ইন্দোনেশিয়ায় আগ্নেয়গিরির ছাইয়ের কারণে বন্ধ হয়ে যাওয়া জাকার্তার প্রধান বিমানবন্দরসহ পাঁচটি বিমানবন্দরে মঙ্গলবার (৮ সেপ্টেম্বর) আবারও বিমান চলাচল শুরু হয়েছে। তবে আনাক ক্রাকাতাউয়ে নতুন করে অগ্ন্যুৎপাত হওয়ায় ফ্লাইট চলাচল ফের ব্যাহত হওয়ার আশঙ্কা দেখা দিয়েছে।
জাভা ও সুমাত্রা দ্বীপের মাঝামাঝি অবস্থিত আনাক ক্রাকাতাউ থেকে শুক্রবার রাতে অগ্ন্যুৎপাত শুরু হয়। ছাই ছড়িয়ে পড়ায় নিরাপত্তার কারণে দেশটির আটটি বিমানবন্দর বন্ধ করে দেওয়া হয়েছিল। এতে ৩ লাখ ৪০ হাজারের বেশি যাত্রী ফ্লাইট বাতিল, বিলম্ব কিংবা অন্য বিমানবন্দরে সরিয়ে নেওয়ার কারণে ভোগান্তিতে পড়েন।
পরিবহনমন্ত্রী দুডি পুরওয়াগান্ধি জানান, বাতাসের কারণে আগ্নেয়গিরির ছাই সরে যাওয়ায় জাকার্তার সোয়েকার্নো-হাত্তা আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর পুনরায় চালু করা হয়েছে। তবে বন্ধ থাকার সময় সেখানে আটকে থাকা ১৭৮টি উড়োজাহাজের উড্ডয়নযোগ্যতা পরীক্ষা করতে হবে। তাই সব ফ্লাইট স্বাভাবিক হতে সময় লাগতে পারে।
দক্ষিণ কোরিয়ায় যাওয়ার জন্য রোববার বিমানবন্দরে আসা ৩১ বছর বয়সী আলভিন প্রাতামা পুত্রা জানান, তার ফ্লাইট বৃহস্পতিবারের জন্য পুনর্নির্ধারণ করা হয়েছে। বিমানবন্দরের বেঞ্চে ঘুমিয়ে সময় কাটাতে হয়েছে বলেও জানান তিনি।
জাকার্তা ও বান্দুংয়ের আরও চারটি বিমানবন্দর মঙ্গলবার চালু হয়েছে। একটি সোমবার খুলে দেওয়া হলেও দুটি এখনো বন্ধ রয়েছে।
ফ্লাইট বাতিল ও বিলম্বে বিমান সংস্থাগুলোরও বড় ধরনের আর্থিক ক্ষতি হচ্ছে। ইন্দোনেশিয়া ন্যাশনাল এয়ার ক্যারিয়ারস অ্যাসোসিয়েশনের মহাসচিব বায়ু সুতান্তো বলেন, এ পরিস্থিতিতে প্রতিদিন সর্বোচ্চ ১৯ বিলিয়ন ইন্দোনেশীয় রুপিয়া বা প্রায় ১০ লাখ ডলার পর্যন্ত ক্ষতি হতে পারে।
এদিকে আনাক ক্রাকাতাউয়ের নতুন অগ্ন্যুৎপাত পর্যবেক্ষণ করা হচ্ছে। ফলে বিমান চলাচলে ফের বিঘ্নের আশঙ্কা রয়েছে।
সূত্র : রয়টার্স
সময়ের আলো/এমকে