবং গোয়েন্দা বাহিনীর সঙ্গে কথা বলব। সরকারের সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার হচ্ছে শান্তি-শৃঙ্খলা বজায় রাখা। আমরা চাই, যাতে কোনো ধরনের সংঘর্ষ না হয়। কারণ, এর আগে হতাহতের ঘটনা ঘটেছে। এজন্য আমরা বিষয়টি লক্ষ্য রেখে সিদ্ধান্ত নেব। যেহেতু আমরা এখনো চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত দেইনি, এর বেশি এই মুহূর্তে আমরা বলতে পারছি না।’
সালাহউদ্দিন আহমদ বলেন, ‘জুবায়েরপন্থিদের দাবি প্রথম পর্ব এবং দ্বিতীয় পর্ব তারা করতে চান। আর সাদপন্থিদের দাবি হচ্ছে, রমজানের আগে এবং ওই দুই পর্বের পরে এর মধ্যবর্তী সময়ে এক পর্বে ইজতেমা করা। অথবা নভেম্বরের শেষ দিকে প্রস্তাবিত এই দুই পর্ব শুরুর আগেই সাদপন্থিরা ইজতেমা করতে চান।’
স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, ‘জুবায়ের অংশের প্রস্তাব দিয়েছিল সাদপন্থিরা যেন অন্য কোথাও ইজতেমা করে। আমরাও বলেছিলাম, আমার এতে যা সহযোগিতা করার করব। কিন্তু এতে মাওলানা সাদের অনুসারীরা সম্মত হননি। আমরা দুই পক্ষকেই একত্রে ইজতেমা করার আহ্বান জানিয়েছি।’
সালাহউদ্দিন আহমদ আরও বলেন, ‘মাওলানা সাদ সাহেবের আগমনের বিষয়টি ধর্ম অনুসারে ধর্ম মন্ত্রণালয় দেখবে সেই হিসেবে তারা সিদ্ধান্ত নেবে। এটা ভিসানীতি অনুসারে দেখা হবে। এ বিষয়ে এখন আমরা চূড়ান্ত কিছু বলতে পারব না। ভিসানীতি অনুসারে যেভাবে ক্লিয়ারেন্স নিতে হয় সেভাবে নেবে, তারপরে দেখা যাবে।’
সময়ের আলো/মহু