জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) মুখপাত্র ও সাবেক উপদেষ্টা আসিফ মাহমুদ সজীব ভূঁইয়া জানান, বিএনপি সরকারের সময়ে সংঘটিত পদোন্নতির ঘটনায় অর্থ লেনদেনের দায় তার ওপর চাপানোর চেষ্টা করছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)। বুধবার (৯ সেপ্টেম্বর) নিজের ফেসবুক ভেরিফায়েড পেজে এই সংক্রান্ত একটি পোস্ট করেন তিনি।
আসিফ মাহমুদ বলেন, ‘দুদকের মুখপাত্র সংবাদ সম্মেলনে আমার বিরুদ্ধে দায়ের করা অভিযোগের প্রাথমিক সত্যতা পাওয়ার দাবি করলেও পরবর্তীতে সাংবাদিকদের একটি হোয়াটসঅ্যাপ গ্রুপে তিনি জানান, প্রাথমিক সত্যতা শব্দবন্ধটি ভুলবশত ব্যবহার করা হয়েছিল এবং তা সংবাদে প্রকাশ না করার অনুরোধ করেন। একজন নাগরিকের বিরুদ্ধে এমন বক্তব্য দেওয়ার পরও দুদকের পক্ষ থেকে প্রকাশ্যে কোনো সংশোধনী দেওয়া হয়নি।’
আসিফ মাহমুদ বলেন, ‘আমি ১০ ডিসেম্বর ২০২৫ তারিখে উপদেষ্টার পদ থেকে পদত্যাগ করি। বিএনপি সরকার দায়িত্ব নেয় ১৭ ফেব্রুয়ারি ২০২৬। আর সংশ্লিষ্ট পদোন্নতির সরকারি আদেশ জারি হয় ১১ মে ২০২৬। তাহলে বিএনপি সরকারের সময়ে হওয়া এই পদোন্নতির সঙ্গে আমাকে কীভাবে জড়ানো হয়? যদি অভিযোগের বিষয়টি যথাযথভাবে যাচাই-বাছাই করা হতো, তাহলে ২০২৬ সালের ১১ মে জারি হওয়া পদোন্নতির বিষয়ে তদন্তের প্রয়োজন হলে বর্তমানে যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয়ের দায়িত্বে যিনি আছেন, তার বিরুদ্ধে তদন্ত হওয়ার কথা। এর পরিবর্তে আমার বিরুদ্ধে তদন্ত কেন?’
আসিফ মাহমুদের অভিযোগ, দুদকের দায়ের করা অভিযোগের প্রকৃত উদ্দেশ্য দুর্নীতির তথ্য উদঘাটন নয়, বরং তাকে রাজনৈতিকভাবে হয়রানি করা এবং গণমাধ্যমকে ব্যবহার করে জনগণের মাঝে তার বিরুদ্ধে একটি নেতিবাচক ধারণা তৈরি করা।
দুদকের মুখপাত্রের ওই বক্তব্য দেশের বিভিন্ন গণমাধ্যমে প্রচারিত হওয়ায় সামাজিক ও রাজনৈতিকভাবে তার মানহানি হয়েছে বলে জানান আসিফ মাহমুদ। দুদকের মুখপাত্রের বক্তব্যের কারণে তার যে মানহানি হয়েছে, সে বিষয়ে আইনগত পদক্ষেপ নেওয়ার প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে বলেও ফেসবুক পোস্টে জানান তিনি।
সময়ের আলো/জেকিউএফ