গুদামে সার আছে। সরকারি হিসাবে মজুদও কম নয়। কৃষি মন্ত্রণালয় বলছে, সারের কোনো সংকট নেই; বরং চাহিদার তুলনায় অতিরিক্ত মজুদ রয়েছে। ডিলারদের চাহিদা অনুযায়ী নিয়মিত বরাদ্দ দেওয়া হলেও তারা প্রয়োজনীয় সার উত্তোলন না করে কৃত্রিম সংকট তৈরি করছেন।
কোথাও কোথাও জেলা পর্যায়ের কর্মকর্তারাও গুদাম দেখিয়ে বলছেন, মাসিক চাহিদার কয়েকগুণ সার মজুদ রয়েছে। কিন্তু মাঠের চিত্র সম্পূর্ণ ভিন্ন। আমনের ভরা মৌসুমে প্রয়োজনীয় সার পেতে কৃষককে দোকানে দোকানে ঘুরতে হচ্ছে। সরকার নির্ধারিত দামে না পেয়ে অনেককে বাড়তি টাকায় কিনতে হচ্ছে। কোথাও সার মিলছে না, কোথাও মিললেও নির্ধারিত দামের চেয়ে অনেক বেশি দামে।
কৃষকদের অভিযোগ, সরকার নির্ধারিত পরিবেশকদের একটি অংশ ভর্তুকির সার কালোবাজারে বিক্রি করছে। পরে সেই সারই খোলাবাজারে বেশি দামে বিক্রি হচ্ছে। পরিস্থিতি নিয়ে ক্ষোভ জমতে জমতে তা এখন গড়িয়েছে বিক্ষোভ, সড়ক অবরোধ এমনকি গুদাম ভেঙে সার নিয়ে যাওয়ার মতো ঘটনায়। সোমবার কুড়িগ্রামে ডিলারের গুদাম ভেঙে সার নিয়ে যাওয়ার পাশাপাশি রাজশাহীর বিভিন্ন এলাকায় সারের দাবিতে সড়ক অবরোধ ও বিক্ষোভ হয়েছে। প্রশ্ন উঠেছে, সরকারি গুদামে সার থাকার পরও তা কৃষকের হাতে পৌঁছাচ্ছে না কেন। বরাদ্দ থেকে কৃষকের হাতে পৌঁছানোর মাঝের পথেই কৃত্রিম সংকট তৈরি হচ্ছে কি না, সেই প্রশ্নও উঠেছে।
এর সঙ্গে এবার যুক্ত হয়েছে আরও বড় উদ্বেগ। কৃষি মন্ত্রণালয়ের নথিতেই উঠে এসেছে ডিএপি (ডাই-অ্যামোনিয়া ফসফেট) সারের মজুদ নিয়ে ঘাটতির আশঙ্কা। চলতি সেপ্টেম্বরের চাহিদা মেটানোর পর অক্টোবরে প্রয়োজনীয় পরিমাণ ডিএপি সরকারের হাতে থাকবে না। আগামী মাসে চাহিদা প্রায় দেড় লাখ টন হলেও হাতে থাকবে মাত্র প্রায় ৪১ হাজার টন। বিদেশ থেকে আমদানির কিছু সার পথে থাকলেও সময়মতো সরবরাহ ব্যবস্থায় যুক্ত না হলে পরিস্থিতি সামাল দেওয়া কঠিন হতে পারে।
গত রোববার কৃষি মন্ত্রণালয়ের কাছে বিএডিসি যে মজুদ চিত্র দিয়েছে, তাতে প্রতিষ্ঠানটির কাছে বিভিন্ন ধরনের প্রায় ৩ লাখ ৩২ হাজার মেট্রিক টন সার রয়েছে। চলতি মাসের বরাদ্দে প্রায় ১ লাখ টন ব্যবহারের পরও মজুদ থাকবে প্রায় ২ লাখ ৩২ হাজার টন। এ হিসাবে সামগ্রিকভাবে আগামী মাসে বড় ঘাটতির কথা নয়। কিন্তু সব ধরনের সার একসঙ্গে হিসাব করলে সমস্যার আসল চিত্র পাওয়া যায় না। বিশেষ করে ডিএপির পরিস্থিতি ভিন্ন। মন্ত্রণালয়ের সরকারি ক্রয়-সংক্রান্ত মন্ত্রিসভা কমিটির জন্য তৈরি সারসংক্ষেপে বলা হয়েছে, ৩ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত বিএডিসির কাছে ডিএপি ছিল মাত্র ১ লাখ ৪১ হাজার মেট্রিক টন। এ মজুদ দিয়ে শুধু চলতি মাসের চাহিদাই পূরণ করা সম্ভব। আগামী মাসের বাড়তি চাহিদা পূরণের মতো পর্যাপ্ত মজুদ নেই।
এদিকে মাঠে যে সংকটের অভিযোগ উঠছে, তার সঙ্গে ডিএপি ছাড়াও ইউরিয়া, টিএসপি (ট্রিপল সুপার ফসফেট) ও এমওপির (মিউরেট অব পটাশ) বিতরণব্যবস্থায় অনিয়মের অভিযোগ রয়েছে। সোমবার কুড়িগ্রামের রৌমারী উপজেলার বন্দবেড় ইউনিয়নে সার বিতরণে দেরি হওয়ায় ডিলারের গুদামের দরজা ভেঙে সার নিয়ে যান বিক্ষুব্ধ কৃষকরা। বন্দবেড় বাজারের মেসার্স মিতা হাসান এন্টারপ্রাইজের গুদামে ঘটে এ ঘটনা। প্রতিষ্ঠানটির ব্যবস্থাপক সাইফুল ইসলাম দাবি করেছেন, কৃষকরা অন্তত ১৫০ বস্তা সার নিয়ে গেছেন।
একই দিনে ভূরুঙ্গামারীতে চাহিদামতো সার না পাওয়ার অভিযোগে সড়ক অবরোধ করেন কৃষকরা। এক পর্যায়ে উপজেলা কৃষি কর্মকর্তাকেও কিছুক্ষণ অবরুদ্ধ করে রাখা হয়। অথচ এর মাত্র ১৫ দিন আগেই একই উপজেলায় সরবরাহ না পেয়ে গুদাম ভেঙে সার নিয়ে যাওয়ার ঘটনা ঘটেছিল। রাজশাহীর পুঠিয়ায় কৃষকরা ঢাকা-রাজশাহী মহাসড়ক প্রায় দেড় ঘণ্টা অবরোধ করেন।
তাদের অভিযোগ, আমন ধানের জন্য জমিতে সার প্রয়োগের উপযুক্ত সময় চলছে, কিন্তু প্রয়োজন অনুযায়ী সার পাওয়া যাচ্ছে না। বিক্রেতারা কৃত্রিম সংকট তৈরি করে বেশি দামে সার বিক্রি করছেন বলেও অভিযোগ করেন তারা। লালমনিরহাটেও সারের দাবিতে সড়ক অবরোধ ও বিক্ষোভ হয়েছে। জয়পুরহাটে অনিয়মের অভিযোগে দুই ডিলারকে জরিমানা করা হয়েছে। মাগুরায় সার উদ্ধারের ঘটনায় দুজনকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ।
মঙ্গলবার বিভাগীয় কমিশনার ইউসুফ আলী রাজশাহী মহানগরীর নওদাপাড়ায় বিএডিসির গুদাম পরিদর্শন করে বলেছেন, সেখানে পর্যাপ্ত সার রয়েছে। বিসিআইসির বাফার গুদামে ৯ হাজার ৮০৪ টন ইউরিয়া, ৪৩০ টন টিএসপি ও ৮৫ দশমিক ৫ টন ডিএপি রয়েছে। বিএডিসির গুদামে রয়েছে ৬ হাজার ৩১২ টন টিএসপি, ৮০১ টন এমওপি ও ৪ হাজার ৩৪৮ টন ডিএপি। চলতি মাসে রাজশাহীতে টিএসপির বরাদ্দ ১ হাজার ৪৫ টন হলেও গুদামে রয়েছে প্রায় ৬ হাজার ৩০০ টন। ইউরিয়ার বরাদ্দ ৫ হাজার ৭০০ টনের বিপরীতে একটি গুদামেই রয়েছে প্রায় ১০ হাজার টন। ফলে প্রশ্ন আরও জোরালো হচ্ছে— গুদামে যদি এত সার থাকে, কৃষকের কাছে তা পৌঁছাচ্ছে না কেন।
সরকারের পক্ষ থেকে বলা হচ্ছে, সার নিয়ে আতঙ্কিত হওয়ার কারণ নেই। কৃষি মন্ত্রণালয়ের হিসাবে, সারা দেশে প্রায় ১০ হাজার ডিলার সার বিতরণের সঙ্গে যুক্ত। প্রতি মাসে মন্ত্রণালয় জেলাভিত্তিক বরাদ্দ দেয়। জেলা প্রশাসকের নেতৃত্বাধীন সার বরাদ্দ ও বীজ বিতরণ মনিটরিং কমিটি ডিলারভিত্তিক বরাদ্দ নির্ধারণ করে। ডিলার নির্ধারিত গুদাম থেকে সার উত্তোলনের পর তা কৃষকের কাছে পৌঁছানোর কথা।
মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তারা বলছেন, অনেক ডিলার চাহিদা অনুযায়ী বরাদ্দ পেলেও যথাসময়ে সার উত্তোলন করছেন না। কেউ কেউ সার মজুদ রেখে কৃত্রিম সংকট তৈরি করছেন। ভর্তুকির সার কালোবাজারে বিক্রির অভিযোগও রয়েছে। মন্ত্রণালয়ের অভ্যন্তরীণ তদন্তে মাঠ পর্যায়ের গাফিলতির বিষয়টিও উঠে এসেছে। কৃষি মন্ত্রণালয়ের একজন কর্মকর্তা বলেন, মন্ত্রণালয় পর্যায় থেকে আমদানি ও বরাদ্দ সঠিক পরিমাণে ও সঠিক সময়ে করা হলেও কিছু ক্ষেত্রে কৃষি কর্মকর্তাদের উদাসীনতা এবং ডিলারদের সঙ্গে যোগসাজশ সংকট তৈরি করছে।
ইতিমধ্যে জেলা পর্যায়ের তিন উপপরিচালককে বদলি করা হয়েছে। আরও এক উপজেলা কৃষি কর্মকর্তাকে বরখাস্তের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। যেখানে গাফিলতি, অবহেলা বা যোগসাজশ পাওয়া যাচ্ছে, সেখানে কারণ দর্শানো, ব্যাখ্যা তলব, প্রত্যাহার এবং ক্ষেত্রবিশেষে বরখাস্ত করা হচ্ছে।
তবে মাঠের বর্তমান সংকটের মধ্যে সবচেয়ে বড় উদ্বেগ তৈরি করেছে ডিএপি। কৃষি মন্ত্রণালয়ের নথিতে বলা হয়েছে, আগামী অক্টোবরে প্রায় দেড় লাখ টন ডিএপি সারের চাহিদা রয়েছে। চলতি মাসের সরবরাহের পর সরকারের হাতে থাকার কথা প্রায় ৪১ হাজার টন। মরক্কো থেকে আমদানির ৩০ হাজার মেট্রিক টন ডিএপি নিয়ে একটি জাহাজ রওনা হয়েছে। সেটি সময়মতো দেশে এসে সরবরাহ ব্যবস্থায় যুক্ত হলে মজুদ কিছুটা বাড়বে। কিন্তু আরও দুটি লটের সমপরিমাণ ডিএপি কেবল জাহাজীকরণ শুরু হয়েছে। সেগুলো দেশে পৌঁছে সরবরাহ ব্যবস্থায় যুক্ত হতে ৪০ থেকে ৪৫ দিনেরও বেশি সময় লাগতে পারে। ফলে অক্টোবরের চাহিদার সময় এসব সার দেশে না পৌঁছানোর আশঙ্কা রয়েছে। এ অবস্থায় কৃষি মন্ত্রণালয় বেসরকারি খাতের মাধ্যমে ৫ লাখ টন ডিএপি আমদানির উদ্যোগ নিলেও অনুমোদন ও এলসি খোলার প্রক্রিয়ায় বিলম্ব হওয়ায় তাৎক্ষণিক সংকট সামাল দেওয়া কঠিন হতে পারে।
মন্ত্রণালয়ের সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা জানান, সরকার প্রতি বছর প্রায় সাড়ে ৯ লাখ টন নন-ইউরিয়া সার আমদানি করে। এবারও একই পরিমাণ আমদানির পরিকল্পনা রয়েছে। এর মধ্যে ৫ লাখ টন ডিএপি, ২ লাখ টন টিএসপি এবং আড়াই লাখ টন এমওপি আমদানির কথা। কিন্তু গত আগস্টে দরপত্র আহ্বানের পরও চূড়ান্ত অনুমোদন না পাওয়ায় বেসরকারি আমদানিকারকরা এলসি খুলতে পারেননি।
বিদেশ থেকে সার এনে দেশে পৌঁছে সরবরাহব্যবস্থায় যুক্ত করতে সাধারণত ৮০ থেকে ৯০ দিন সময় লাগে। আগে এপ্রিল-মে মাসে দরপত্র আহ্বান করে জুনের মধ্যে কার্যাদেশ দেওয়ার রীতি ছিল। এবার সেই সময়সূচি পিছিয়ে যাওয়ায় এর প্রভাব সামনে পড়ার আশঙ্কা তৈরি হয়েছে। বিশেষ করে অক্টোবর থেকে ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত রবি ও বোরো মৌসুমের প্রস্তুতিতে ডিএপির চাহিদা বাড়বে। শুধু এই সময়ে ডিএপি সারের চাহিদা ১০ লাখ মেট্রিক টনের বেশি। ফলে আমদানিতে বিলম্বের প্রভাব আমন মৌসুম পেরিয়ে রবি ও বোরো মৌসুমেও পড়তে পারে বলে আশঙ্কা করছেন সংশ্লিষ্টরা।
সারের ভবিষ্যৎ সরবরাহ নিয়ে উদ্বেগ আরও বাড়িয়েছে রাষ্ট্রায়ত্ত সার কারখানার উৎপাদন পরিস্থিতি। বাংলাদেশ কেমিক্যাল ইন্ডাস্ট্রিজ করপোরেশনের (বিসিআইসি) অধীন সাতটি সার কারখানার মধ্যে পাঁচটি বর্তমানে বন্ধ। গ্যাস, যান্ত্রিক ত্রুটি ও কাঁচামাল সংকটের কারণে এসব কারখানায় উৎপাদন হচ্ছে না। সবশেষ চট্টগ্রামের আনোয়ারায় অবস্থিত বহুজাতিক সার কারখানা কর্ণফুলী ফার্টিলাইজার কোম্পানি লিমিটেড (কাফকো) চার মাসের মাথায় সোমবার উৎপাদন বন্ধ করেছে। এর ফলে দেশের অভ্যন্তরীণ উৎপাদন কমে গেলে আমদানির ওপর নির্ভরতা বাড়বে। আন্তর্জাতিক বাজার, জাহাজীকরণ, এলসি বা সরবরাহ ব্যবস্থায় সামান্য বিলম্ব হলেও তার প্রভাব সরাসরি কৃষকের ওপর পড়তে পারে।
সাবেক কৃষি সচিব আনোয়ার ফারুক বিদ্যমান সংকটের জন্য সার ব্যবস্থাপনার বর্তমান নীতিমালা নিয়েও প্রশ্ন তুলেছেন। তিনি বলেন, আগের তুলনামূলক ভারসাম্যপূর্ণ নীতিমালা পরিবর্তনের পর সার ব্যবস্থাপনায় জটিলতা বেড়েছে। বিএডিসির বিপুল ব্যাংক ঋণ, ব্যাংকের এলসি দিতে অনীহা এবং গুদাম সক্ষমতার ঘাটতিও আমদানির পথে বড় বাধা। তার মতে, সরকারি সংস্থার পাশাপাশি বেসরকারি খাতকে কার্যকরভাবে সম্পৃক্ত করে বাজার মনিটরিং ও সরবরাহ স্থিতিশীল রাখার ব্যবস্থা করতে হবে।
কৃষি মন্ত্রণালয়ের একাধিক কর্মকর্তা অবশ্য আওয়ামী লীগ আমলের ডিলারদের একটি অংশের বিরুদ্ধে বর্তমান পরিস্থিতিকে অস্থির করার অভিযোগ তুলেছেন। তাদের দাবি, একটি ডিলার সিন্ডিকেট ও কিছু সরকারি কর্মকর্তা সরকারকে বেকায়দায় ফেলতে সারা দেশে অস্থিরতা উসকে দিচ্ছে।
দেশে পর্যাপ্ত সার মজুদ ও বরাদ্দ রয়েছে জানিয়ে কৃষি সচিব মো. সেলিম খান বলেছেন, সরকার কৃষকের চাহিদা অনুযায়ী সার সরবরাহ নিশ্চিত করতে কাজ করছে। কোথাও গুদামে সার থাকার পরও কৃষকের কাছে না পৌঁছালে সংশ্লিষ্টদের দায় এড়ানোর সুযোগ নেই। সার বিতরণ ব্যবস্থাপনায় অনিয়মের বিষয়ে সরকারের ‘জিরো টলারেন্স’ নীতি রয়েছে। কেউ অনিয়ম করে কৃত্রিম সংকট তৈরি করলে তার বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
দেশে সারের কোনো সংকট নেই দাবি করে কৃষিমন্ত্রী মোহাম্মদ আমিন উর রশিদও বলেছেন, চাহিদার তুলনায় অতিরিক্ত সার মজুদ রয়েছে। তার দাবি, একটি সিন্ডিকেট সারা দেশে অরাজকতা তৈরি করছে এবং পরিকল্পিতভাবে কৃত্রিম সংকট তৈরির চেষ্টা হচ্ছে। জড়িতদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে জানিয়ে মন্ত্রী বলেন, কৃষকদের কাছে সঠিক সময়ে, সঠিক পরিমাণে ও নির্ধারিত মূল্যে সার পৌঁছে দিতে নীতিমালা অনুযায়ী সরবরাহ ব্যবস্থা পরিচালনা করা হচ্ছে। কোনো এলাকায় চাহিদার তুলনায় মজুদ কম থাকলে প্রয়োজন অনুযায়ী অন্য গুদাম বা অঞ্চল থেকে সার সরবরাহ করে ঘাটতি সমন্বয় করা হবে।
সময়ের আলো/প্রিন্ট/জেডি