সুপারসাইজড এল নিনো : জাতিসংঘের সতর্কবার্তা

সময়ের আলো ডেস্ক

বিবিধ

বিশ্ব ইতিমধ্যে প্রবেশ করেছে ‘চরম আবহাওয়ার ঝুঁকিপূর্ণ অঞ্চলে’। আর সামনে পরিস্থিতি আরও কঠিন হয়ে উঠতে পারে। শক্তিশালী হয়ে ওঠা এল

2026-09-04T04:05:44+00:00
2026-09-04T04:05:44+00:00
 
  শুক্রবার, ৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬,
২০ ভাদ্র ১৪৩৩
শুক্রবার, ৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬
বিবিধ
সুপারসাইজড এল নিনো : জাতিসংঘের সতর্কবার্তা
সামনে বড় দুর্যোগ, প্রস্তুতি কতটা
সময়ের আলো ডেস্ক
প্রকাশ: শুক্রবার, ৪ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৪:০৫ এএম 
কেনিয়ার মতো পূর্ব আফ্রিকার দেশগুলো শেষ বারের এল নিনো চলাকালীন তীব্র বৃষ্টিপাতের শিকার হয়েছিল। ছবি : এএফপি
বিশ্ব ইতিমধ্যে প্রবেশ করেছে ‘চরম আবহাওয়ার ঝুঁকিপূর্ণ অঞ্চলে’। আর সামনে পরিস্থিতি আরও কঠিন হয়ে উঠতে পারে। শক্তিশালী হয়ে ওঠা এল নিনোর প্রভাব বিশ্বজুড়ে অনুভূত হতে শুরু করায় এমনই সতর্কবার্তা দিয়েছেন জাতিসংঘের মহাসচিব আন্তোনিও গুতেরেস। বিশ্ব আবহাওয়া সংস্থা জানিয়েছে, এবারের এল নিনো গত ৭০ বছরেরও বেশি সময়ের মধ্যে সবচেয়ে শক্তিশালী হয়ে উঠতে পারে। এর প্রভাব অন্তত ২০২৭ সালের ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত স্থায়ী হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে।

এল নিনো মূলত প্রশান্ত মহাসাগরে তৈরি হওয়া একটি প্রাকৃতিক আবহাওয়াগত ঘটনা। এটি বিশ্বের বিভিন্ন অঞ্চলের আবহাওয়ার স্বাভাবিক ছন্দ বদলে দেয়। কোনো অঞ্চলে দেখা দিতে পারে দীর্ঘস্থায়ী খরা ও দাবানল, আবার অন্য কোথাও বাড়তে পারে বন্যা, ভূমিধস ও শক্তিশালী ঘূর্ণিঝড়। এর সঙ্গে যুক্ত হচ্ছে মানবসৃষ্ট জলবায়ু পরিবর্তনের দীর্ঘমেয়াদি উষ্ণতা। ফলে এবারের এল নিনোর প্রভাব আরও ভয়াবহ হতে পারে বলে আশঙ্কা করছেন বিজ্ঞানীরা।

Advertisement
জাতিসংঘের মহাসচিব আন্তোনিও গুতেরেসের ভাষায়, ‘আমাদের চোখের সামনে এল নিনো আরও বড় আকার নিচ্ছে।’ তার মতে, পৃথিবী এমন এক অচেনা আবহাওয়াগত পরিস্থিতিতে প্রবেশ করেছে, যেখানে সমুদ্র ও স্থল— দুটিই দ্রুত উষ্ণ হয়ে উঠছে।

সমুদ্রের নিচে জমছে অস্বাভাবিক উষ্ণতা
এল নিনোর শুরু প্রশান্ত মহাসাগর থেকে। বায়ুপ্রবাহের পরিবর্তনের কারণে উষ্ণ সমুদ্রের পানি পূর্বদিকে সরে আসে এবং বিপুল পরিমাণ তাপ বায়ুমণ্ডলে ছড়িয়ে পড়ে। সাম্প্রতিক মাসগুলোতে মধ্য ও পূর্ব গ্রীষ্মমণ্ডলীয় প্রশান্ত মহাসাগরের সমুদ্রপৃষ্ঠের তাপমাত্রা দ্রুত বেড়েছে। এল নিনোর প্রধান পর্যবেক্ষণ এলাকায় সাম্প্রতিক সপ্তাহগুলোতে তাপমাত্রা স্বাভাবিকের চেয়ে ২ ডিগ্রি সেলসিয়াসেরও বেশি ছিল। এতেই বিজ্ঞানীদের ধারণা, এটি ‘খুব শক্তিশালী’ এল নিনোতে পরিণত হতে যাচ্ছে। কিন্তু আশঙ্কা আরও বড়। পূর্বাভাস বলছে, কোনো কোনো মাসে সমুদ্রপৃষ্ঠের তাপমাত্রা স্বাভাবিকের চেয়ে প্রায় ৪ ডিগ্রি সেলসিয়াস বেশি হতে পারে।

এমনটি হলে ১৯৫০ সালের পর এটিই হতে পারে সবচেয়ে শক্তিশালী এল নিনো এবং ব্যবধানটিও হতে পারে বড়। সমুদ্রের ওপরের অংশের চেয়েও নিচের পরিস্থিতি আরও বিস্ময়কর। প্রশান্ত মহাসাগরের কিছু এলাকায় পানির নিচের তাপমাত্রা স্বাভাবিকের চেয়ে ৮ ডিগ্রি সেলসিয়াসেরও বেশি। শুধু প্রশান্ত মহাসাগর নয়, ভারত মহাসাগর, ক্রান্তীয় আটলান্টিক এবং অস্ট্রেলিয়ার উপকূলের কিছু এলাকাতেও স্বাভাবিকের চেয়ে বেশি সমুদ্রপৃষ্ঠের তাপমাত্রার পূর্বাভাস রয়েছে।

অস্ট্রেলিয়ার সামুদ্রিক জীববৈচিত্র্য নিয়ে উদ্বেগ
অস্ট্রেলিয়ার জন্য এই উষ্ণতা বিশেষভাবে উদ্বেগের। দেশটির উপকূলীয় সমুদ্র সমৃদ্ধ সামুদ্রিক জীববৈচিত্র্যের আবাসস্থল। জলবায়ু পরিবর্তনের কারণে সাম্প্রতিক বছরগুলোতে সেখানে একের পর এক সামুদ্রিক তাপপ্রবাহ দেখা গেছে। এর ফলে ব্যাপক প্রবাল বিবর্ণতা এবং শৈবালের অস্বাভাবিক বিস্তার ঘটেছে। কোথাও কোথাও ক্ষয়ক্ষতিকে বলা হয়েছে নজিরবিহীন।

অস্ট্রেলিয়ার বিজ্ঞান সংস্থার প্রধান গবেষক আলিস্টার হবডে বলেন, এল নিনো নিজে প্রাকৃতিক ঘটনা হলেও এটি এমন ধরনের অতিরিক্ত উষ্ণতা তৈরি করতে পারে, যা সামুদ্রিক পরিবেশের জন্য বড় বিপর্যয় ডেকে আনে।

এবারের পূর্বাভাসে অবশ্য অস্ট্রেলিয়ার গ্রেট ব্যারিয়ার রিফকে সবচেয়ে খারাপ পরিস্থিতি থেকে কিছুটা রেহাই পাওয়ার সম্ভাবনা দেখা যাচ্ছে। এতে প্রবালগুলো পুনরুদ্ধারের জন্য কিছুটা বাড়তি সময় পেতে পারে। কিন্তু দক্ষিণ অস্ট্রেলিয়ার পরিস্থিতি নিয়ে উদ্বেগ বেশি।

গত বছর সেখানে শৈবালের ব্যাপক বিস্তার দেখা গিয়েছিল। এবার তার সঙ্গে যুক্ত হয়েছে বার্ড ফ্লুর প্রাদুর্ভাব এবং আসন্ন গ্রীষ্মে আরও শক্তিশালী সামুদ্রিক তাপপ্রবাহের আশঙ্কা। আগের এক সামুদ্রিক তাপপ্রবাহে দক্ষিণ অস্ট্রেলিয়া ও তাসমানিয়ায় ক্ষুধার্ত পেঙ্গুইন, বিপুল মাছ মারা যাওয়া, পানিতে অক্সিজেনের ঘাটতি তৈরি করা শৈবালের বিস্তার এবং অস্বাভাবিকভাবে জেলিফিশ বেড়ে যাওয়ার মতো ঘটনা ঘটেছিল। এবারের পরিস্থিতি তাই বিজ্ঞানীদের যথেষ্ট চিন্তায় ফেলেছে।

কম বৃষ্টি মানেই খরা, ব্যাহত হবে বিশ্ববাণিজ্য
এল নিনোর প্রভাব ২০২৭ সাল পর্যন্ত চলতে পারে। তবে আগামী কয়েক মাসেই বিশ্বের বিভিন্ন অঞ্চলে বৃষ্টিপাতের ধরনে বড় পরিবর্তন দেখা যেতে পারে। দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়া, মধ্য আমেরিকা এবং উত্তর দক্ষিণ আমেরিকার বিস্তীর্ণ এলাকায় স্বাভাবিকের তুলনায় কম বৃষ্টিপাতের পূর্বাভাস দেওয়া হয়েছে। ফলে বাড়তে পারে খরা ও দাবানলের ঝুঁকি। ইতিমধ্যে এর প্রভাব পড়তে শুরু করেছে আন্তর্জাতিক বাণিজ্যেও। কম বৃষ্টির আশঙ্কায় পানামা খালের মধ্য দিয়ে চলাচলকারী জাহাজের সংখ্যা ১০ শতাংশের বেশি কমানোর সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। প্রতি বছর প্রায় ১৪ হাজার জাহাজ এই কৃত্রিম জলপথ ব্যবহার করে। এটি শুধু বৈশ্বিক বাণিজ্যের গুরুত্বপূর্ণ রুট নয়, পানামার অর্থনীতিরও বড় একটি ভিত্তি। খালটি থেকে দেশটির বছরে প্রায় ৩ বিলিয়ন ডলার আয় হয়।

ইন্দোনেশিয়ায় দাবানলের সঙ্গে লড়াই
দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার দেশ ইন্দোনেশিয়াও এল নিনোর সম্ভাব্য প্রভাব নিয়ে প্রস্তুতি নিচ্ছে। দেশটির বিভিন্ন এলাকায় চলতি শুষ্ক মৌসুমে ইতিমধ্যে ১ লাখ ৭ হাজার হেক্টরের বেশি জমি দাবানলে পুড়েছে। এবার শুষ্ক মৌসুম স্বাভাবিকের তুলনায় দীর্ঘ হতে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে। মধ্য কালিমান্তানের বাসিন্দা ডারউইন রমি বিবিসিকে জানান, এক মাসেরও বেশি সময় ধরে তিনি দাবানলের ধোঁয়ার মধ্যে বসবাস করছেন। বাইরে বের হলে চোখ জ্বালা করে। বাতাসে ধোঁয়ার গন্ধও তীব্র।

আগুন নিয়ন্ত্রণে ইন্দোনেশিয়া সরকার ক্লাউড-সিডিং বিমান ব্যবহার করছে— কৃত্রিমভাবে বৃষ্টি ঘটিয়ে আগুন নেভানোর চেষ্টা চলছে। জমি পরিষ্কারের উদ্দেশ্যে আগুন লাগানোর অভিযোগে কয়েক ডজন মানুষকেও গ্রেফতার করা হয়েছে।

কোথাও খরা, কোথাও আবার ভয়ংকর ঘূর্ণিঝড়
এল নিনোর বৈশিষ্ট্যই হলো— এর প্রভাব সব জায়গায় একই রকম নয়। একদিকে যেমন দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ায় খরার ঝুঁকি বাড়ছে, অন্যদিকে চীনসহ কিছু অঞ্চলে বাড়ছে শক্তিশালী ঘূর্ণিঝড়ের আশঙ্কা। চীনের বিশেষজ্ঞদের মতে, এ বছর দেশটির উপকূলে সাতটি ঘূর্ণিঝড় আঘাত হানতে পারে— যার সঙ্গে শক্তিশালী এল নিনোর সম্পর্ক রয়েছে বলে মনে করা হচ্ছে।

জুলাই মাসেই চীনে তিনটি ঘূর্ণিঝড় আঘাত হানে। আগস্টে আরও ভয়াবহ পরিস্থিতি তৈরি হয়। টাইফুন ডলফিনের আঘাতে ভারী বৃষ্টি ও প্রবল বাতাসের কারণে ১০ লাখের বেশি মানুষকে ঘরবাড়ি ছেড়ে নিরাপদ স্থানে সরিয়ে নিতে হয়। অন্যদিকে পূর্ব আফ্রিকা, দক্ষিণ ব্রাজিল এবং যুক্তরাষ্ট্রের দক্ষিণাঞ্চলের কিছু এলাকায় স্বাভাবিকের তুলনায় বেশি বৃষ্টিপাতের আশঙ্কা রয়েছে। অর্থাৎ একই আবহাওয়াগত ঘটনা বিশ্বের এক প্রান্তে নিয়ে আসতে পারে খরা, আর অন্য প্রান্তে বন্যা।

পেরুতে বন্যা ও ভূমিধসের আশঙ্কা
দক্ষিণ আমেরিকার দেশ পেরু এল নিনোর জন্য বিশেষভাবে ঝুঁকিপূর্ণ। দেশটির দীর্ঘ উপকূলরেখা সরাসরি পূর্ব প্রশান্ত মহাসাগরের দিকে। অতীতে এল নিনোর সময় পেরু, ইকুয়েডর এবং ব্রাজিলের কিছু এলাকায় অতিবৃষ্টির কারণে আকস্মিক বন্যা ও ভূমিধস হয়েছে। শহরাঞ্চলে ঝুঁকি আরও বেশি। কারণ কংক্রিটে ঢাকা শহরে অতিরিক্ত পানি সহজে মাটিতে শোষিত হতে পারে না।

জলবায়ু-সহনশীলতা নিয়ে কাজ করা সংস্থা প্র্যাকটিক্যাল অ্যাকশনের কর্মকর্তা মিগুয়েল আরেস্তেগুই বলেন, পরিস্থিতি নিয়ে উদ্বেগ যথেষ্ট। তবে সেই উদ্বেগকে আতঙ্কে পরিণত না করে প্রস্তুতিতে রূপান্তর করতে হবে।

তাদের সংস্থা স্থানীয় অংশীদারদের সঙ্গে কাজ করে জনগণের কাছে আগাম সতর্কবার্তা পৌঁছে দেওয়ার ব্যবস্থা জোরদার করছে। নদীর পানির উচ্চতা, বন্যার ঝুঁকি এবং আবহাওয়ার পূর্বাভাস— এসব তথ্য দ্রুত মানুষের কাছে পৌঁছে দেওয়াই এর লক্ষ্য।

বিপর্যয়ের আগেই চিকিৎসা সহায়তার প্রস্তুতি
এল নিনোর সম্ভাব্য প্রভাব মোকাবিলায় আন্তর্জাতিক পর্যায়েও প্রস্তুতি চলছে। যুক্তরাষ্ট্র পেরুর উপকূলে টঝঘঝ ঈড়সভড়ৎঃ নামের একটি হাসপাতাল জাহাজ পাঠানোর ঘোষণা দিয়েছে। এল নিনো চূড়ায় পৌঁছালে অতিরিক্ত চিকিৎসা সহায়তা ও প্রয়োজনীয় প্রযুক্তিগত সরঞ্জাম সরবরাহে এটি ব্যবহার করা হবে। জাতিসংঘের বিশ্ব আবহাওয়া সংস্থাও বিভিন্ন দেশের সঙ্গে সমন্বয় করে আগাম সতর্কবার্তা পৌঁছে দেওয়ার বড় ধরনের উদ্যোগ নিয়েছে।

প্রযুক্তি এখন এমন পর্যায়ে পৌঁছেছে যে সম্ভাব্য দুর্যোগের পূর্বাভাস কয়েক দিন বা কয়েক সপ্তাহ আগেই দেওয়া সম্ভব। কিন্তু সতর্কবার্তা তখনই কার্যকর হবে, যখন তা সময়মতো মানুষের কাছে পৌঁছাবে এবং মানুষ সেই অনুযায়ী ব্যবস্থা নিতে পারবে। এ কারণেই আগাম সতর্কতা ব্যবস্থা শক্তিশালী করাকে এবারের প্রস্তুতির অন্যতম প্রধান হাতিয়ার হিসেবে দেখা হচ্ছে।

‘এল নিনো শূন্য থেকে আসে না’
বিশেষজ্ঞদের সবচেয়ে বড় উদ্বেগ শুধু এল নিনো নয়। এর সঙ্গে যুক্ত হয়েছে জলবায়ু পরিবর্তনের কারণে দীর্ঘদিন ধরে বাড়তে থাকা বৈশ্বিক উষ্ণতা। বিজ্ঞানীরা এখনও নিশ্চিত নন যে জলবায়ু পরিবর্তন এল নিনোর ঘটনাগুলোকে সরাসরি আরও শক্তিশালী করছে কি না। তবে দুটি প্রক্রিয়া যখন একই সময়ে কাজ করে, তখন চরম আবহাওয়ার প্রভাব আরও ভয়াবহ হয়ে উঠতে পারে। আরেকটি বড় বাস্তবতা হলো— একটি দুর্যোগ কখনোই শূন্য থেকে শুরু হয় না।

পেরুতে কাজ করা জলবায়ু বিশেষজ্ঞ আরেস্তেগুইয়ের মতে, এল নিনো এমন একটি সমাজে আঘাত হানে যেখানে আগে থেকেই নানা কাঠামোগত দুর্বলতা রয়েছে। ঝুঁকিপূর্ণ এলাকায় অপরিকল্পিত আবাসন, দুর্বল পানি ও পয়োনিষ্কাশন ব্যবস্থা এবং ভঙ্গুর স্বাস্থ্যব্যবস্থা— এসব সমস্যা একটি প্রাকৃতিক দুর্যোগকে বহুগুণ ভয়াবহ করে তুলতে পারে।

সামনে কঠিন কয়েকটি মাস
বিশ্ব আবহাওয়া সংস্থার মহাসচিব সেলেস্তে সাউলো সতর্ক করে বলেছেন, খরা ও বন্যার কারণে এরই মধ্যে বিশ্বের বিভিন্ন অঞ্চলে বিপর্যয় ও দৈনন্দিন জীবনে ব্যাঘাত দেখা যাচ্ছে। এল নিনো আরও শক্তিশালী হলে এসব প্রভাব আরও বাড়তে পারে। এ কারণেই এবারের এল নিনোকে শুধু একটি আবহাওয়াগত ঘটনা হিসেবে দেখছেন না বিজ্ঞানীরা।

এটি খাদ্যনিরাপত্তা, পানির সরবরাহ, কৃষি, স্বাস্থ্য, জীববৈচিত্র্য এবং বৈশ্বিক বাণিজ্য— সবকিছুর ওপর চাপ তৈরি করতে পারে। জাতিসংঘের সতর্কবার্তাটি তাই কেবল ভয় দেখানোর জন্য নয়; বরং সময় থাকতে প্রস্তুত হওয়ার আহ্বান। কারণ এল নিনোকে থামানো সম্ভব নয়। কিন্তু এল নিনোর কারণে কত মানুষ ক্ষতিগ্রস্ত হবে, কত সম্পদ ধ্বংস হবে এবং কত প্রাণহানি ঘটবে— তার অনেকটাই নির্ভর করবে বিশ্ব কতটা প্রস্তুত।

সময়ের আলো/প্রিন্ট/আতা
  বিষয়:   সুপারসাইজড এল নিনো  জাতিসংঘ  সতর্কবার্তা  সুপারসাইজড  এল নিনো  আবহাওয়া  সময়ের আলো 


Loading...
Loading...
বিবিধ- এর আরো খবর
Loading...
Loading...
Advertisement
© 2026 Daily Shomoyer Alo
ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক : সৈয়দ শাহনেওয়াজ করিম, আমিন মোহাম্মদ মিডিয়া কমিউনিকেশন লিমিটেড এর পক্ষে প্রকাশক মো. ফয়সাল রহমতউল্লাহ ফেরদৌস। নাসির ট্রেড সেন্টার, ৮৯, বীর উত্তম সি আর দত্ত সড়ক (সোনারগাঁও রোড), বাংলামোটর, ঢাকা।
ফোন : ৪১০৬২৩৬৮-৭৪, ফ্যাক্স : ৪১০৬২৩৭৫
সময়ের আলোর খবর পেতে ফলো করুন: