দেশের বাজারে সবচেয়ে ভালো মানের বা ২২ ক্যারেটের প্রতি ভরি স্বর্ণের দাম ১ হাজার ১০৮ টাকা কমিয়ে ২ লাখ ৩৪ হাজার ৩৮ টাকা নির্ধারণ করেছে বাংলাদেশ জুয়েলার্স অ্যাসোসিয়েশন (বাজুস)।
বুধবার (৯ সেপ্টেম্বর) সকালে বাজুসের স্ট্যান্ডিং কমিটি অন প্রাইসিং অ্যান্ড প্রাইস মনিটরিংয়ের সভায় সর্বসম্মতিক্রমে নতুন দাম নির্ধারণ করা হয়। ওই দিন সকাল ১০টা থেকে নতুন দাম কার্যকর হয়েছে। শুক্রবার (১১ সেপ্টেম্বর) দেশের বাজারে এ দামেই স্বর্ণ বিক্রি হচ্ছে।
বাজুস জানিয়েছে, তেজাবী স্বর্ণের (পিওর গোল্ড) দাম কমে যাওয়ায় সার্বিক পরিস্থিতি বিবেচনা করে স্বর্ণের নতুন দাম নির্ধারণ করা হয়েছে।
নতুন মূল্য অনুযায়ী, ২২ ক্যারেটের প্রতি ভরি স্বর্ণের দাম ২ লাখ ৩৪ হাজার ৩৮ টাকা। ২১ ক্যারেটের প্রতি ভরি স্বর্ণের দাম ১ হাজার ৪৯ টাকা কমিয়ে ২ লাখ ২৩ হাজার ৫৪১ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে। ১৮ ক্যারেটের প্রতি ভরি স্বর্ণের দাম ৯৩৩ টাকা কমিয়ে ১ লাখ ৯১ হাজার ৯৩১ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতির প্রতি ভরি স্বর্ণের দাম ৭০০ টাকা কমিয়ে ১ লাখ ৫৬ হাজার ৮২২ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে।
এর আগে গত ৬ সেপ্টেম্বর সকাল ১০টা থেকে ২২ ক্যারেটের প্রতি ভরি স্বর্ণের গহনার দাম ২ হাজার ২১৬ টাকা কমিয়ে ২ লাখ ৩৫ হাজার ১৪৬ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছিল। একইভাবে ২১ ক্যারেটের প্রতি ভরি স্বর্ণের গহনার দাম ২ হাজার ১০০ টাকা কমিয়ে ২ লাখ ২৪ হাজার ৫৯০ টাকা করা হয়।
এ ছাড়া ১৮ ক্যারেটের প্রতি ভরি স্বর্ণের গহনার দাম ১ হাজার ৭৫০ টাকা কমিয়ে ১ লাখ ৯২ হাজার ৮৬৪ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতির প্রতি ভরি স্বর্ণের গহনার দাম ১ হাজার ৪৫৮ টাকা কমিয়ে ১ লাখ ৫৭ হাজার ৫২২ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছিল। বুধবার সকাল ৯টা ৫৯ মিনিট পর্যন্ত এসব দামেই স্বর্ণের গহনা বিক্রি হয়েছে।
বাজুসের বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, অলংকারের নকশা অনুযায়ী মজুরি প্রযোজ্য হবে। বিক্রয়মূল্যের সঙ্গে ভ্যাট অন্তর্ভুক্ত থাকায় গ্রাহকের কাছ থেকে আলাদাভাবে ভ্যাট আদায় করা যাবে না।
এ ছাড়া মজুরি ও পাথরের মূল্য বাদ দিয়ে পুরোনো অলংকার বদলের ক্ষেত্রে ১২ শতাংশ এবং কিনে নেওয়ার ক্ষেত্রে ১৮ শতাংশ বাদ দিতে হবে। বদল ও কেনার ক্ষেত্রে আলাদাভাবে ভ্যাট বাদ দেওয়া যাবে না।
পরবর্তী সিদ্ধান্ত না হওয়া পর্যন্ত দেশের সব জুয়েলারি প্রতিষ্ঠানে নতুন এ বিক্রয়মূল্য কার্যকর থাকবে বলে জানিয়েছে বাজুস।