যৌতুকের জন্য স্ত্রীকে পুড়িয়ে হত্যায় মৃত্যুদণ্ড

আদালত প্রতিবেদক

আইন-আদালত

কেরানীগঞ্জে যৌতুকের জন্য স্ত্রীকে পুড়িয়ে হত্যার মামলায় স্বামী দুলাল হোসেন ওরফে দুলু ওরফে জুয়েলকে মৃত্যুদণ্ডের আদেশ দিয়েছেন আদালত। রোববার (১৩

2026-09-14T00:13:56+00:00
2026-09-14T00:13:56+00:00
 
  সোমবার, ১৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬,
৩০ ভাদ্র ১৪৩৩
সোমবার, ১৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬
আইন-আদালত
যৌতুকের জন্য স্ত্রীকে পুড়িয়ে হত্যায় মৃত্যুদণ্ড
আদালত প্রতিবেদক
প্রকাশ: সোমবার, ১৪ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ১২:১৩ এএম 
মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত আসামি দুলাল হোসেন। ছবি : সংগৃহীত
কেরানীগঞ্জে যৌতুকের জন্য স্ত্রীকে পুড়িয়ে হত্যার মামলায় স্বামী দুলাল হোসেন ওরফে দুলু ওরফে জুয়েলকে মৃত্যুদণ্ডের আদেশ দিয়েছেন আদালত। রোববার (১৩ সেপ্টেম্বর) ঢাকার নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনাল-৪-এর বিচারক মুন্সী মো. মশিয়ার রহমান এ রায় ঘোষণা করেন।

তবে অভিযোগ প্রমাণিত না হওয়ায় চারজনকে খালাস দেওয়া হয়েছে। খালাস পাওয়া আসামিরা হলেন— দুলালের ভাই হারুন, ভাবি মোরশেনা, বোন সুমাইয়া এবং বোন জামাই রাজু।

রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী মো. এরশাদ আলম (জর্জ) বিষয়টি নিশ্চিত করে বলেন, দণ্ডের পাশাপাশি আসামিকে দুই লাখ টাকা অর্থদণ্ড করা হয়েছে। আসামির স্থাবর/অস্থাবর সম্পত্তি বিক্রি করে অর্থদণ্ডের টাকা আদায় করে ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারকে দেওয়ার জন্য ঢাকার জেলা ম্যাজিস্ট্রেট বা কালেক্টরকে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

মামলার অভিযোগ থেকে জানা যায়, ২০০১ সালে দুলালের সঙ্গে বিয়েবন্ধনে আবদ্ধ হন শারমিন। তাদের একটি কন্যাসন্তান রয়েছে। বিয়ের পর থেকে অপর আসামিদের কু-পরামর্শ ও প্ররোচনায় দুলাল শারমিনের পরিবারের কাছে দুই লাখ টাকা যৌতুক দাবি করে মারধর করত। ২০১৬ সালের ১৭ সেপ্টেম্বর সকাল সাড়ে ৯টার দিকে আসামিরা যৌতুকের জন্য তাকে মারধর করে।

ঘটনার বিষয়ে শারমিন তার মাকে জানায়, আসামিরা শরীরে কেরোসিন ঢেলে ম্যাচের কাঠি দিয়ে আগুন ধরিয়ে দিয়েছে। শারমিনের চিৎকার শুনে আশপাশের লোকজন তাকে উদ্ধার করে প্রথমে মিটফোর্ড হাসপাতালে পরে ঢাকা মেডিকেল কলেজে হাসপাতালে ভর্তি করে।

সংবাদ পেয়ে শারমিনের মা মোসা. মোমেলা হাসপাতালে গিয়ে মেয়েকে মুমূর্ষু অবস্থায় দেখতে পান। তার শরীরের ৮৫ শতাংশ পুড়ে গেছে বলে জানতে পারেন।

পরে, ৩০ সেপ্টেম্বর চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যান শারমিন।

এ ঘটনায় তার মা মোমেলা কেরানীগঞ্জ মডেল থানায় বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করেন। ২০১৭ সালের ৩১ জানুয়ারি মামলার তদন্ত শেষে ৬ জনকে অভিযুক্ত করে আদালতে অভিযোগপত্র দাখিল করেন কেরানীগঞ্জ মডেল থানার এসআই এ কে এম সাইদুজ্জামান।

এরপর আসামিদের বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠন করেন আদালত। মামলার বিচার চলাকালে ৯ জনের সাক্ষ্য গ্রহণ করেন আদালত। মামলার বিচার চলাকালে জরিনা বেগম মারা যান।

সময়ের আলো/আতা
  বিষয়:   যৌতুক  স্ত্রীকে পুড়িয়ে হত্যা  মৃত্যুদণ্ড  যৌতুকের জন্য স্ত্রীকে পুড়িয়ে হত্যা  সময়ের আলো  হত্যা 


Advertisement
Loading...
Loading...
আইন-আদালত- এর আরো খবর
Loading...
Loading...
Advertisement
© 2026 Daily Shomoyer Alo
ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক : সৈয়দ শাহনেওয়াজ করিম, আমিন মোহাম্মদ মিডিয়া কমিউনিকেশন লিমিটেড এর পক্ষে প্রকাশক মো. ফয়সাল রহমতউল্লাহ ফেরদৌস। নাসির ট্রেড সেন্টার, ৮৯, বীর উত্তম সি আর দত্ত সড়ক (সোনারগাঁও রোড), বাংলামোটর, ঢাকা।
ফোন : ৪১০৬২৩৬৮-৭৪, ফ্যাক্স : ৪১০৬২৩৭৫
সময়ের আলোর খবর পেতে ফলো করুন: